নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানি নিরসনে আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুস্বাক্ষর ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে গ্রিন বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে এ দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রয়োজনে আইন করে সহিংসতা ও হয়রানি নিষিদ্ধ করতে হবে।
সমাবেশে বক্তারা যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্টের নির্দেশনা আইনে রূপান্তর, কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন, কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানিমুক্ত কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করা সহ ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রতিকার এবং সহায়তা পাওয়া নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, অর্থনীতির চাকা ঘোরে শ্রমিকের শ্রমে ও ঘামে। দেশকে স্ব-নির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে আছে শ্রমজীবীদের অক্লান্ত পরিশ্রম। যেখানে নারী শ্রমিকের অগ্রহণ ক্রমশ বাড়ছে। প্রাতিষ্ঠানিক এবং অ-প্রাতিষ্ঠানিক উভয় খাতে নারী শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলেও কর্মস্থলে নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা যায়নি, প্রতিরোধ করা যায়নি কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি। কর্মক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের যৌন হয়রানি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা।
তারা আরও বলেন, ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসন কনভেনশন ১৯০ -(ইলেমিনেশন অৰ ভায়োলেন্স অ্যান্ড হেরাসমেন্ট ইন দি ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক) প্রণয়ন করে যা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বন্ধে এই কনভেনশনটি বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেমন সুদৃঢ় করবে তেমনি বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।
সমাবেশ শ্রমিকেরা কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের হয়রানি এবং নির্যাতন বন্ধে অবিলম্বে আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুস্বাক্ষর ও বাস্তবায়ন করার দাবি জানায়।

কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানি নিরসনে আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুস্বাক্ষর ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে গ্রিন বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে এ দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রয়োজনে আইন করে সহিংসতা ও হয়রানি নিষিদ্ধ করতে হবে।
সমাবেশে বক্তারা যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্টের নির্দেশনা আইনে রূপান্তর, কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন, কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানিমুক্ত কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করা সহ ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রতিকার এবং সহায়তা পাওয়া নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, অর্থনীতির চাকা ঘোরে শ্রমিকের শ্রমে ও ঘামে। দেশকে স্ব-নির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে আছে শ্রমজীবীদের অক্লান্ত পরিশ্রম। যেখানে নারী শ্রমিকের অগ্রহণ ক্রমশ বাড়ছে। প্রাতিষ্ঠানিক এবং অ-প্রাতিষ্ঠানিক উভয় খাতে নারী শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলেও কর্মস্থলে নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা যায়নি, প্রতিরোধ করা যায়নি কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি। কর্মক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের যৌন হয়রানি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা।
তারা আরও বলেন, ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসন কনভেনশন ১৯০ -(ইলেমিনেশন অৰ ভায়োলেন্স অ্যান্ড হেরাসমেন্ট ইন দি ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক) প্রণয়ন করে যা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বন্ধে এই কনভেনশনটি বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেমন সুদৃঢ় করবে তেমনি বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।
সমাবেশ শ্রমিকেরা কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের হয়রানি এবং নির্যাতন বন্ধে অবিলম্বে আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুস্বাক্ষর ও বাস্তবায়ন করার দাবি জানায়।

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
১৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৩৭ মিনিট আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে