
রাজধানীর মহাখালীতে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে মো. সুমন (৩৫) নামের এক যুবক ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।
আজ সোমবার বেলা ২টার দিকে মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে তার পরিবার। পরে বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সুমনের স্ত্রী সুমি আক্তার বলেন, তাঁদের বাসা বনানীর কড়াইল বস্তিতে। তাঁর স্বামী সুমন প্রাইভেট কারচালক। উত্তরা আজমপুর এক মালিকের গাড়ি চালান। সকালে বাসা থেকে উত্তরা যান। সেখান থেকে মোটরসাইকেল কিনতে যাওয়ার কথা ছিল। তাঁর কাছে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিল।
সুমি আক্তার আরও বলেন, ‘দুপুরে স্বামীর মোবাইল ফোন থেকে সংবাদ পাই সে মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। দ্রুত সেখানে গিয়ে অচেতন অবস্থায় বাসায় নিয়ে যাই। অবস্থা খারাপ দেখে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি। তবে তার কাছে মোবাইল পাওয়া গেলেও টাকা পাওয়া যায় নাই। অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাকে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে টাকা নিয়ে গেছে।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মহাখালীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পড়ে পরে এক গাড়িচালক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জরুরি বিভাগ থেকে তাঁকে পাকস্থলী ওয়াস করা হয়েছে। পরিবার থেকে অভিযোগ করা হয়েছে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া কালবৈশাখীর ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির কারণে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এর আগেও কয়েক সপ্তাহ ধরে এলাকায় তীব্র লোডশেডিং চলছিল, যা হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবাকে ব্যাহত করছে।
১১ মিনিট আগে
২৬ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সেমিস্টারের প্রেজেন্টেশন পেপার প্রিন্ট করতে মদিনা মার্কেটের হক ম্যানশনে অবস্থিত একটি দোকানে যান। সেখানে প্রতি পৃষ্ঠা ৩০ টাকা করে লেখা ও প্রিন্ট করতে অর্ডার করেন তিনি। কাজ শেষে দোকানের কর্মচারী অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
২৪ মিনিট আগে
পরিবারের ভাষ্য, নাঈম প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। তবে রাতেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরদিন সকালে তাঁর মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া পান।
২৯ মিনিট আগে
মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে র্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে