ঢামেক প্রতিবেদক

রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে নিচে পড়ে উত্তরায় দুজন এবং বাড্ডা আফতাবনগরে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন দুজন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উত্তরায় এবং বেলা আড়াইটার দিকে বাড্ডায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতরা হলেন—উত্তরায় মাসুম (৩২) ও অলিউল্লাহ (২০) এবং বাড্ডায় নাসির উদ্দিন (৪০)।
উত্তরা থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী মো. বেলাল হোসেন বলেন, উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের, ৪ নম্বর রোডে নির্মাণাধীন ১৪ তলা ভবনের ৯ম তলায় মাচান বেঁধে কাজ করছিলেন মাসুম, অলিউল্লাহ ও ইয়াকুব। মাচানটির রশি ছিঁড়ে তাঁরা তিনজনই পড়ে যান। তিনজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে অলিউল্লাহকে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য মাসুম এবং ইয়াকুবকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাসুম। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন ইয়াকুব। তাঁদের ৩ জনের বাড়িই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায়। বর্তমানে ওই ভবনেই থাকতেন এবং সেখানে কাজ করতেন।
অন্যদিকে বাড্ডা থেকে নাসিরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী ও বড় ভাই আবু বক্কর বলেন, আফতাবনগর লোহার ব্রিজ এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন এবং সেখানেই থাকেন তাঁরা। ৮ম তলায় মাচান বেঁধে কাজ করছিলেন নাসির উদ্দিন ও জাহিদ নামে দুই শ্রমিক। মাচানের রশি ছিঁড়ে তারা দুজনই পড়ে যান। পরে দুজনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক নাসিরকে মৃত ঘোষণা করেন। ভর্তি রয়েছেন জাহিদ। তাঁদের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জ উপজেলায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, নিহত মাসুম ও নাসিরুদ্দিনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আহত ইয়াকুব ও জাহিদ জরুরি বিভাগে ভর্তি রয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট স্ব স্ব থানায় জানানো হয়েছে।

রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে নিচে পড়ে উত্তরায় দুজন এবং বাড্ডা আফতাবনগরে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন দুজন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উত্তরায় এবং বেলা আড়াইটার দিকে বাড্ডায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতরা হলেন—উত্তরায় মাসুম (৩২) ও অলিউল্লাহ (২০) এবং বাড্ডায় নাসির উদ্দিন (৪০)।
উত্তরা থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী মো. বেলাল হোসেন বলেন, উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের, ৪ নম্বর রোডে নির্মাণাধীন ১৪ তলা ভবনের ৯ম তলায় মাচান বেঁধে কাজ করছিলেন মাসুম, অলিউল্লাহ ও ইয়াকুব। মাচানটির রশি ছিঁড়ে তাঁরা তিনজনই পড়ে যান। তিনজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে অলিউল্লাহকে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য মাসুম এবং ইয়াকুবকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাসুম। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন ইয়াকুব। তাঁদের ৩ জনের বাড়িই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায়। বর্তমানে ওই ভবনেই থাকতেন এবং সেখানে কাজ করতেন।
অন্যদিকে বাড্ডা থেকে নাসিরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী ও বড় ভাই আবু বক্কর বলেন, আফতাবনগর লোহার ব্রিজ এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন এবং সেখানেই থাকেন তাঁরা। ৮ম তলায় মাচান বেঁধে কাজ করছিলেন নাসির উদ্দিন ও জাহিদ নামে দুই শ্রমিক। মাচানের রশি ছিঁড়ে তারা দুজনই পড়ে যান। পরে দুজনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক নাসিরকে মৃত ঘোষণা করেন। ভর্তি রয়েছেন জাহিদ। তাঁদের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জ উপজেলায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, নিহত মাসুম ও নাসিরুদ্দিনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আহত ইয়াকুব ও জাহিদ জরুরি বিভাগে ভর্তি রয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট স্ব স্ব থানায় জানানো হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে