নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ একটি সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক দিন। ২০০৩ সাল থেকে ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যা প্রতিরোধের দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও এ দিবস পালিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আত্মহত্যা প্রবণতার ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দশম। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করো’।
দীর্ঘদিন ধরেই তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর কাজ করে আসছে। বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি আজ শনিবার রাজধানীর শ্যামলীর ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের অর্কিড সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনের বিষয় ‘আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা, মাদকনির্ভরশীল ব্যক্তি এবং আত্মহত্যার উচ্চ ঝুঁকি’।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের কাউন্সিলর মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস মজুমদার তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার পাশাপাশি বর্তমান সমাজের আলোচিত বিষয় আত্মহত্যা প্রতিরোধেও কাজ করে যাচ্ছে। সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ২০২১ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আসা সেবা গ্রহণকারী নারীদের তথ্য সংগ্রহের কাজ করেছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেবা গ্রহণকারী নারীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ৩২২ জন সেবা গ্রহণকারী নারীদের মধ্যে ১৭৭ জনের আত্মহত্যার ভাবনা ছিল। ৯৮ জন কখনো না কখনো আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এবং ৫ জন চিকিৎসা নেওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার মাধ্যমে তাদের জীবনের পরিসমাপ্তি টেনেছে। ১৭৭ জন আত্মহত্যা প্রবণ রোগীদের মধ্যে ১২২ জন মাদকাসক্ত ছিল। তাদের মধ্যে ১৬৩ জনের বয়স ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে এবং ৭৪ জন আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির কমপক্ষে একজনের মানসিক রোগ ছিল।
সংবাদ সম্মেলনের মূল আলোচক কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি চিকিৎসাকেন্দ্রের মনোচিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রাহেনুল ইসলাম আত্মহত্যা কারণগুলোর মধ্যে মাদকাসক্তি, ডিসফাংশনাল ফ্যামিলি এবং মোবাইল আসক্তির ওপর খুব গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, আত্মহত্যা প্রতিরোধে প্রথম পদক্ষেপ পরিবার থেকে শুরু করতে হবে, পরিবারের সদস্যদের মতপ্রকাশের অধিকার, একে অন্যের প্রতি সম্মান এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি খুব গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরাও যে আত্মহত্যার ঝুঁকির বাইরে নয়—এ তথ্যটিও তিনি উপস্থাপন করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলী তাঁর বক্তব্যে বলেন, আত্মহত্যা কখনোই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, এর জন্য পূর্বঘটিত অনেক কারণ জড়িত। সামাজিক মাধ্যমগুলোকে এ বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সোচ্চার ভূমিকা রাখতে হবে।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য এবং ওয়শ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ বলেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধ একটি জনস্বাস্থ্য অগ্রাধিকার এবং আত্মহত্যার মৃত্যুর হার কমানো নিশ্চিত করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে আহ্ছানিয়া মিশনের মাদকাসক্তি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে বিভিন্ন কর্মসূচি উদ্যাপন করছে।

‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ একটি সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক দিন। ২০০৩ সাল থেকে ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যা প্রতিরোধের দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও এ দিবস পালিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আত্মহত্যা প্রবণতার ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দশম। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করো’।
দীর্ঘদিন ধরেই তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর কাজ করে আসছে। বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি আজ শনিবার রাজধানীর শ্যামলীর ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের অর্কিড সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনের বিষয় ‘আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা, মাদকনির্ভরশীল ব্যক্তি এবং আত্মহত্যার উচ্চ ঝুঁকি’।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের কাউন্সিলর মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস মজুমদার তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার পাশাপাশি বর্তমান সমাজের আলোচিত বিষয় আত্মহত্যা প্রতিরোধেও কাজ করে যাচ্ছে। সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ২০২১ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আসা সেবা গ্রহণকারী নারীদের তথ্য সংগ্রহের কাজ করেছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেবা গ্রহণকারী নারীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ৩২২ জন সেবা গ্রহণকারী নারীদের মধ্যে ১৭৭ জনের আত্মহত্যার ভাবনা ছিল। ৯৮ জন কখনো না কখনো আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এবং ৫ জন চিকিৎসা নেওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার মাধ্যমে তাদের জীবনের পরিসমাপ্তি টেনেছে। ১৭৭ জন আত্মহত্যা প্রবণ রোগীদের মধ্যে ১২২ জন মাদকাসক্ত ছিল। তাদের মধ্যে ১৬৩ জনের বয়স ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে এবং ৭৪ জন আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির কমপক্ষে একজনের মানসিক রোগ ছিল।
সংবাদ সম্মেলনের মূল আলোচক কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি চিকিৎসাকেন্দ্রের মনোচিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রাহেনুল ইসলাম আত্মহত্যা কারণগুলোর মধ্যে মাদকাসক্তি, ডিসফাংশনাল ফ্যামিলি এবং মোবাইল আসক্তির ওপর খুব গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, আত্মহত্যা প্রতিরোধে প্রথম পদক্ষেপ পরিবার থেকে শুরু করতে হবে, পরিবারের সদস্যদের মতপ্রকাশের অধিকার, একে অন্যের প্রতি সম্মান এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি খুব গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরাও যে আত্মহত্যার ঝুঁকির বাইরে নয়—এ তথ্যটিও তিনি উপস্থাপন করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলী তাঁর বক্তব্যে বলেন, আত্মহত্যা কখনোই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, এর জন্য পূর্বঘটিত অনেক কারণ জড়িত। সামাজিক মাধ্যমগুলোকে এ বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সোচ্চার ভূমিকা রাখতে হবে।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য এবং ওয়শ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ বলেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধ একটি জনস্বাস্থ্য অগ্রাধিকার এবং আত্মহত্যার মৃত্যুর হার কমানো নিশ্চিত করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে আহ্ছানিয়া মিশনের মাদকাসক্তি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে বিভিন্ন কর্মসূচি উদ্যাপন করছে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের নির্বাচন আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
৪০ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৮ ঘণ্টা আগে