নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

করোনা মহামারির কারণে বন্ধ থাকা নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর ক্ষেত্রে করোনাকালীন সময় বিবেচনায় ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাকডেটে আবেদন করার সুযোগ দিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ সময়কে অপর্যাপ্ত উল্লেখ করে ব্যাকডেটে আবেদন করার সুযোগ আরও দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৩ পর্যন্ত করার দাবি জানিয়েছে চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, করোনা মহামারিতে আমরা চাকরি প্রার্থীরা প্রায় ২ বছর কোনো বিজ্ঞপ্তি পায়নি এবং নিয়োগ পরীক্ষাও হয়নি। লকডাউন উঠিয়ে দেওয়ার পর থেকে প্রতি সপ্তাহে ২০-৩০টি পরীক্ষা একই সময়ে ও একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া ব্যাকডেটে আমরা মাত্র ১৩ শতাংশ বিজ্ঞপ্তি পেয়েছি। যার মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সার্কুলার ছিল ৮-৯টি আর বাকি সবই ছিল তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বিজ্ঞপ্তি। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রথমে ৫ মাসের একটি ব্যাকডেট দিলেও তখন কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি বললেই চলে। তার পরবর্তী ১২ মাস আর কোনো ব্যাকডেট বা বয়স ছাড় দেওয়া হয়নি। কারণ, করোনার কারণে সবকিছু স্থবির হয়ে পড়েছিল এমনকি সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোও বন্ধ ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ১৯ আগস্ট ২০২১ তারিখে যখন ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক সরকারি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়স ছাড়/ব্যাকডেট প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো তখন আর মাত্র ৪ মাস অবশিষ্ট ছিল। এর মধ্যে যাদের বয়স শেষ হয় তারা ব্যাকডেটের সুবিধার আওতার বাইরে থেকে যায়। করোনার শুরুতে যাদের বয়স ২৮ বা ২৯ ছিল তখন তাদের বয়স ৩০ বা ৩০ এর অধিক। ফলে চাকরি প্রার্থীরা বাস্তবিক অর্থে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ৩০ বছরের পরিবর্তে ২৮ বছর পাচ্ছে অর্থাৎ নিজের যোগ্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে ২ বছর কম পাচ্ছে যা সাংবিধানিক অধিকার পরিপন্থী।
এ অবস্থায় বিসিএস এবং ব্যাংকসহ বয়স ছাড়/ব্যাকডেটের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, মহামারি করোনার কারণে আমরা বেকার ছাত্র সমাজ শারীরিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। বয়স ছাড়ের এ সুবিধা ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হলে আমরা ক্যারিয়ারের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে সক্ষম হব।
চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সারোয়ার আলম উদয়, মৌরিশি মুন, আব্দুর রহমান তুষার, সায়মা ইসলাম, আমিনুর রহমান, সোলায়মান হোসেন, হাফিজুর রহমান, নাইমুন নাহার, ওবায়দুর জয়, জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

করোনা মহামারির কারণে বন্ধ থাকা নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর ক্ষেত্রে করোনাকালীন সময় বিবেচনায় ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাকডেটে আবেদন করার সুযোগ দিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ সময়কে অপর্যাপ্ত উল্লেখ করে ব্যাকডেটে আবেদন করার সুযোগ আরও দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৩ পর্যন্ত করার দাবি জানিয়েছে চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, করোনা মহামারিতে আমরা চাকরি প্রার্থীরা প্রায় ২ বছর কোনো বিজ্ঞপ্তি পায়নি এবং নিয়োগ পরীক্ষাও হয়নি। লকডাউন উঠিয়ে দেওয়ার পর থেকে প্রতি সপ্তাহে ২০-৩০টি পরীক্ষা একই সময়ে ও একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া ব্যাকডেটে আমরা মাত্র ১৩ শতাংশ বিজ্ঞপ্তি পেয়েছি। যার মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সার্কুলার ছিল ৮-৯টি আর বাকি সবই ছিল তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বিজ্ঞপ্তি। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রথমে ৫ মাসের একটি ব্যাকডেট দিলেও তখন কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি বললেই চলে। তার পরবর্তী ১২ মাস আর কোনো ব্যাকডেট বা বয়স ছাড় দেওয়া হয়নি। কারণ, করোনার কারণে সবকিছু স্থবির হয়ে পড়েছিল এমনকি সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোও বন্ধ ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ১৯ আগস্ট ২০২১ তারিখে যখন ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক সরকারি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়স ছাড়/ব্যাকডেট প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো তখন আর মাত্র ৪ মাস অবশিষ্ট ছিল। এর মধ্যে যাদের বয়স শেষ হয় তারা ব্যাকডেটের সুবিধার আওতার বাইরে থেকে যায়। করোনার শুরুতে যাদের বয়স ২৮ বা ২৯ ছিল তখন তাদের বয়স ৩০ বা ৩০ এর অধিক। ফলে চাকরি প্রার্থীরা বাস্তবিক অর্থে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ৩০ বছরের পরিবর্তে ২৮ বছর পাচ্ছে অর্থাৎ নিজের যোগ্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে ২ বছর কম পাচ্ছে যা সাংবিধানিক অধিকার পরিপন্থী।
এ অবস্থায় বিসিএস এবং ব্যাংকসহ বয়স ছাড়/ব্যাকডেটের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, মহামারি করোনার কারণে আমরা বেকার ছাত্র সমাজ শারীরিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। বয়স ছাড়ের এ সুবিধা ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হলে আমরা ক্যারিয়ারের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে সক্ষম হব।
চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সারোয়ার আলম উদয়, মৌরিশি মুন, আব্দুর রহমান তুষার, সায়মা ইসলাম, আমিনুর রহমান, সোলায়মান হোসেন, হাফিজুর রহমান, নাইমুন নাহার, ওবায়দুর জয়, জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে