ঢাবি সংবাদদাতা

দেশে ধর্ষণ ও নারী নিপীড়ন বন্ধের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ধর্ষকদের বিচার নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রীরা প্রতিবাদ মিছিল এবং বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তাঁরা।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরমুখী সড়কে প্রতিবাদ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ‘ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড, কার্যকর করতে হবে’ সহ নানা স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী কুবরাতুল আন কানিজ বলেন, ‘একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে আমরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছি। তারপর আমরা কী দেখতে পেয়েছি? আজ ঘরে বাইরে কোথাও নারীদের নিরাপত্তা নেই। শহীদ মিনারে ফুল বিক্রি করতে গিয়ে চার বছরের শিশু পর্যন্ত ধর্ষণ হয়। চলন্ত বাসে নারীরা নিপীড়নের শিকার হয়। অথচ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কোনো পদক্ষেপ নেয় না। আমি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, চাচা রাজু ভাস্কর্যে এত মানুষ কেন, আর নারীদের নিরাপত্তা কোথায়?’
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আশরেফা খাতুন বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের এতদিন পর এসে নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে লজ্জা লাগে। আমাদের অভ্যুত্থান রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি কাঠামোর পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ছিল। কেবল রাজনৈতিক কাঠামোতে পরিবর্তন এসেছে, সামগ্রিক কাঠামোর পরিবর্তন হয়নি। গত ৭২ ঘণ্টায় যে পরিমাণ ধর্ষণের কথা শুনেছি, তাতে মনে হয় এ সরকার আসলে কোনো কাজই করে না।’
আশরেফা খাতুন আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র কাঠামোয় বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আসেনি। দুখঃজনক বিষয় হচ্ছে আমরা বারবার সরকারকে এগুলো মনে করিয়ে দেওয়ার পরও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। আমরা চাই আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্র আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করবে।’
দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী অদিতি ইসলাম বলেন, ‘দেশে নারীদের নিরাপত্তা নেই। দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। নতুন বাংলাদেশে আমরা এমনটাই কি আশা করেছি? উপদেষ্টারা সবাই ঘুমাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।’

দেশে ধর্ষণ ও নারী নিপীড়ন বন্ধের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ধর্ষকদের বিচার নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রীরা প্রতিবাদ মিছিল এবং বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তাঁরা।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরমুখী সড়কে প্রতিবাদ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ‘ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড, কার্যকর করতে হবে’ সহ নানা স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী কুবরাতুল আন কানিজ বলেন, ‘একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে আমরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছি। তারপর আমরা কী দেখতে পেয়েছি? আজ ঘরে বাইরে কোথাও নারীদের নিরাপত্তা নেই। শহীদ মিনারে ফুল বিক্রি করতে গিয়ে চার বছরের শিশু পর্যন্ত ধর্ষণ হয়। চলন্ত বাসে নারীরা নিপীড়নের শিকার হয়। অথচ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কোনো পদক্ষেপ নেয় না। আমি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, চাচা রাজু ভাস্কর্যে এত মানুষ কেন, আর নারীদের নিরাপত্তা কোথায়?’
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আশরেফা খাতুন বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের এতদিন পর এসে নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে লজ্জা লাগে। আমাদের অভ্যুত্থান রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি কাঠামোর পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ছিল। কেবল রাজনৈতিক কাঠামোতে পরিবর্তন এসেছে, সামগ্রিক কাঠামোর পরিবর্তন হয়নি। গত ৭২ ঘণ্টায় যে পরিমাণ ধর্ষণের কথা শুনেছি, তাতে মনে হয় এ সরকার আসলে কোনো কাজই করে না।’
আশরেফা খাতুন আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র কাঠামোয় বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আসেনি। দুখঃজনক বিষয় হচ্ছে আমরা বারবার সরকারকে এগুলো মনে করিয়ে দেওয়ার পরও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। আমরা চাই আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্র আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করবে।’
দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী অদিতি ইসলাম বলেন, ‘দেশে নারীদের নিরাপত্তা নেই। দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। নতুন বাংলাদেশে আমরা এমনটাই কি আশা করেছি? উপদেষ্টারা সবাই ঘুমাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে