নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোটের দিন ঘনিয়ে আসছে। সব প্যানেলের প্রচার কার্যক্রম এখন তুঙ্গে। প্রচারের পাশাপাশি পর্দার আড়ালে সমঝোতাও চলছে প্রার্থীদের মধ্যে। যার ফল হিসেবে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদারকে সমর্থন জানিয়ে নিজেই ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের জিএস প্রার্থী মাহিন সরকার।
গতকাল দুপুর ১২টায় মধুর ক্যানটিনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে আবু বাকের মজুমদারকে সমর্থন জানান মাহিন। আবু বাকেরকে ভোট দিতে নিজের সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এই সমন্বয়ক বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে সমন্বিত রাখতেই তাঁর এমন সিদ্ধান্ত। আবু বাকের জিতলেই তিনি জিতে যাবেন।
এর আগে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে অন্য প্যানেল থেকে প্রার্থী হওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব থেকে বহিষ্কৃত হন মাহিন সরকার।
এদিকে মাহিন সরকারের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে সন্ধ্যা ৬টায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী জামালুদ্দীন মুহাম্মদ খালিদ। জামালুদ্দীন বলেন, ‘আমাদের প্যানেল কেউ কারও ওপর নির্ভরশীল না। প্যানেল করেছি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য।’ শক্তিশালী প্যানেল বলেই ষড়যন্ত্র হচ্ছে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, মাহিন সরকার ঘোষণা দিয়ে সরে দাঁড়ালেন এবং বলে গেলেন জুলাই শক্তিকে সমর্থন দেওয়ার জন্য একজনকে সমর্থন জানালেন, তাহলে আমরা কি জুলাই শক্তি না? মাহিন সরকার একটা ফ্রেমিং তৈরি করে গেলেন জুলাই চেতনা দিয়ে। জুলাইকে কেন্দ্র করে একটা সিমপ্যাথি ক্রিয়েট করেছেন তিনি। দুর্বৃত্তের যে রাজনীতি শুরু হয়েছে, তা থেকে মুক্ত থেকে আমার প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন। আমরা এর আগেও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, সামনেও লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বিলুপ্ত করতে সংগ্রাম চালিয়ে যাব।’
এদিকে বাগছাসের প্রার্থীদের পক্ষে এনসিপি নেতারা ফেসবুকে প্রচার চালাচ্ছেন জানিয়ে ছাত্রদল মনোনীত জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘যাহা জাতীয় নাগরিক পার্টি, তাহাই বাগছাস। নাগরিক পার্টির ফেসবুক পেজ দেখলেই প্রমাণ পাবেন। অথচ বাগছাস দাবি করে তাদের নাকি মাদার পার্টি নাই। আবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে থেকেও এই প্যানেলের প্রচারণা ফেসবুকে চালিয়ে যাচ্ছে একজন। শিক্ষার্থীরা এই প্রতারণার জবাব ব্যালটে দেবে বলে আমার বিশ্বাস।’
প্রচার এখন তুঙ্গে
ডাকসু নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আর মাত্র তিন দিন বাকি। তাই এখন প্রার্থীদের দম ফেলার ফুরসত নেই। গতকাল শুক্রবার ক্যাম্পাস ছুটি থাকায় জুমার নামাজ শেষে হলে হলে প্রচার করেছেন ছাত্রদল, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট, স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য, ডাকসু ফর চেঞ্জ, সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদসহ সব প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান মুহসীন হলে, জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম ক্যাপ্টেন জহুরুল হক হলে এবং এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ নিজের বিজয় একাত্তর হলে জুমার নামাজ আদায় করেন ও প্রচারণা চালান।
ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি পদপ্রার্থী আবু সাদিক কায়েম সূর্য সেন হলে, জিএস পদপ্রার্থী এস এম ফরহাদ জিয়া হলে এবং এজিএস পদপ্রার্থী মুহাম্মদ মহিউদ্দিন খান জহুরুল হক হলে জুমার নামাজ আদায় শেষে প্রচারণায় অংশ নেন। বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী আব্দুল কাদের মাস্টারদা সূর্য সেন হলে এবং জিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদার ফজলুল হক মুসলিম হলে জুমার নামাজ আদায় করার পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও গণসংযোগ করেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা রোকেয়া হলে প্রচারণা চালান।
ডাকসু নির্বাচনে জয় পেলে ১০০ দিনে কী করবেন, সে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ছাত্রদল মনোনীত জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম। শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে জুমার নামাজ আদায়ের পর তিনি এ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, শিক্ষকদের পড়ানোর মান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ‘শিক্ষক মূল্যায়ন’ পদ্ধতি, ‘ক্যারিয়ার গাইডেন্স সেন্টার’, নারী শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশের সময়সীমা রাত ১২টায় উন্নীত করাসহ হামিমের ১০০ দিনের পরিকল্পনায় ১৭টি বিষয় রয়েছে, যেগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোটের দিন ঘনিয়ে আসছে। সব প্যানেলের প্রচার কার্যক্রম এখন তুঙ্গে। প্রচারের পাশাপাশি পর্দার আড়ালে সমঝোতাও চলছে প্রার্থীদের মধ্যে। যার ফল হিসেবে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদারকে সমর্থন জানিয়ে নিজেই ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের জিএস প্রার্থী মাহিন সরকার।
গতকাল দুপুর ১২টায় মধুর ক্যানটিনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে আবু বাকের মজুমদারকে সমর্থন জানান মাহিন। আবু বাকেরকে ভোট দিতে নিজের সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এই সমন্বয়ক বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে সমন্বিত রাখতেই তাঁর এমন সিদ্ধান্ত। আবু বাকের জিতলেই তিনি জিতে যাবেন।
এর আগে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে অন্য প্যানেল থেকে প্রার্থী হওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব থেকে বহিষ্কৃত হন মাহিন সরকার।
এদিকে মাহিন সরকারের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে সন্ধ্যা ৬টায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী জামালুদ্দীন মুহাম্মদ খালিদ। জামালুদ্দীন বলেন, ‘আমাদের প্যানেল কেউ কারও ওপর নির্ভরশীল না। প্যানেল করেছি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য।’ শক্তিশালী প্যানেল বলেই ষড়যন্ত্র হচ্ছে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, মাহিন সরকার ঘোষণা দিয়ে সরে দাঁড়ালেন এবং বলে গেলেন জুলাই শক্তিকে সমর্থন দেওয়ার জন্য একজনকে সমর্থন জানালেন, তাহলে আমরা কি জুলাই শক্তি না? মাহিন সরকার একটা ফ্রেমিং তৈরি করে গেলেন জুলাই চেতনা দিয়ে। জুলাইকে কেন্দ্র করে একটা সিমপ্যাথি ক্রিয়েট করেছেন তিনি। দুর্বৃত্তের যে রাজনীতি শুরু হয়েছে, তা থেকে মুক্ত থেকে আমার প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন। আমরা এর আগেও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, সামনেও লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বিলুপ্ত করতে সংগ্রাম চালিয়ে যাব।’
এদিকে বাগছাসের প্রার্থীদের পক্ষে এনসিপি নেতারা ফেসবুকে প্রচার চালাচ্ছেন জানিয়ে ছাত্রদল মনোনীত জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘যাহা জাতীয় নাগরিক পার্টি, তাহাই বাগছাস। নাগরিক পার্টির ফেসবুক পেজ দেখলেই প্রমাণ পাবেন। অথচ বাগছাস দাবি করে তাদের নাকি মাদার পার্টি নাই। আবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে থেকেও এই প্যানেলের প্রচারণা ফেসবুকে চালিয়ে যাচ্ছে একজন। শিক্ষার্থীরা এই প্রতারণার জবাব ব্যালটে দেবে বলে আমার বিশ্বাস।’
প্রচার এখন তুঙ্গে
ডাকসু নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আর মাত্র তিন দিন বাকি। তাই এখন প্রার্থীদের দম ফেলার ফুরসত নেই। গতকাল শুক্রবার ক্যাম্পাস ছুটি থাকায় জুমার নামাজ শেষে হলে হলে প্রচার করেছেন ছাত্রদল, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট, স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য, ডাকসু ফর চেঞ্জ, সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদসহ সব প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান মুহসীন হলে, জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম ক্যাপ্টেন জহুরুল হক হলে এবং এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ নিজের বিজয় একাত্তর হলে জুমার নামাজ আদায় করেন ও প্রচারণা চালান।
ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি পদপ্রার্থী আবু সাদিক কায়েম সূর্য সেন হলে, জিএস পদপ্রার্থী এস এম ফরহাদ জিয়া হলে এবং এজিএস পদপ্রার্থী মুহাম্মদ মহিউদ্দিন খান জহুরুল হক হলে জুমার নামাজ আদায় শেষে প্রচারণায় অংশ নেন। বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী আব্দুল কাদের মাস্টারদা সূর্য সেন হলে এবং জিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদার ফজলুল হক মুসলিম হলে জুমার নামাজ আদায় করার পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও গণসংযোগ করেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা রোকেয়া হলে প্রচারণা চালান।
ডাকসু নির্বাচনে জয় পেলে ১০০ দিনে কী করবেন, সে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ছাত্রদল মনোনীত জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম। শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে জুমার নামাজ আদায়ের পর তিনি এ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, শিক্ষকদের পড়ানোর মান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ‘শিক্ষক মূল্যায়ন’ পদ্ধতি, ‘ক্যারিয়ার গাইডেন্স সেন্টার’, নারী শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশের সময়সীমা রাত ১২টায় উন্নীত করাসহ হামিমের ১০০ দিনের পরিকল্পনায় ১৭টি বিষয় রয়েছে, যেগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৩ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১৯ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩২ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩৮ মিনিট আগে