কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ) ফটকে দায়িত্বরত কারারক্ষীদের ওপর বন্দীদের স্বজনেরা হামলা চালিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত কারারক্ষী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় রাতেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী প্রধান কারারক্ষী সৈয়দ আনিসুর রহমান বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় সরকারি সম্পদ নষ্টসহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কারা নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন রাজধানীর পল্লবীর বাসিন্দা সজীব রানা, মিরপুরের বাসিন্দা মো. রুহুল আমিন ও জামালপুরের সরিষাবাড়ীর বাসিন্দা মো. রঞ্জু।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, কারারক্ষীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, গতকাল সকাল থেকে জামিন পাওয়া বন্দীদের রিসিভ করতে কারা ফটকের সামনে তাঁদের কয়েক শ স্বজন উপস্থিত হন। তাঁরা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসেন। অনেক বন্দী মুক্তি পেলেও ক্ষুব্ধ স্বজনদের বন্দীদের মুক্তি পেতে দেরি হচ্ছিল। সকাল থেকে অপেক্ষা করেও জামিন পাওয়া বন্দীর দেখা না পেয়ে ক্ষুব্ধ ২০-২৫ স্বজন প্রধান ফটক দিয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। এ সময় কারারক্ষীদের সঙ্গে প্রথমে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত কারারক্ষী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জামিন পাওয়া বন্দীদের মুক্তির সময় নানাভাবে তাঁদের হয়রানি করা হয়। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিসি প্রসিকিউশনের ছাড়পত্রের নামে সময়ক্ষেপণ করা হয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল।
এ বিষয়ে জানতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার এ কে এম মাসুম আহমেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ) ফটকে দায়িত্বরত কারারক্ষীদের ওপর বন্দীদের স্বজনেরা হামলা চালিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত কারারক্ষী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় রাতেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী প্রধান কারারক্ষী সৈয়দ আনিসুর রহমান বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় সরকারি সম্পদ নষ্টসহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কারা নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন রাজধানীর পল্লবীর বাসিন্দা সজীব রানা, মিরপুরের বাসিন্দা মো. রুহুল আমিন ও জামালপুরের সরিষাবাড়ীর বাসিন্দা মো. রঞ্জু।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, কারারক্ষীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, গতকাল সকাল থেকে জামিন পাওয়া বন্দীদের রিসিভ করতে কারা ফটকের সামনে তাঁদের কয়েক শ স্বজন উপস্থিত হন। তাঁরা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসেন। অনেক বন্দী মুক্তি পেলেও ক্ষুব্ধ স্বজনদের বন্দীদের মুক্তি পেতে দেরি হচ্ছিল। সকাল থেকে অপেক্ষা করেও জামিন পাওয়া বন্দীর দেখা না পেয়ে ক্ষুব্ধ ২০-২৫ স্বজন প্রধান ফটক দিয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। এ সময় কারারক্ষীদের সঙ্গে প্রথমে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত কারারক্ষী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জামিন পাওয়া বন্দীদের মুক্তির সময় নানাভাবে তাঁদের হয়রানি করা হয়। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিসি প্রসিকিউশনের ছাড়পত্রের নামে সময়ক্ষেপণ করা হয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল।
এ বিষয়ে জানতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার এ কে এম মাসুম আহমেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে