নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডিআরইউতে গোলটেবিল বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। আজ শুক্রবার শাহবাগ থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে শুনানির সময় অধ্যাপক কার্জন এ কথা বলেন।
সকাল সাড়ে ১০টায় কার্জনসহ ১৬ জনকে আদালতে তোলা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি মো. শামসুদ্দোহা সুমন প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে দাবি করে তাঁদের কারাগারে আটক রাখার যুক্তি তুলে ধরেন।

এ সময় অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আদালতের কাছে কিছু বলার জন্য অনুমতি চান। আদালত অনুমতি দিলে তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে মানবধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। সংবিধানের আর্টিকেল ৩৩ অনুসারে যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা, তা দেওয়া হয়নি। আমাদের আইনজীবী ঠিক করতে দেওয়া হয়নি। আমি একজন শিক্ষক। থানায় যেখানে রাখা হয়েছিল, সেখানে ফ্যান ছিল না, সাবান ছিল না। আমি সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। আমরা ভিকটিম। সারা পৃথিবীতে ভাইরাল হয়েছে এটা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যা বলেছেন, সব মিথ্যা। আমি এর প্রতিকার চাই। আমাদের যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চাই। আর এখনই জামিন দেবেন।’
সাবেক এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘গতকাল সকাল ১০টায় ডিআরইউতে যে প্রোগ্রাম ছিল, সেটার আহ্বায়ক জহিরুল হক পান্না (জেড আই খান পান্না)। তিনি সবার পরিচিত। আর ওই মঞ্চের সদস্যসচিব একজন বীর মুক্তিযুদ্ধো। ড. কামাল হোসেনের সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকার কথা ছিল। আমি সেখানে আলোচক হিসেবে ছিলাম। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান নিয়ে আলোচনা হয়। তখন একদল সন্ত্রাসী ঢুকে মব করে আমাদের তুলে দেয়। আমরা ভিকটিম। যারা অপরাধী, তাদের গ্রেপ্তার না করে আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত কার্জনসহ সবাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পরে চারজনকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে আদালত চত্বরে সংবিধান উঁচু করে ধরেন অধ্যাপক কার্জন। তিনি বলেন, ‘৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এই সংবিধান। এটা রক্ষা করতে হবে।’
অধ্যাপক কার্জনের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী বলেন, গ্রেপ্তারের পর লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে রাতে যেখানে রাখা হয়েছিল, সেখানে ফ্যান নেই। ধুলাবালি ছিল। তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। এটা সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন হয়েছে। আদালতকে এ কথা জানিয়েছেন কার্জন।

ডিআরইউতে গোলটেবিল বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। আজ শুক্রবার শাহবাগ থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে শুনানির সময় অধ্যাপক কার্জন এ কথা বলেন।
সকাল সাড়ে ১০টায় কার্জনসহ ১৬ জনকে আদালতে তোলা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি মো. শামসুদ্দোহা সুমন প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে দাবি করে তাঁদের কারাগারে আটক রাখার যুক্তি তুলে ধরেন।

এ সময় অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আদালতের কাছে কিছু বলার জন্য অনুমতি চান। আদালত অনুমতি দিলে তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে মানবধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। সংবিধানের আর্টিকেল ৩৩ অনুসারে যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা, তা দেওয়া হয়নি। আমাদের আইনজীবী ঠিক করতে দেওয়া হয়নি। আমি একজন শিক্ষক। থানায় যেখানে রাখা হয়েছিল, সেখানে ফ্যান ছিল না, সাবান ছিল না। আমি সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। আমরা ভিকটিম। সারা পৃথিবীতে ভাইরাল হয়েছে এটা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যা বলেছেন, সব মিথ্যা। আমি এর প্রতিকার চাই। আমাদের যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চাই। আর এখনই জামিন দেবেন।’
সাবেক এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘গতকাল সকাল ১০টায় ডিআরইউতে যে প্রোগ্রাম ছিল, সেটার আহ্বায়ক জহিরুল হক পান্না (জেড আই খান পান্না)। তিনি সবার পরিচিত। আর ওই মঞ্চের সদস্যসচিব একজন বীর মুক্তিযুদ্ধো। ড. কামাল হোসেনের সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকার কথা ছিল। আমি সেখানে আলোচক হিসেবে ছিলাম। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান নিয়ে আলোচনা হয়। তখন একদল সন্ত্রাসী ঢুকে মব করে আমাদের তুলে দেয়। আমরা ভিকটিম। যারা অপরাধী, তাদের গ্রেপ্তার না করে আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত কার্জনসহ সবাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পরে চারজনকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে আদালত চত্বরে সংবিধান উঁচু করে ধরেন অধ্যাপক কার্জন। তিনি বলেন, ‘৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এই সংবিধান। এটা রক্ষা করতে হবে।’
অধ্যাপক কার্জনের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী বলেন, গ্রেপ্তারের পর লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে রাতে যেখানে রাখা হয়েছিল, সেখানে ফ্যান নেই। ধুলাবালি ছিল। তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। এটা সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন হয়েছে। আদালতকে এ কথা জানিয়েছেন কার্জন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে