গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে বিএনপির গণমিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। দলটির দাবি, গণমিছিল থেকে নিরপরাধ ২০ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ বলছে, বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশকে বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
আজ শনিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজবাড়ী রোডের জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আসেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান।
সেলিমা রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে সুযোগ দিলেও বিএনপিকে বাধা দিচ্ছে পুলিশ। পুলিশ নির্ভর এ স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকার রাষ্ট্রের সব কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। উন্নয়নের নামে দুর্নীতি-লুটপাট করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করছে। দেশের জনগণের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আমাদের কোনো অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নেই।’
সরকার সন্ত্রাস ও লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করে জনগণকে প্রতিরোধের চেষ্টা করছে উল্লেখ করে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘যারা দিন আনে দিন খায় তাঁদের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছে। আমরা কারওর হাত রক্তে রঞ্জিত হতে দেব না। আমরা শান্তি চাই, জনগণের জীবনের নিরাপত্তা চাই। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা আবার ফিরিয়ে আনব।’

গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ রিয়াজুল হান্নান বলেন, ‘আমরা আমাদের কর্মসূচি পালনের জন্য জিএমপি কমিশনারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। তারপরও পুলিশ আমাদের অফিস ঘিরে রেখেছে, মিছিলে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। নিরপরাধ নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে।’
জিএমপির সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি নেতা-কর্মীদের সড়কে মিছিল করতে নিষেধ করা হলে তাঁরা পুলিশের ওপর হামলা করে। তাঁরা পুলিশকে বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। মিছিলকারীদের হামলায় সদর থানা-পুলিশের কনস্টেবল মিন্টু ও নায়েক মো. জহির উদ্দিন আহত হয়েছেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে সেখান থেকে ২০ জনকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
গণমিছিলে কেন্দ্রীয় নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, কাজী ছাইয়্যেদুল আলম বাবুল, ডা. মাজহারুল আলম, ফরিদা ইয়াসমিন, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহ রিয়াজুল হান্নানসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন—জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ড. ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী, মহানগর বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ড. সহীদ উজ্জামান, অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান এলিস, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান পেরা, শাহজাহান ফকির, আব্দুল মোতালেব, খালেকুজ্জামান বাবলু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান মোল্লা, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, গুলনাহার, শেখ ফরিদা জাহান স্বপ্না প্রমুখ।
এর আগে বিএনপির কর্মসূচিকে ঘিরে দুপুর থেকেই মহানগরীর বিভিন্ন প্রবেশ পথে অবস্থান নেয় পুলিশ। তাঁরা জল কামান, সাঁজোয়া যান নিয়ে সাইরেন বাজিয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে টহল দেয়।

গাজীপুরে বিএনপির গণমিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। দলটির দাবি, গণমিছিল থেকে নিরপরাধ ২০ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ বলছে, বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশকে বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
আজ শনিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজবাড়ী রোডের জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আসেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান।
সেলিমা রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে সুযোগ দিলেও বিএনপিকে বাধা দিচ্ছে পুলিশ। পুলিশ নির্ভর এ স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকার রাষ্ট্রের সব কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। উন্নয়নের নামে দুর্নীতি-লুটপাট করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করছে। দেশের জনগণের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আমাদের কোনো অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নেই।’
সরকার সন্ত্রাস ও লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করে জনগণকে প্রতিরোধের চেষ্টা করছে উল্লেখ করে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘যারা দিন আনে দিন খায় তাঁদের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছে। আমরা কারওর হাত রক্তে রঞ্জিত হতে দেব না। আমরা শান্তি চাই, জনগণের জীবনের নিরাপত্তা চাই। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা আবার ফিরিয়ে আনব।’

গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ রিয়াজুল হান্নান বলেন, ‘আমরা আমাদের কর্মসূচি পালনের জন্য জিএমপি কমিশনারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। তারপরও পুলিশ আমাদের অফিস ঘিরে রেখেছে, মিছিলে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। নিরপরাধ নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে।’
জিএমপির সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি নেতা-কর্মীদের সড়কে মিছিল করতে নিষেধ করা হলে তাঁরা পুলিশের ওপর হামলা করে। তাঁরা পুলিশকে বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। মিছিলকারীদের হামলায় সদর থানা-পুলিশের কনস্টেবল মিন্টু ও নায়েক মো. জহির উদ্দিন আহত হয়েছেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে সেখান থেকে ২০ জনকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
গণমিছিলে কেন্দ্রীয় নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, কাজী ছাইয়্যেদুল আলম বাবুল, ডা. মাজহারুল আলম, ফরিদা ইয়াসমিন, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহ রিয়াজুল হান্নানসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন—জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ড. ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী, মহানগর বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ড. সহীদ উজ্জামান, অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান এলিস, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান পেরা, শাহজাহান ফকির, আব্দুল মোতালেব, খালেকুজ্জামান বাবলু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান মোল্লা, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, গুলনাহার, শেখ ফরিদা জাহান স্বপ্না প্রমুখ।
এর আগে বিএনপির কর্মসূচিকে ঘিরে দুপুর থেকেই মহানগরীর বিভিন্ন প্রবেশ পথে অবস্থান নেয় পুলিশ। তাঁরা জল কামান, সাঁজোয়া যান নিয়ে সাইরেন বাজিয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে টহল দেয়।

টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২৫ মিনিট আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেনের মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল এবং ঋণখেলাপি থাকার অভিযোগে তাঁর আপিল নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর
১ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন।
২ ঘণ্টা আগে