নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদকের মামলায় ১০ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে জামিন দেননি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। তবে এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ১ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওই দিন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে। আজ সোমবার চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এই আদেশ দেন।
হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত ২২ মে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান। তবে অসুস্থতার কারণে ২৩ মে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর ২৪ মে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামিন আবেদন করেন হাজী সেলিম।
এর আগে ১০ বছরের কারাদণ্ড বহালের রায় হাইকোর্ট থেকে বিচারিক আদালতে পাঠানো হয় গত ২৫ এপ্রিল। যেখানে তাঁকে এক মাসের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। এদিকে তথ্য গোপনের অভিযোগে তিন বছরের সাজা থেকে হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের বিরুদ্ধে ১০ মে আপিল করেছে দুদক। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করা হয়।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালে হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং ৫৯ কোটি ৩৭ লাখ ২৬ হাজার ১৩২ টাকার তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করে দুদক। ওই মামলায় ২০০৮ সালে হাজী সেলিমকে দুদক আইনের দুটি ধারায় মোট ১৩ বছর কারাদণ্ড দেন বিশেষ জজ আদালত। ২০০৯ সালে হাজী সেলিম বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১১ সালে ওই সাজা বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় শুনানি করতে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। নির্দেশ অনুযায়ী ২০২০ সালের মামলাটি শুনানির জন্য উদ্যোগ নেয় দুদক।
পুনঃশুনানি শেষে গত বছরের ৯ মার্চ রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। রায়ে আংশিক আপিল মঞ্জুর করে ১০ বছর কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন আদালত। আর ৩ বছরের দণ্ড থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।
আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদকের মামলায় ১০ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে জামিন দেননি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। তবে এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ১ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওই দিন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে। আজ সোমবার চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এই আদেশ দেন।
হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত ২২ মে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান। তবে অসুস্থতার কারণে ২৩ মে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর ২৪ মে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামিন আবেদন করেন হাজী সেলিম।
এর আগে ১০ বছরের কারাদণ্ড বহালের রায় হাইকোর্ট থেকে বিচারিক আদালতে পাঠানো হয় গত ২৫ এপ্রিল। যেখানে তাঁকে এক মাসের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। এদিকে তথ্য গোপনের অভিযোগে তিন বছরের সাজা থেকে হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের বিরুদ্ধে ১০ মে আপিল করেছে দুদক। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করা হয়।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালে হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং ৫৯ কোটি ৩৭ লাখ ২৬ হাজার ১৩২ টাকার তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করে দুদক। ওই মামলায় ২০০৮ সালে হাজী সেলিমকে দুদক আইনের দুটি ধারায় মোট ১৩ বছর কারাদণ্ড দেন বিশেষ জজ আদালত। ২০০৯ সালে হাজী সেলিম বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১১ সালে ওই সাজা বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় শুনানি করতে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। নির্দেশ অনুযায়ী ২০২০ সালের মামলাটি শুনানির জন্য উদ্যোগ নেয় দুদক।
পুনঃশুনানি শেষে গত বছরের ৯ মার্চ রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। রায়ে আংশিক আপিল মঞ্জুর করে ১০ বছর কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন আদালত। আর ৩ বছরের দণ্ড থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।
আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
৬ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
৮ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১০ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
৪৪ মিনিট আগে