প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়, আইনি কাঠামোয় এনে এগুলোকে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ই-কমার্স গ্রাহকদের সংগঠন বাংলাদেশ ই-কমার্স কাস্টমার অ্যাসোসিয়েশন (বিইসিএ)। আজ শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে এক কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানানো হয়।
শুক্রবার বিকেল ৩টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে মানববন্ধন করে বিইসিএ। এ সময় সংগঠনটির পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১। কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়, আইনি কাঠামোয় এনে এগুলোকে ব্যবসা করার সুযোগ দিতে হবে।
২। কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিন-চার কার্যদিবসের মধ্যে গ্রাহকের পেমেন্ট করা টাকা ফেরত দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পেমেন্ট গেটওয়েগুলোকে ডিজিটাইজ করার বিকল্প নেই।
৩। বন্ধ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের টাকা গেটওয়েতে (গ্রাহক) দাবি জানালেই ফেরত দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ওই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনুমতির প্রয়োজন নেই।
৪। যদি কোনো কারণে ই-কমার্সের পেমেন্ট গেটওয়েগুলো গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ করে, অথবা সেবা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার দায়ভার যারা এর দায়িত্বে আছেন, সেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নিতে হবে।
৫। নতুন পুরোনোসহ সব ডিসকাউন্ট দেওয়া ই-কমার্স কোম্পানিগুলোর লাভ-লোকসানের হিসাব প্রতি মাসে নিরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। নিরীক্ষার খরচ চাইলে সরকার অথবা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকেই নিতে হবে।
৬। কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান যদি নতুন করে বিজনেস করতে আসে, সে ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক পরিধির ওপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে হবে। অথবা ডিসকাউন্ট ভ্যালুর সমপরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে হবে।
৭। এসক্রো পদ্ধতিকে অটোমেটিক ও ডিজিটাল করতে হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে। প্রয়োজনে এসক্রো সিস্টেমের ড্যাশবোর্ডে কাস্টমার, মার্চেন্ট, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট গেটওয়ে, ব্যাংক—সবার এক্সেস দিতে হবে।

কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়, আইনি কাঠামোয় এনে এগুলোকে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ই-কমার্স গ্রাহকদের সংগঠন বাংলাদেশ ই-কমার্স কাস্টমার অ্যাসোসিয়েশন (বিইসিএ)। আজ শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে এক কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানানো হয়।
শুক্রবার বিকেল ৩টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে মানববন্ধন করে বিইসিএ। এ সময় সংগঠনটির পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১। কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়, আইনি কাঠামোয় এনে এগুলোকে ব্যবসা করার সুযোগ দিতে হবে।
২। কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিন-চার কার্যদিবসের মধ্যে গ্রাহকের পেমেন্ট করা টাকা ফেরত দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পেমেন্ট গেটওয়েগুলোকে ডিজিটাইজ করার বিকল্প নেই।
৩। বন্ধ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের টাকা গেটওয়েতে (গ্রাহক) দাবি জানালেই ফেরত দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ওই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনুমতির প্রয়োজন নেই।
৪। যদি কোনো কারণে ই-কমার্সের পেমেন্ট গেটওয়েগুলো গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ করে, অথবা সেবা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার দায়ভার যারা এর দায়িত্বে আছেন, সেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নিতে হবে।
৫। নতুন পুরোনোসহ সব ডিসকাউন্ট দেওয়া ই-কমার্স কোম্পানিগুলোর লাভ-লোকসানের হিসাব প্রতি মাসে নিরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। নিরীক্ষার খরচ চাইলে সরকার অথবা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকেই নিতে হবে।
৬। কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান যদি নতুন করে বিজনেস করতে আসে, সে ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক পরিধির ওপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে হবে। অথবা ডিসকাউন্ট ভ্যালুর সমপরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে হবে।
৭। এসক্রো পদ্ধতিকে অটোমেটিক ও ডিজিটাল করতে হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে। প্রয়োজনে এসক্রো সিস্টেমের ড্যাশবোর্ডে কাস্টমার, মার্চেন্ট, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট গেটওয়ে, ব্যাংক—সবার এক্সেস দিতে হবে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৫ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৬ ঘণ্টা আগে