
পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে বাংলাদেশিদের ঈদ পুনর্মিলনী উদ্যাপিত হয়েছে। বাংলাদেশি কমিউনিটি পোল্যান্ডের উদ্যোগে পোল্যান্ডে রাজধানী ওয়ারশর অদূরে অবস্থিত হোটেল গ্ৰোমানের কনভেনশন হলে জাঁকজমকপূর্ণ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টায়। অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি পোল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
দীর্ঘদিন ধরেই পোল্যান্ডে বাংলাদেশিদের তেমন কোন আয়োজন হয় না, এর জন্য সাম্প্রতিক করোনা মহামারি জনিত বাধ্যবাধকতা অন্যতম কারণ। সরকারি নিষেধাজ্ঞা না থাকায় সব বয়সীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে মেতে উঠেছিল ঈদের আনন্দে। এ মিলনমেলা যেন প্রবাসে এক মিনি বাংলাদেশ। ঈদ উপলক্ষে সবাই বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেন। এমনকি প্রবাসীদের বিদেশি স্বামী এবং স্ত্রীরাও বাংলাদেশি পোশাকে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফজলে রাব্বী। অনুষ্ঠান শুরু হয় রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ এই গণসংগীত দিয়ে। এরপর তানিয়া আফরিনের কোরিওগ্ৰাফিতে নৃত্য পরিবেশন করেন ইশমাম এবং তানিয়া। সংগীত পরিবেশন করেন মাহদীসহ আরও অনেকে। উৎসবে নানা আয়োজনের মধ্যে ছিল মহিলাদের পিলো পাসিং খেলা, ছেলেদের ফুটবল পাসিং, বড়দের মোরগ লড়াই, বাচ্চাদের মিউজিক্যাল চেয়ার এবং ফান বক্স।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় দেশীয় খাবার দিয়ে। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মনিরুজ্জামান, মাহবুবুর রহমান, শরীফ আহম্মেদ এবং শেখ এরশাদুর রহমান। সবশেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী, অনুষ্ঠানে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং আয়োজকদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখে ড. মাহবুবুর রহমান এবং শেখ এরশাদুর রহমান।
অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজনে ছিলেন শরিফ আহমেদ, সিদ্দিকুর রহমান, তানিয়া আফরিন, হামিদুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদ, নাজমুল হাসান এবং শেখ এরশাদুর রহমান। অনুষ্ঠানে অর্থায়ন করেছে ২১ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান।

পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে বাংলাদেশিদের ঈদ পুনর্মিলনী উদ্যাপিত হয়েছে। বাংলাদেশি কমিউনিটি পোল্যান্ডের উদ্যোগে পোল্যান্ডে রাজধানী ওয়ারশর অদূরে অবস্থিত হোটেল গ্ৰোমানের কনভেনশন হলে জাঁকজমকপূর্ণ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টায়। অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি পোল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
দীর্ঘদিন ধরেই পোল্যান্ডে বাংলাদেশিদের তেমন কোন আয়োজন হয় না, এর জন্য সাম্প্রতিক করোনা মহামারি জনিত বাধ্যবাধকতা অন্যতম কারণ। সরকারি নিষেধাজ্ঞা না থাকায় সব বয়সীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে মেতে উঠেছিল ঈদের আনন্দে। এ মিলনমেলা যেন প্রবাসে এক মিনি বাংলাদেশ। ঈদ উপলক্ষে সবাই বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেন। এমনকি প্রবাসীদের বিদেশি স্বামী এবং স্ত্রীরাও বাংলাদেশি পোশাকে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফজলে রাব্বী। অনুষ্ঠান শুরু হয় রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ এই গণসংগীত দিয়ে। এরপর তানিয়া আফরিনের কোরিওগ্ৰাফিতে নৃত্য পরিবেশন করেন ইশমাম এবং তানিয়া। সংগীত পরিবেশন করেন মাহদীসহ আরও অনেকে। উৎসবে নানা আয়োজনের মধ্যে ছিল মহিলাদের পিলো পাসিং খেলা, ছেলেদের ফুটবল পাসিং, বড়দের মোরগ লড়াই, বাচ্চাদের মিউজিক্যাল চেয়ার এবং ফান বক্স।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় দেশীয় খাবার দিয়ে। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মনিরুজ্জামান, মাহবুবুর রহমান, শরীফ আহম্মেদ এবং শেখ এরশাদুর রহমান। সবশেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী, অনুষ্ঠানে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং আয়োজকদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখে ড. মাহবুবুর রহমান এবং শেখ এরশাদুর রহমান।
অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজনে ছিলেন শরিফ আহমেদ, সিদ্দিকুর রহমান, তানিয়া আফরিন, হামিদুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদ, নাজমুল হাসান এবং শেখ এরশাদুর রহমান। অনুষ্ঠানে অর্থায়ন করেছে ২১ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
২ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
২ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে