নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সেবা সংস্থাগুলোর বার্ষিক কর্ম সম্পাদনের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে ঢাকা ওয়াসা। বার্ষিক কর্ম সম্পাদনের ১০০ নম্বরের মধ্যে ওয়াসার অর্জন ৯৮ দশমিক ২৭ নম্বর।
আজ শনিবার বেলা ১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ওয়াসা ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান।
ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান বলেন, `ঢাকা ওয়াসা সরকারি কর্ম সম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০টি দপ্তর, সংস্থা, সিটি করপোরেশনের মধ্যে প্রথম স্থান লাভ করেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির প্রতিবেদন ও প্রমাণসহ মূল্যায়নে ১০০ নম্বরের বিপরীতে ঢাকা ওয়াসা ৯৮ দশমিক ২৭ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে। গত অর্থবছরে ঢাকা ওয়াসা তৃতীয় স্থান লাভ করেছিল এবং তার আগের বছর আমরা প্রথম হয়েছিলাম। এই মূল্যায়ন ঢাকা ওয়াসার সার্বিক কাজের অগ্রগতির একটি বড় সূচক।'
ওয়াসার এমডি বলেন, `কার্যক্রম ঢাকা ওয়াসার সেবা কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সহায়ক হচ্ছে। এই নগরীর একটি মানুষও যেন পানি সেবার বাইরে না থাকে, এ আমাদের অঙ্গীকার।'
রাজধানীতে পানির সমস্যা নেই জানিয়ে তাকসিম এ খান বলেন, `ঢাকা শহরে পানির সমস্যা কোথাও নেই। কিছু জায়গায় কারিগরি সমস্যা বা পকেট সমস্যা রয়েছে। সেগুলো সমাধানে আমরা প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি।'
ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন না করে নদীর পানিকে পরিশোধন করে ব্যবহারের উপযোগী করতে কাজ করছে ঢাকা ওয়াসা। বর্তমানে ৩৪ শতাংশ পানি আসছে নদী থেকে, যা ৭০ শতাংশে নিয়ে যেতে চায় ঢাকা ওয়াসা। এমন তথ্য জানিয়ে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, `এখন পর্যন্ত ৩৪ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ পানি ও ৬৬ শতাংশ ভূগর্ভস্থ পানি দিচ্ছি। আমাদের দুটি প্রকল্প চলমান আছে। সেগুলো শেষ হলে আমাদের যে লক্ষ্য, ৭০ ভাগ ভূ-উপরিস্থ পানি সরবরাহ করা। সে লক্ষ্য আমরা অর্জন করতে পারব।'
ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, কোভিডের সময় যখন সব দিকে লকডাউন ছিল, তখনো কিন্তু এক দিনের জন্যও ওয়াসার পানি সরবরাহ বন্ধ ছিল না।
ঢাকা শহরে পানি সরবরাহের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি নতুন করে সাজাচ্ছে ওয়াসা। ডিস্ট্রিক্ট মিটার এরিয়া বা ডিএমএ নামে একটি নেটওয়ার্ক পদ্ধতি শুরু করেছে ওয়াসা। সে কাজের অর্ধেক এরই মধ্যে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকৌশলী তাকসিম এ খান।
তিনি বলেন, `পানির ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক আমরা হাতে নিয়েছি। এটা অনেক বড় কাজ। ঢাকার শহরের পানি সরবরাহের পুরো পদ্ধতি পরিবর্তন করে ডিএমএ প্রকল্প হাতে নিয়েছি। বিশ্বের অনেক দেশ এত বড় কাজ হাতে নিতে চায়নি। আমরা বেশ খানিকটা নাগরিক সমস্যা সমাধান করছি। ১৪৪টি ডিএমএ নেটওয়ার্কে মধ্যে ৭১টি ডিএমএ প্রস্তুত করতে পেরেছি। এই নেটওয়ার্ক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চলবে। এর মাধ্যমে ঢাকা শহরের পানি সরবরাহের সমস্যা অনেকাংশে সহজতর হবে।
সিস্টেম লসের বিষয়ে তিনি বলেন, সিস্টেম লস দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ৩৫ শতাংশ। কোনো কোনো দেশে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। আমাদের যাত্রার সময় ৩৫ শতাংশ ছিল। ডিএমএ করার পর ৫ শতাংশ, ৬ শতাংশ এমনকি কোথাও ১ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ২৫ শতাংশটা সন্তোষজনক। তবে আমরা অনেক আগেই এর নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশে সিঙ্গে ডিজিটে সিস্টেম লস নেই। আমাদের সম্পূর্ণ ডিএমএ হলে পানির কোনো সমস্যা থাকার কথা না। কোয়ালিটি নিশ্চিত হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সেবা সংস্থাগুলোর বার্ষিক কর্ম সম্পাদনের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে ঢাকা ওয়াসা। বার্ষিক কর্ম সম্পাদনের ১০০ নম্বরের মধ্যে ওয়াসার অর্জন ৯৮ দশমিক ২৭ নম্বর।
আজ শনিবার বেলা ১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ওয়াসা ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান।
ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান বলেন, `ঢাকা ওয়াসা সরকারি কর্ম সম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০টি দপ্তর, সংস্থা, সিটি করপোরেশনের মধ্যে প্রথম স্থান লাভ করেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির প্রতিবেদন ও প্রমাণসহ মূল্যায়নে ১০০ নম্বরের বিপরীতে ঢাকা ওয়াসা ৯৮ দশমিক ২৭ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে। গত অর্থবছরে ঢাকা ওয়াসা তৃতীয় স্থান লাভ করেছিল এবং তার আগের বছর আমরা প্রথম হয়েছিলাম। এই মূল্যায়ন ঢাকা ওয়াসার সার্বিক কাজের অগ্রগতির একটি বড় সূচক।'
ওয়াসার এমডি বলেন, `কার্যক্রম ঢাকা ওয়াসার সেবা কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সহায়ক হচ্ছে। এই নগরীর একটি মানুষও যেন পানি সেবার বাইরে না থাকে, এ আমাদের অঙ্গীকার।'
রাজধানীতে পানির সমস্যা নেই জানিয়ে তাকসিম এ খান বলেন, `ঢাকা শহরে পানির সমস্যা কোথাও নেই। কিছু জায়গায় কারিগরি সমস্যা বা পকেট সমস্যা রয়েছে। সেগুলো সমাধানে আমরা প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি।'
ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন না করে নদীর পানিকে পরিশোধন করে ব্যবহারের উপযোগী করতে কাজ করছে ঢাকা ওয়াসা। বর্তমানে ৩৪ শতাংশ পানি আসছে নদী থেকে, যা ৭০ শতাংশে নিয়ে যেতে চায় ঢাকা ওয়াসা। এমন তথ্য জানিয়ে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, `এখন পর্যন্ত ৩৪ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ পানি ও ৬৬ শতাংশ ভূগর্ভস্থ পানি দিচ্ছি। আমাদের দুটি প্রকল্প চলমান আছে। সেগুলো শেষ হলে আমাদের যে লক্ষ্য, ৭০ ভাগ ভূ-উপরিস্থ পানি সরবরাহ করা। সে লক্ষ্য আমরা অর্জন করতে পারব।'
ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, কোভিডের সময় যখন সব দিকে লকডাউন ছিল, তখনো কিন্তু এক দিনের জন্যও ওয়াসার পানি সরবরাহ বন্ধ ছিল না।
ঢাকা শহরে পানি সরবরাহের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি নতুন করে সাজাচ্ছে ওয়াসা। ডিস্ট্রিক্ট মিটার এরিয়া বা ডিএমএ নামে একটি নেটওয়ার্ক পদ্ধতি শুরু করেছে ওয়াসা। সে কাজের অর্ধেক এরই মধ্যে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকৌশলী তাকসিম এ খান।
তিনি বলেন, `পানির ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক আমরা হাতে নিয়েছি। এটা অনেক বড় কাজ। ঢাকার শহরের পানি সরবরাহের পুরো পদ্ধতি পরিবর্তন করে ডিএমএ প্রকল্প হাতে নিয়েছি। বিশ্বের অনেক দেশ এত বড় কাজ হাতে নিতে চায়নি। আমরা বেশ খানিকটা নাগরিক সমস্যা সমাধান করছি। ১৪৪টি ডিএমএ নেটওয়ার্কে মধ্যে ৭১টি ডিএমএ প্রস্তুত করতে পেরেছি। এই নেটওয়ার্ক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চলবে। এর মাধ্যমে ঢাকা শহরের পানি সরবরাহের সমস্যা অনেকাংশে সহজতর হবে।
সিস্টেম লসের বিষয়ে তিনি বলেন, সিস্টেম লস দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ৩৫ শতাংশ। কোনো কোনো দেশে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। আমাদের যাত্রার সময় ৩৫ শতাংশ ছিল। ডিএমএ করার পর ৫ শতাংশ, ৬ শতাংশ এমনকি কোথাও ১ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ২৫ শতাংশটা সন্তোষজনক। তবে আমরা অনেক আগেই এর নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশে সিঙ্গে ডিজিটে সিস্টেম লস নেই। আমাদের সম্পূর্ণ ডিএমএ হলে পানির কোনো সমস্যা থাকার কথা না। কোয়ালিটি নিশ্চিত হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে