হারুনুর রশিদ, ঢাকা

রমজান উপলক্ষে প্রতিবছরের মত এবারও পুরান ঢাকার চকবাজারে জমে উঠেছে ইফতারের বাজার। করোনার জন্য গত দুই বছর এত জমজমাট ছিল না চকবাজার। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পূর্বের মত জমে উঠেছে চকবাজারের ইফতার বাজার। পূর্বের মত আবার শুরু হয়েছে ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙায় ভরে নিয়ে যায়’ হাঁকডাক।
আজ সোমবার রমজানের দ্বিতীয় দিনে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ইফতার বাজার চকবাজারকে পুনরায় জমজমাট দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুর থেকেই বাহারি ইফতারি খাবারের পসরা নিয়ে বসেন দোকানিরা। তবে দুপুর গড়িয়ে যতোই বিকেল হতে থাকে ততই চকবাজারে ভিড় বাড়তে থাকে। ঐতিহ্যবাহী সকল খাবারের দোকানের সামনে পড়ে যায় রীতিমতো লম্বা লাইন।
চকবাজারে নানা ধরনের বাহারী ও ঐতিহ্যবাহী ইফতার পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে ফালুদা প্রতি বাক্স ২০০ টাকা, বড় সাইজের ফিন্নি প্রতি বাক্স ১০০ টাকা, ১ লিটার মাঠার বোতল ৮০ টাকা, ২ লিটার পেস্তা বাদাম শরবতের বোতল ২০০ টাকা। জিলাপি প্রতি পিস ৫-১০ টাকা, ছোলা বুট প্রতি কেজি ১০০ টাকা, প্রতি পিছ সাসলিক ৭০ টাকা, আস্ত মুরগির গ্রিল ৩৮০ টাকা, চিকেন মুঠি কাবাব ২০ টাকা, সমুচা ১০ টাকা, চিকেন হট ডগ ৫০ টাকা, চিকেন জালি কাবাব ২০ টাকা, চিকেন ফ্রাই ৭০ টাকা, চিকেন রোল প্যাটিস ৪০ টাকা, চিকেন প্যাটিস ৪৫ টাকা, দইয়ের বড়া ১০ টির প্যাকেজ ২০০ টাকা, মুড়ি ১৪০ টাকা কেজি, গরুর প্রতি পিছ কোপ্তা ২০ টাকা, চিকেন কোপ্তা ২০ টাকা, চিনির জিলাপি কেজি ২০০ টাকা।
এ ছাড়া ঢাকায় যুগ যুগ ধরে চলে আসা স্থানীয় খাবার গরুর সুতি কাবাব কেজি ১০০০ টাকা, খাসির সুতি কাবাব কেজি ১২০০ টাকা। কোয়েল পাখি আস্ত ভুনা ৮০ টাকা, বড় বাপের পোলায় খায় কেজি ৬০০ টাকা, হালিম ৪০০ টাকা কেজি। এই আইটেমগুলো কিনতে ভিড় বেশি দেখা যায়। তাই দীর্ঘ লাইন ধরে খাবার কিনতে হয় ক্রেতাদের। তবে এ বছর খাবারের দাম তুলনামূলক বেশি বলে জানান ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
চকবাজারে বড় বাপের পোলায় খায় বিক্রেতা জুয়েল বলেন, ‘৭২ বছর ধরে এ খাবার আমরা বিক্রি করে আসছি। মূলত এ খাবার সবাই পছন্দ করে বলেই যুগ যুগ ধরে বিক্রি হয়ে আসছে। এটা ১২টা পদ ও মসলা দ্বারা বানানো হয়। প্রতিদিনের মাল প্রতিদিন শেষ হয়ে যায়। আজ ৫-৭ মন বড় বাপের পোলায় খায়, ১০০ কেজি সুতি কাবাব, আস্ত মুরগি ৪০০ পিচ ও কোয়েল ৬০০ পিচ এনেছি। সবই দুই ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শেষ। গত দুই বছর দোকান বসেনি। এবার বসছে। আশা করছি ভালো লাভবান হবো।’
ইফতার কিনতে আসা নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘আমরা সূত্রাপুর মেসে থাকি। মেসের সবাই মিলে এক সাথে ইফতার করবো এ জন্য ইফতার কিনতে এসেছি। এখান থেকে চিকেন জালি কাবাব, চিকেন ফ্রাই, চিকেন প্যাটিস, দইয়ের বড়া ১০ টির প্যাকেজ কিনেছি। তবে এবার পূর্বের তুলনায় দাম একটু বেশি।’
এদিকে চকবাজারে পুরান ঢাকার বাহির থেকেও অনেকে ইফতার কিনতে এসেছেন। গুলশান থেকে চকবাজারে ইফতার কিনতে আসা সাইফুর রহমান শিহাব বলেন, ‘অফিস শেষ করেই ইফতার কিনতে এদিকে চলে এসেছি। হালিম আমাদের পরিবারের খুব প্রিয়। এখানে লাইনে দাঁড়িয়ে হালিম নিয়েছি। এছাড়াও “বড় বাপের পোলায় খায়” কিনে নিলাম। এখন বাসায় সবাই মিলে ইফতার করবো।’
এদিকে চকবাজার এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিম বলেন, ‘করোনা স্বাভাবিক হলেও বেচাকেনা করার সময় স্বাস্থ্যবিধি পালনে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। সীমিত পরিসরে বাজারের আয়োজন করতে বলেছি। সবাই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে খাবার বিক্রি করছে। রমজান মানে রহমতের মাস। চকবাজারও যেন আমাদের রহমতের জায়গা।’

রমজান উপলক্ষে প্রতিবছরের মত এবারও পুরান ঢাকার চকবাজারে জমে উঠেছে ইফতারের বাজার। করোনার জন্য গত দুই বছর এত জমজমাট ছিল না চকবাজার। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পূর্বের মত জমে উঠেছে চকবাজারের ইফতার বাজার। পূর্বের মত আবার শুরু হয়েছে ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙায় ভরে নিয়ে যায়’ হাঁকডাক।
আজ সোমবার রমজানের দ্বিতীয় দিনে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ইফতার বাজার চকবাজারকে পুনরায় জমজমাট দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুর থেকেই বাহারি ইফতারি খাবারের পসরা নিয়ে বসেন দোকানিরা। তবে দুপুর গড়িয়ে যতোই বিকেল হতে থাকে ততই চকবাজারে ভিড় বাড়তে থাকে। ঐতিহ্যবাহী সকল খাবারের দোকানের সামনে পড়ে যায় রীতিমতো লম্বা লাইন।
চকবাজারে নানা ধরনের বাহারী ও ঐতিহ্যবাহী ইফতার পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে ফালুদা প্রতি বাক্স ২০০ টাকা, বড় সাইজের ফিন্নি প্রতি বাক্স ১০০ টাকা, ১ লিটার মাঠার বোতল ৮০ টাকা, ২ লিটার পেস্তা বাদাম শরবতের বোতল ২০০ টাকা। জিলাপি প্রতি পিস ৫-১০ টাকা, ছোলা বুট প্রতি কেজি ১০০ টাকা, প্রতি পিছ সাসলিক ৭০ টাকা, আস্ত মুরগির গ্রিল ৩৮০ টাকা, চিকেন মুঠি কাবাব ২০ টাকা, সমুচা ১০ টাকা, চিকেন হট ডগ ৫০ টাকা, চিকেন জালি কাবাব ২০ টাকা, চিকেন ফ্রাই ৭০ টাকা, চিকেন রোল প্যাটিস ৪০ টাকা, চিকেন প্যাটিস ৪৫ টাকা, দইয়ের বড়া ১০ টির প্যাকেজ ২০০ টাকা, মুড়ি ১৪০ টাকা কেজি, গরুর প্রতি পিছ কোপ্তা ২০ টাকা, চিকেন কোপ্তা ২০ টাকা, চিনির জিলাপি কেজি ২০০ টাকা।
এ ছাড়া ঢাকায় যুগ যুগ ধরে চলে আসা স্থানীয় খাবার গরুর সুতি কাবাব কেজি ১০০০ টাকা, খাসির সুতি কাবাব কেজি ১২০০ টাকা। কোয়েল পাখি আস্ত ভুনা ৮০ টাকা, বড় বাপের পোলায় খায় কেজি ৬০০ টাকা, হালিম ৪০০ টাকা কেজি। এই আইটেমগুলো কিনতে ভিড় বেশি দেখা যায়। তাই দীর্ঘ লাইন ধরে খাবার কিনতে হয় ক্রেতাদের। তবে এ বছর খাবারের দাম তুলনামূলক বেশি বলে জানান ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
চকবাজারে বড় বাপের পোলায় খায় বিক্রেতা জুয়েল বলেন, ‘৭২ বছর ধরে এ খাবার আমরা বিক্রি করে আসছি। মূলত এ খাবার সবাই পছন্দ করে বলেই যুগ যুগ ধরে বিক্রি হয়ে আসছে। এটা ১২টা পদ ও মসলা দ্বারা বানানো হয়। প্রতিদিনের মাল প্রতিদিন শেষ হয়ে যায়। আজ ৫-৭ মন বড় বাপের পোলায় খায়, ১০০ কেজি সুতি কাবাব, আস্ত মুরগি ৪০০ পিচ ও কোয়েল ৬০০ পিচ এনেছি। সবই দুই ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শেষ। গত দুই বছর দোকান বসেনি। এবার বসছে। আশা করছি ভালো লাভবান হবো।’
ইফতার কিনতে আসা নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘আমরা সূত্রাপুর মেসে থাকি। মেসের সবাই মিলে এক সাথে ইফতার করবো এ জন্য ইফতার কিনতে এসেছি। এখান থেকে চিকেন জালি কাবাব, চিকেন ফ্রাই, চিকেন প্যাটিস, দইয়ের বড়া ১০ টির প্যাকেজ কিনেছি। তবে এবার পূর্বের তুলনায় দাম একটু বেশি।’
এদিকে চকবাজারে পুরান ঢাকার বাহির থেকেও অনেকে ইফতার কিনতে এসেছেন। গুলশান থেকে চকবাজারে ইফতার কিনতে আসা সাইফুর রহমান শিহাব বলেন, ‘অফিস শেষ করেই ইফতার কিনতে এদিকে চলে এসেছি। হালিম আমাদের পরিবারের খুব প্রিয়। এখানে লাইনে দাঁড়িয়ে হালিম নিয়েছি। এছাড়াও “বড় বাপের পোলায় খায়” কিনে নিলাম। এখন বাসায় সবাই মিলে ইফতার করবো।’
এদিকে চকবাজার এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিম বলেন, ‘করোনা স্বাভাবিক হলেও বেচাকেনা করার সময় স্বাস্থ্যবিধি পালনে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। সীমিত পরিসরে বাজারের আয়োজন করতে বলেছি। সবাই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে খাবার বিক্রি করছে। রমজান মানে রহমতের মাস। চকবাজারও যেন আমাদের রহমতের জায়গা।’

চানন্দী ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী করিম বাজার-দরবেশ বাজার এলাকার একটি পিচঢালাই রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে এনসিপির এক নেতা ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের সব কটিতেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তাঁদের আয় ও সম্পদের চিত্র।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ তিন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা হাইওয়ে পুলিশকেও পাত্তা দিচ্ছেন না এসব অটোরিকশাচালক। পুলিশের সামনেই তাঁরা অটোরিকশা চালাচ্ছেন, যত্রতত্র যাত্রী তুলছেন-নামাচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলঘেঁষা কৃষিজমির মাটি ১০০ ফুট গভীরে খনন করে লুটপাট করা হচ্ছে। গভীর খননের ফলে নিচের স্তরে মাটির পরিবর্তে দেখা মিলেছে সিলিকন বালু। এতে করে মাটিখেকোদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে এই দাপট।
৬ ঘণ্টা আগে