Ajker Patrika

ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা জামায়াতপন্থীদের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা জামায়াতপন্থীদের

ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন হবে ২৯ ও ৩০ এপ্রিল। তবে এই নির্বাচনে সঠিকভাবে ভোট গ্রহণ ও গণনা নিয়ে এরই মধ্যে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের প্যানেল (সবুজ প্যানেল)। তারা এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর আবেদন করেছে। পরে বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন সবুজ প্যানেলের আইনজীবীরা।

আজ রোববার বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দেওয়া আবেদনে দুই প্যানেল থেকে সমানসংখ্যক নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের দাবি জানানো হয়। সবুজ প্যানেলের সভাপতি পদ প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিনের স্বাক্ষর করা আবেদনে বলা হয়, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়াও ১০ জন্য কমিশনার এবং পরবর্তী সময়ে আরও ১০০ জন আইনজীবীকে কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। ঐতিহ্য অনুসারে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি প্যানেলের সমানসংখ্যক কমিশনার ও কমিশনের সদস্য থাকে। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নীল প্যানেল (বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের প্যানেল) থেকে কমিশনার নিয়োগ পান মোট আটজন। আর সবুজ প্যানেল থেকে কমিশনার নিয়োগ পান মাত্র তিনজন; যা স্বচ্ছ, সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সুস্পষ্ট অন্তরায় এবং অবাস্তব বটে।

পরে সংবাদ সম্মেলনে সবুজ প্যানেলের সভাপতি পদ প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা যখনই ভোটের কাজ করতে যাই, তখন সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে একটা আতঙ্ক কাজ করছে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না।’ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারেন, নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে ব্যবস্থা করার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ বর্তমান কমিটির নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহির জায়গাটা আমরা সঠিকভাবে দেখতে পাচ্ছি না। এ জন্যই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অতীতের মতো দুই প্যানেল থেকে পাঁচজন করে হলে এই আতঙ্ক তৈরির প্রশ্ন আসত না। বারবার লিখিত আকারে বলার পরেও তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বিজ্ঞ আইনজীবীরা সিদ্ধান্ত নেবেন, কাকে ভোট দেবেন। এটা কার পক্ষে যাবে, কার বিপক্ষে যাবে, এটা নিয়ে আমরা কনসার্ন না।’

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘আমরা কনসার্ন হলো স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিয়ে। কিন্তু ভোট হওয়ার আগেই ইলেকশন সিস্টেমে একটা মেকানিজম করার যে আগ্রহ বা দৃষ্টিভঙ্গি দেখা যাচ্ছে, আমরা মনে করি, এই পরিবেশে ভোট হওয়া এবং ভোট গণনা করা দুইটাই অন্তত রিস্কি ব্যাপার।’

শিশির মনির বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত, তাদের আমরা আহ্বান জানাব, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করুন। আপনারা আইনজীবীদের আস্থা অর্জন করে ভোটে অংশগ্রহণ করুন। যে যাকে মনে চায় ভোট দেবে। তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’ সেই সঙ্গে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ভোট গণনা করার দাবিও জানান তিনি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

মধ্যপ্রাচ্যে ‘সিসিফাসের ফাঁদে’ যুক্তরাষ্ট্র, তবু ইরান যুদ্ধে কেন নেপথ্যে খেলোয়াড় চীন

বাংকার বাস্টারেও অভেদ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’, সেখানেই কি চলছে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: নিবন্ধনের বদলে সরাসরি পরীক্ষায় শিক্ষক নিয়োগ

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২১২ টাকা

লঞ্চভাড়া ৩৬–৪২ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত