নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৬ হাজার ৭৫১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ডিএসসিসির বাজেট ছিল ৬ হাজার ৭৩৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, পরে সংশোধিত বাজেট হয় ১ হাজার ৯৯৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এবারের বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৯৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ডিএসসিসি মশার মারতে ব্যয় ধরেছে প্রায় ৪৭ কোটি টাকা।
আজ সোমবার বিকেলে নগর ভবনের মেয়র হানিফ মিলনায়তনে এ বাজেট ঘোষণাকালে ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিন অর্থবছরের বাজেট পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ডিএসসিসির রাজস্ব আদায় প্রতিবছর বাড়ানো হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব ডিএসসিসির রাজস্ব আয় হয়েছে ৬৮৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আয় হয়েছিল ৮৩৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৯৫৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
রাজস্ব আয় বাড়ানোর বিষয়ে বাজেট বক্তব্যে মেয়র তাপস বলেন, ‘আমি নির্বাচনকালীন কোনো কর বৃদ্ধি না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি আমি অক্ষরে অক্ষরে রক্ষা করেছি। আমরা কোনো কর বৃদ্ধি করিনি। বরং আয়ের খাত বৃদ্ধি, কর ফাঁকি রোধ এবং বকেয়া কর আদায়ের মাধ্যমে আমরা রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি। যথাযথ তদারকি এবং নতুন ১২টি খাত হতে অর্থ আদায়ের ফলে রাজস্ব আদায়ে আমরা সফল হয়েছি।’
ডিএসসিসির ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬৫ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা। উল্লেখযোগ্য ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে বেতন-ভাতা বাবদ ৩০০ কোটি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পানি ও গ্যাস বাবদ ৭৯ কোটি নির্ধারণ করা হয়েছে। মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ ২৮ দশমিক ৮৪ কোটি, সরবরাহ বাবদ ৬০ দশমিক ৬৯ কোটি, ভাড়া, রেটস ও কর খাতে ১১ দশমিক ২৫ কোটি, কল্যাণমূলক ব্যয় বাবদ ১৩ দশমিক ৮৭ কোটি, বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা বাবদ ৪ দশমিক ৬০ কোটি, ফিস বাবদ ৯ দশমিক ৭৫ কোটি। এ ছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাবদ ৩০ দশমিক শূন্য ২ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে ডিএসসিসির মশা মারতে ব্যয় নির্ধারণ করেছে ৪৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে মশক নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ব্যয় হবে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মশকনিধন কীটনাশক ক্রয়ে ব্যয় হবে ৩৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ ছাড়া ফগার, হুইল, স্প্রে মেশিন পরিবহন বাবদ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান কাউন্সিলর, বিভাগীয় প্রধান এবং আঞ্চলিক কর্মকর্তারা।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৬ হাজার ৭৫১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ডিএসসিসির বাজেট ছিল ৬ হাজার ৭৩৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, পরে সংশোধিত বাজেট হয় ১ হাজার ৯৯৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এবারের বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৯৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ডিএসসিসি মশার মারতে ব্যয় ধরেছে প্রায় ৪৭ কোটি টাকা।
আজ সোমবার বিকেলে নগর ভবনের মেয়র হানিফ মিলনায়তনে এ বাজেট ঘোষণাকালে ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিন অর্থবছরের বাজেট পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ডিএসসিসির রাজস্ব আদায় প্রতিবছর বাড়ানো হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব ডিএসসিসির রাজস্ব আয় হয়েছে ৬৮৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আয় হয়েছিল ৮৩৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৯৫৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
রাজস্ব আয় বাড়ানোর বিষয়ে বাজেট বক্তব্যে মেয়র তাপস বলেন, ‘আমি নির্বাচনকালীন কোনো কর বৃদ্ধি না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি আমি অক্ষরে অক্ষরে রক্ষা করেছি। আমরা কোনো কর বৃদ্ধি করিনি। বরং আয়ের খাত বৃদ্ধি, কর ফাঁকি রোধ এবং বকেয়া কর আদায়ের মাধ্যমে আমরা রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি। যথাযথ তদারকি এবং নতুন ১২টি খাত হতে অর্থ আদায়ের ফলে রাজস্ব আদায়ে আমরা সফল হয়েছি।’
ডিএসসিসির ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬৫ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা। উল্লেখযোগ্য ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে বেতন-ভাতা বাবদ ৩০০ কোটি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পানি ও গ্যাস বাবদ ৭৯ কোটি নির্ধারণ করা হয়েছে। মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ ২৮ দশমিক ৮৪ কোটি, সরবরাহ বাবদ ৬০ দশমিক ৬৯ কোটি, ভাড়া, রেটস ও কর খাতে ১১ দশমিক ২৫ কোটি, কল্যাণমূলক ব্যয় বাবদ ১৩ দশমিক ৮৭ কোটি, বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা বাবদ ৪ দশমিক ৬০ কোটি, ফিস বাবদ ৯ দশমিক ৭৫ কোটি। এ ছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাবদ ৩০ দশমিক শূন্য ২ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে ডিএসসিসির মশা মারতে ব্যয় নির্ধারণ করেছে ৪৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে মশক নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ব্যয় হবে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মশকনিধন কীটনাশক ক্রয়ে ব্যয় হবে ৩৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ ছাড়া ফগার, হুইল, স্প্রে মেশিন পরিবহন বাবদ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান কাউন্সিলর, বিভাগীয় প্রধান এবং আঞ্চলিক কর্মকর্তারা।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে