নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি, আইনজ্ঞ ও বিচারপতি তাফাজ্জাল হোসেন (টিএইচ) খানের মৃত্যুতে আজ বসবে না সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ উচ্চ আদালতের উভয় বিভাগের বিচারকাজ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার সাইফুর রহমান।
এর আগে আজ সোমবার সকালে আপিল বিভাগের বিচারপতিরা বেঞ্চে বসলে সিনিয়র আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী ও বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল টিএইচ খানের বিষয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এসময় প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উভয় বিভাগে আজকে বিচারকাজ বন্ধ থাকবে।
রোববার বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান টিএইচ খান। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে গ্রামের বাড়িতে তাঁকে দাফন করার কথা রয়েছে।
টিএইচ খান ১৯২০ সালের ২১ অক্টোবর ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলাধীন ঔটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৪২ সালে তৎকালীন কলকাতা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯৪৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং ১৯৪৬ সালে এমএ পাস করেন তিনি।
১৯৪৭ সালে আইন পেশায় যোগ দেন টিএইচ খান। একই বছরের ২৭ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি সালেহ আকরামের নেতৃত্বে পাঁচজন বিচারপতি নিয়ে ঢাকা হাইকোর্টের যাত্রা শুরু হলে সেদিন থেকেই টিএইচ খান আইনজীবী হিসেবে সেই আদালতে পদচারণ শুরু করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৭৩ সালের জুলাই থেকে আবার আইন পেশায় ফিরে যান তিনি। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে সাংসদ নির্বাচিত হন টিএইচ খান। ১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর আইন, শিক্ষা, ধর্ম, ভূমি ও রাজস্ব এবং ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এরপর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন সামরিক আইন জারি করা হয়। তখন তিনি আবার আইন পেশায় ফিরে যান। ১৯৮৬ সালে এরশাদের নির্বাচনে বিরোধিতা করার জন্য তিনি গ্রেপ্তার হন।
১৯৯২ সালে টিএইচ খান সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস কমিশনের সদস্য এবং একই বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে তিনি এশিয়া জোন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৯ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে বিচারকার্য পরিচালনা করেন। পরে দেশে ফিরে আবার আইন পেশায় নিয়োজিত হন।
আইন পেশা ছাড়াও বিচারপতি টি এইচ খান প্রথম জীবনে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ, ঢাকার জগন্নাথ কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন ও আইন বিষয়ে অধ্যাপনা করেন। তাঁর পুরো নাম তাফাজ্জাল হোসেন খান।

সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি, আইনজ্ঞ ও বিচারপতি তাফাজ্জাল হোসেন (টিএইচ) খানের মৃত্যুতে আজ বসবে না সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ উচ্চ আদালতের উভয় বিভাগের বিচারকাজ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার সাইফুর রহমান।
এর আগে আজ সোমবার সকালে আপিল বিভাগের বিচারপতিরা বেঞ্চে বসলে সিনিয়র আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী ও বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল টিএইচ খানের বিষয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এসময় প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উভয় বিভাগে আজকে বিচারকাজ বন্ধ থাকবে।
রোববার বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান টিএইচ খান। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে গ্রামের বাড়িতে তাঁকে দাফন করার কথা রয়েছে।
টিএইচ খান ১৯২০ সালের ২১ অক্টোবর ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলাধীন ঔটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৪২ সালে তৎকালীন কলকাতা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯৪৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং ১৯৪৬ সালে এমএ পাস করেন তিনি।
১৯৪৭ সালে আইন পেশায় যোগ দেন টিএইচ খান। একই বছরের ২৭ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি সালেহ আকরামের নেতৃত্বে পাঁচজন বিচারপতি নিয়ে ঢাকা হাইকোর্টের যাত্রা শুরু হলে সেদিন থেকেই টিএইচ খান আইনজীবী হিসেবে সেই আদালতে পদচারণ শুরু করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৭৩ সালের জুলাই থেকে আবার আইন পেশায় ফিরে যান তিনি। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে সাংসদ নির্বাচিত হন টিএইচ খান। ১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর আইন, শিক্ষা, ধর্ম, ভূমি ও রাজস্ব এবং ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এরপর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন সামরিক আইন জারি করা হয়। তখন তিনি আবার আইন পেশায় ফিরে যান। ১৯৮৬ সালে এরশাদের নির্বাচনে বিরোধিতা করার জন্য তিনি গ্রেপ্তার হন।
১৯৯২ সালে টিএইচ খান সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস কমিশনের সদস্য এবং একই বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে তিনি এশিয়া জোন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৯ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে বিচারকার্য পরিচালনা করেন। পরে দেশে ফিরে আবার আইন পেশায় নিয়োজিত হন।
আইন পেশা ছাড়াও বিচারপতি টি এইচ খান প্রথম জীবনে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ, ঢাকার জগন্নাথ কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন ও আইন বিষয়ে অধ্যাপনা করেন। তাঁর পুরো নাম তাফাজ্জাল হোসেন খান।

বরিশালে ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ঘরটির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে অফিসে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র তছনছ করা হয়। এ বিষয়ে আজই সংগঠনটির পক্ষ থেকে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়।
৩ মিনিট আগে
বরিশালে বছরের প্রথম দিনই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়েছে। উৎসবের আমেজ না থাকলেও বইয়ের ঘ্রাণে শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে আনন্দের ঝিলিক দেখা গেছে। বছরের প্রথম দিন শিশুরা বই পাওয়ায় অভিভাবকেরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
৪ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের (১ নম্বর খাস খতিয়ান) একটি জমি বরাদ্দ দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি) কর্তৃপক্ষ। বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তি ওই জমিতে নির্মাণ করেন দোকান। বিষয়টি জানতে পেরে গতকাল বুধবার সেই স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয় জেলা প্রশাসন।
৯ মিনিট আগে
কুড়িগ্রাম-২ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য পানির উদ্দিন আহমেদের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই আসনের বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী আতিকুর রহমানের মনোনয়নপত্রও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে