রাজধানীর আফতাবনগরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধের ঘটনায় তোফাজ্জল হোসেন (৩২) নামে আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে এই ঘটনায় তিনজন মারা গেলেন।
আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এর আগে মারা যান তোফাজ্জলের স্ত্রী মানসুরা ও তাঁদের ৪ বছর বয়সী সন্তান তানজিলা।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন, বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, তোফাজ্জলের শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। শ্বাসনালিও পুড়ে গিয়েছিল। হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছিল তাঁকে। সেখানেই আজ ভোরে মারা গেছেন।
তিনি জানান, বর্তমানে তোফাজ্জলের দুই মেয়ে তানিশা ৩০ শতাংশ ও মিথিলা ৬০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে চিকিৎসাধীন। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এর আগে, গত শুক্রবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আফতাবনগরে দক্ষিণ আনন্দনগর এলাকায় একটি তিন তলা বাসার নিচ তলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধ হন মানসুরা আক্তার (২৮), স্বামী তোফাজ্জল হোসেন (৩২), তিন মেয়ে তানিশা (১১), মিথিলা (৮) ও তানজিলা (৪)।
মানসুরার মেয়ের স্বামী মো. রিপন জানান, ওই বাসাটির পাশে একটি ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। সেখানে খোঁড়াখুঁড়ি সময় গ্যাস লাইনে লিকেজ হয়। সেখান থেকে গ্যাস বের হতে থাকে। ঘটনার দিন সকালে বিষয়টি বাড়িওয়ালাকে জানান হয়। তবে তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। সেদিন রাতে যখন বাসায় মশার কয়েল জ্বালাচ্ছিলেন, তখনই বিস্ফোরণ হয়। এতে পরিবারটির ৫ জন দগ্ধ হয়।
তোফাজ্জল পেশায় দিনমজুর। চার কন্যা সন্তানের জনক তিনি। ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী ও তিন মেয়ে দগ্ধ হয়। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদরে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে