ঢামেক প্রতিবেদক

রাজধানীর ভাটারা থানার শাহজাদপুরে আবাসিক হোটেল সৌদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মারা যাওয়া চার ব্যক্তির মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁর নাম মিরন জমাদ্দার (৫৫)। আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁর ছেলে মনিম জমাদ্দারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। ছেলেকে বিদায় দিতে শ্যালককে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় এসে ওই হোটেলে উঠেছিলেন মিরন।
আজ সোমবার দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটে ছয়তলা ভবনের সৌদিয়া হোটেলের দ্বিতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। বারিধারা ফায়ার স্টেশনের দুই ইউনিটের চেষ্টায় বেলা ১টা ৪ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এ ঘটনায় চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁরা সবাই পুরুষ। ফায়ার সার্ভিস জানায়, এক ব্যক্তির মরদেহ বাথরুমের ভেতরে এবং তিনটি সিঁড়ির গোড়ায় পড়ে ছিল। এই চারজনের মধ্যে কেবল মিরন জমাদ্দারের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন তাঁর স্বজনেরা।
মিরনের বাড়ি পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার দারুলহুদা বটতলা গ্রামে। আজ বিকেল ৪টার দিকে মরদেহ চারটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায় গুলশান থানা-পুলিশ। চার মরদেহের দুটির শরীরে হালকা দগ্ধের চিহ্ন রয়েছে। তবে সেই লাশ অজ্ঞাতনামাদের।
ঢাকা মেডিকেলে নিহত ব্যক্তির ছেলে মনিম জমাদ্দার বলেন, ‘আগামীকাল সন্ধ্যায় আমার সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট। দুদিন আগে ঢাকার রামপুরায় চাচাতো ভাই সাইদুলের বাসায় উঠি। আজ সকালে বাবা ও মামা হিরন তালুকদার গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে শাহজাদপুর সৌদিয়া আবাসিক হোটেলের ৪০২ নম্বর রুমে ওঠেন।’
মনিম আরও বলেন, ‘বাবা ও মামার আসার খবর পেয়ে সকালে হোটেলের উদ্দেশে রওনা হই। হোটেলে ওঠার সময় দেখি, নিচতলায় অনেক ধোঁয়া। পরে বাবাকে কল দিই। বাবা কল ধরে কান্না করতে থাকেন। বাবাকে বলি, ছাদের দিকে উঠে যেতে। তারপর আর কথা হয়নি।’
নিহত ব্যক্তির শ্যালক হিরন তালুকদার বলেন, ‘সকালে হোটেলে ওঠার কিছুক্ষণ পর দুজন হোটেলের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে নাশতা করতে যাই। এরপর তিনি আমাকে রেখে বিশ্রাম করার জন্য দ্রুত হোটেলে ফিরে যান। এর অল্প সময় পর আগুন দেখে হোটেলের নিচে দৌড়ে আসি। তখন আগুনের ধোঁয়ায় সারা হোটেল আচ্ছন্ন হয়েছিল। ঠিক সেই সময় দুলাভাই মিরন আমাকে কল দিয়ে বলেন, ‘‘আমি হোটেলের ভেতরে আটকা পড়েছি। চারদিকে ধোঁয়া। কোথাও যাওয়ার জায়গা পাচ্ছি না।’’ এই বলে কান্নাকাটি করছিলেন। এরপর কলটি কেটে যায়। সবশেষ ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর পর তাঁর মরদেহ চারতলা থেকে উদ্ধার করে।’
গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ হোসেন জানান, চারটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া চলছে। দুটি মরদেহের শরীরে হালকা দগ্ধের চিহ্ন রয়েছে।
এসআই আরও বলেন, একটি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। বাকি তিনটি এখনো অজ্ঞাত হিসেবে রয়েছে। তাঁদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছর।

রাজধানীর ভাটারা থানার শাহজাদপুরে আবাসিক হোটেল সৌদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মারা যাওয়া চার ব্যক্তির মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁর নাম মিরন জমাদ্দার (৫৫)। আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁর ছেলে মনিম জমাদ্দারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। ছেলেকে বিদায় দিতে শ্যালককে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় এসে ওই হোটেলে উঠেছিলেন মিরন।
আজ সোমবার দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটে ছয়তলা ভবনের সৌদিয়া হোটেলের দ্বিতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। বারিধারা ফায়ার স্টেশনের দুই ইউনিটের চেষ্টায় বেলা ১টা ৪ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এ ঘটনায় চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁরা সবাই পুরুষ। ফায়ার সার্ভিস জানায়, এক ব্যক্তির মরদেহ বাথরুমের ভেতরে এবং তিনটি সিঁড়ির গোড়ায় পড়ে ছিল। এই চারজনের মধ্যে কেবল মিরন জমাদ্দারের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন তাঁর স্বজনেরা।
মিরনের বাড়ি পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার দারুলহুদা বটতলা গ্রামে। আজ বিকেল ৪টার দিকে মরদেহ চারটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায় গুলশান থানা-পুলিশ। চার মরদেহের দুটির শরীরে হালকা দগ্ধের চিহ্ন রয়েছে। তবে সেই লাশ অজ্ঞাতনামাদের।
ঢাকা মেডিকেলে নিহত ব্যক্তির ছেলে মনিম জমাদ্দার বলেন, ‘আগামীকাল সন্ধ্যায় আমার সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট। দুদিন আগে ঢাকার রামপুরায় চাচাতো ভাই সাইদুলের বাসায় উঠি। আজ সকালে বাবা ও মামা হিরন তালুকদার গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে শাহজাদপুর সৌদিয়া আবাসিক হোটেলের ৪০২ নম্বর রুমে ওঠেন।’
মনিম আরও বলেন, ‘বাবা ও মামার আসার খবর পেয়ে সকালে হোটেলের উদ্দেশে রওনা হই। হোটেলে ওঠার সময় দেখি, নিচতলায় অনেক ধোঁয়া। পরে বাবাকে কল দিই। বাবা কল ধরে কান্না করতে থাকেন। বাবাকে বলি, ছাদের দিকে উঠে যেতে। তারপর আর কথা হয়নি।’
নিহত ব্যক্তির শ্যালক হিরন তালুকদার বলেন, ‘সকালে হোটেলে ওঠার কিছুক্ষণ পর দুজন হোটেলের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে নাশতা করতে যাই। এরপর তিনি আমাকে রেখে বিশ্রাম করার জন্য দ্রুত হোটেলে ফিরে যান। এর অল্প সময় পর আগুন দেখে হোটেলের নিচে দৌড়ে আসি। তখন আগুনের ধোঁয়ায় সারা হোটেল আচ্ছন্ন হয়েছিল। ঠিক সেই সময় দুলাভাই মিরন আমাকে কল দিয়ে বলেন, ‘‘আমি হোটেলের ভেতরে আটকা পড়েছি। চারদিকে ধোঁয়া। কোথাও যাওয়ার জায়গা পাচ্ছি না।’’ এই বলে কান্নাকাটি করছিলেন। এরপর কলটি কেটে যায়। সবশেষ ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর পর তাঁর মরদেহ চারতলা থেকে উদ্ধার করে।’
গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ হোসেন জানান, চারটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া চলছে। দুটি মরদেহের শরীরে হালকা দগ্ধের চিহ্ন রয়েছে।
এসআই আরও বলেন, একটি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। বাকি তিনটি এখনো অজ্ঞাত হিসেবে রয়েছে। তাঁদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছর।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মুছারচর এলাকায় প্রতিবন্ধী এক অটোরিকশাচালকের স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে মুছারচর সড়কের ঢালে সোহেল (৪০) নামের ওই ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়।
২ মিনিট আগে
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ‘আমাদেরই একটি অংশ চায় না যাতে নির্বাচন ভালো হোক। তবে আগামী নির্বাচনে কী হবে, কী হবে না, তা ঠিক করবে তরুণরা।’
৪২ মিনিট আগে
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ভাড়া দেওয়ার আগে অবশ্যই বাড়িটি বসবাসের উপযোগী করে রাখতে হবে। বাড়িতে ইউটিলিটি সার্ভিসের (গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি) নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ ও প্রতিদিন গৃহস্থালি বর্জ্য সংগ্রহসহ অন্যান্য সব সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তবে ইউটিলিটি সার্ভিসের ক্ষেত্রে যথাযথ বিলের বেশি বা লাভ নেওয়া যাবে না।
১ ঘণ্টা আগে
বরিশালের হিজলা উপজেলা-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ চার জেলের মধ্যে দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ভোর ৫টায় উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের পূর্ব পাশে মেঘনা নদীতে ভাসমান অবস্থায় তাঁদের লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার জেলেরা হলেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার
১ ঘণ্টা আগে