নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা

যৌতুকের জন্য নববধূ মনিরা পারভীনকে খুনের দায়ে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মাফরোজা পারভীন এ রায় দেন। তবে মনিরার স্বামী নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নিহত মনিরার স্বামী নাসিরের ভাই মাসুদ, বোন হাসিনা ও তাঁর স্বামী মিলন, মিলনের ভাই দেলোয়ার হোসেন এবং নাসিরের চাচা দীন ইসলাম।
ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছেন, আসামিদের বিরুদ্ধে গৃহবধূ মনিরাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে—এ কারণে তাঁদের সর্বোচ্চ দণ্ড দেওয়া হলো। তবে এই রায় কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে। রায় আরও বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ইচ্ছা করলে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।
আসামিরা সবাই জামিনে ছিলেন। তাঁরা ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্বামী নাসিরকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জুন বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর খিলক্ষেতে মনিরা বাবার বাড়ি থেকে ওষুধ কেনার কথা বলে বের হয়ে আর ফিরে যাননি। পরিবার তাঁর কোনো সন্ধান পাচ্ছিল না। পরদিন লোকমুখে তারা জানতে পারে, নাসির হোসেন কাজী অফিসে নিয়ে মনিরাকে বিয়ে করেন। বিয়ে করে নাসির ও মনিরা অন্য কোথাও চলে যান। এ কথা শোনার পর নাসিরের বাবা হাছেন আলীর কাছে যান মনিরার বাবা মোস্তফা। তিনি মেয়েকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানান। তখন হাছেন আলী ক্ষিপ্ত হয়ে মনিরার বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন।
যৌতুকের টাকা না দিলে বাবা-মেয়ে দুজনকেই খুনের হুমকি দেন তিনি। পরদিন নাসির মনিরাকে নিয়ে নাসিরদের বাড়ি যান। বাড়িতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নাসিরের মা,বাবাসহ পরিবারের অন্যরা মিলে মনিরাকে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর, কিল, ঘুষি, মাথার চুল টেনে গুরুতর জখম করে পাশের একটি বালুর মাঠে ফেলে রাখেন। স্থানীয় লোকজন মনিরাকে উদ্ধার করে আশিয়ান সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবার। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ জুন সকালে মারা যান মনিরা।
এ ঘটনায় ২২ জুন মনিরার বাবা মোস্তফা খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন। মামলায় নাসিরের মা, বাবা, চাচাসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কে এম আশরাফ উদ্দিন। মামলার বিচার চলাকালে আটজন আদালতে সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষ্যপ্রমাণে দেখা যায়, নাসির মৃত মনিরাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। তিনি বিয়ে করে মনিরাকে নিজের বাড়িতে নেওয়ার পরপরই তাঁর স্বজনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে যৌতুক দাবি করেন এবং মনিরার বাবা যৌতুক দিতে রাজি না হওয়ায় মনিরাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে বালুর মাঠে ফেলে রাখা হয়। এখানে নাসিরের কোনো দোষ ছিল না।

যৌতুকের জন্য নববধূ মনিরা পারভীনকে খুনের দায়ে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মাফরোজা পারভীন এ রায় দেন। তবে মনিরার স্বামী নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নিহত মনিরার স্বামী নাসিরের ভাই মাসুদ, বোন হাসিনা ও তাঁর স্বামী মিলন, মিলনের ভাই দেলোয়ার হোসেন এবং নাসিরের চাচা দীন ইসলাম।
ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছেন, আসামিদের বিরুদ্ধে গৃহবধূ মনিরাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে—এ কারণে তাঁদের সর্বোচ্চ দণ্ড দেওয়া হলো। তবে এই রায় কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে। রায় আরও বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ইচ্ছা করলে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।
আসামিরা সবাই জামিনে ছিলেন। তাঁরা ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্বামী নাসিরকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জুন বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর খিলক্ষেতে মনিরা বাবার বাড়ি থেকে ওষুধ কেনার কথা বলে বের হয়ে আর ফিরে যাননি। পরিবার তাঁর কোনো সন্ধান পাচ্ছিল না। পরদিন লোকমুখে তারা জানতে পারে, নাসির হোসেন কাজী অফিসে নিয়ে মনিরাকে বিয়ে করেন। বিয়ে করে নাসির ও মনিরা অন্য কোথাও চলে যান। এ কথা শোনার পর নাসিরের বাবা হাছেন আলীর কাছে যান মনিরার বাবা মোস্তফা। তিনি মেয়েকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানান। তখন হাছেন আলী ক্ষিপ্ত হয়ে মনিরার বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন।
যৌতুকের টাকা না দিলে বাবা-মেয়ে দুজনকেই খুনের হুমকি দেন তিনি। পরদিন নাসির মনিরাকে নিয়ে নাসিরদের বাড়ি যান। বাড়িতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নাসিরের মা,বাবাসহ পরিবারের অন্যরা মিলে মনিরাকে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর, কিল, ঘুষি, মাথার চুল টেনে গুরুতর জখম করে পাশের একটি বালুর মাঠে ফেলে রাখেন। স্থানীয় লোকজন মনিরাকে উদ্ধার করে আশিয়ান সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবার। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ জুন সকালে মারা যান মনিরা।
এ ঘটনায় ২২ জুন মনিরার বাবা মোস্তফা খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন। মামলায় নাসিরের মা, বাবা, চাচাসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কে এম আশরাফ উদ্দিন। মামলার বিচার চলাকালে আটজন আদালতে সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষ্যপ্রমাণে দেখা যায়, নাসির মৃত মনিরাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। তিনি বিয়ে করে মনিরাকে নিজের বাড়িতে নেওয়ার পরপরই তাঁর স্বজনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে যৌতুক দাবি করেন এবং মনিরার বাবা যৌতুক দিতে রাজি না হওয়ায় মনিরাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে বালুর মাঠে ফেলে রাখা হয়। এখানে নাসিরের কোনো দোষ ছিল না।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
৯ মিনিট আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
১২ মিনিট আগে
কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে