নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর বনানীতে প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। শ্রমিকদের না জানিয়ে কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে তাঁরা এই সড়ক অবরোধ করেন। পরে পুলিশের আশ্বাসে পাশে রেললাইনে অবস্থান নেন শ্রমিকেরা। তবে এর আগে সকালে সড়ক অবরোধের ফলে বনানী, মহাখালী ও গুলশান এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বেশ ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাকশ্রমিকেরা।
শ্রমিকেরা জানান, গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ তাদের কিছু না জানিয়ে বন্ধের নোটিশ লাগিয়ে দেয়। ঈদুল আজহার আগে এভাবে গার্মেন্টস বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ তারা। তিন মাসের বেতন আর কোরবানি ঈদের বোনাস মালিককে দিতে হবে বলেও দাবি করেন তাঁরা।
পোশাক কারখানাটির সুপারভাইজার ইসমাইল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ৭-৮ বছর ধরে আমরা কাজ করছি। ঈদের আগে শেষ মুহূর্তে বেতন বোনাস দিয়ে ছুটি দিয়েছে। লম্বা বন্ধের পর গত দুই তারিখে কারখানা খুলে দেয়। আজকেই সকালে এসেই দেখি তালা দেওয়া। কারখানা বন্ধ করে দিলে আমাদের দেনা পাওনা মিটিয়ে দিক। আমরা অন্য কোথাও কাজ খুঁজে নেব। পুলিশ এক ঘণ্টার সময় নিয়ে এখনো কোনো সমাধান করে নাই।
কারখানার শ্রমিক মো. সেতু বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে ভালোভাবে ঈদ বোনাস দেয় নাই। বেতন দিতেও ঘুরিয়েছে। তারপরও আমরা তার সুবিধার জন্য কাজ করে গেছি।
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাহান হক বলেন, শ্রমিকদের না জানিয়ে বিনা নোটিশে বনানীর অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড গার্মেন্টস বন্ধ করে দেওয়ায় সড়কে অবস্থান নিয়েছে পোশাক শ্রমিকেরা। প্রায় চার শ পোশাক শ্রমিক সকাল সাড়ে আটটার দিকে অবস্থান নেয়। এতে করে মহাখালী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত প্রায় সব সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা গার্মেন্টসটির মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা ঘটনাস্থলে এলে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

রাজধানীর বনানীতে প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। শ্রমিকদের না জানিয়ে কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে তাঁরা এই সড়ক অবরোধ করেন। পরে পুলিশের আশ্বাসে পাশে রেললাইনে অবস্থান নেন শ্রমিকেরা। তবে এর আগে সকালে সড়ক অবরোধের ফলে বনানী, মহাখালী ও গুলশান এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বেশ ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাকশ্রমিকেরা।
শ্রমিকেরা জানান, গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ তাদের কিছু না জানিয়ে বন্ধের নোটিশ লাগিয়ে দেয়। ঈদুল আজহার আগে এভাবে গার্মেন্টস বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ তারা। তিন মাসের বেতন আর কোরবানি ঈদের বোনাস মালিককে দিতে হবে বলেও দাবি করেন তাঁরা।
পোশাক কারখানাটির সুপারভাইজার ইসমাইল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ৭-৮ বছর ধরে আমরা কাজ করছি। ঈদের আগে শেষ মুহূর্তে বেতন বোনাস দিয়ে ছুটি দিয়েছে। লম্বা বন্ধের পর গত দুই তারিখে কারখানা খুলে দেয়। আজকেই সকালে এসেই দেখি তালা দেওয়া। কারখানা বন্ধ করে দিলে আমাদের দেনা পাওনা মিটিয়ে দিক। আমরা অন্য কোথাও কাজ খুঁজে নেব। পুলিশ এক ঘণ্টার সময় নিয়ে এখনো কোনো সমাধান করে নাই।
কারখানার শ্রমিক মো. সেতু বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে ভালোভাবে ঈদ বোনাস দেয় নাই। বেতন দিতেও ঘুরিয়েছে। তারপরও আমরা তার সুবিধার জন্য কাজ করে গেছি।
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাহান হক বলেন, শ্রমিকদের না জানিয়ে বিনা নোটিশে বনানীর অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড গার্মেন্টস বন্ধ করে দেওয়ায় সড়কে অবস্থান নিয়েছে পোশাক শ্রমিকেরা। প্রায় চার শ পোশাক শ্রমিক সকাল সাড়ে আটটার দিকে অবস্থান নেয়। এতে করে মহাখালী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত প্রায় সব সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা গার্মেন্টসটির মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা ঘটনাস্থলে এলে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে