নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমীন গাজী।
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ উদ্যোগে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনিসহ সব সাংবাদিক হত্যার বিচার ও সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সমাবেশে রুহুল আমীন গাজী বলেন, এই স্বৈরাচার সরকার অনেক সাংবাদিক হত্যা করেছে। এই আন্দোলনেও অনেক সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। সারা বাংলাদেশে যত সাংবাদিক হত্যা করা হয়েছে, এসবের বিচার করতে হবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘সাগর-রুনির হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত, আমরা সেটা জানতে চাই। জনসমক্ষে তাঁদের নাম প্রকাশ করতে হবে। সাগর-রুনিকে যারা বেঁচে থাকতে দেয়নি, তাদেরও বেঁচে থাকার অধিকার নেই।’ এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জন্য একটি সুরক্ষা আইন করার দাবি জানান।
ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ভারত কেন শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে? এই হাসিনা হাজার হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে ভারতে গিয়ে লুকিয়েছে। ভারতকে বলব, আপনারা তাড়াতাড়ি হাসিনাকে দেশে পাঠান। তাঁর বিচার হবে।’
সাংবাদিক ও কবি আব্দুল হাই সিকদার বলেন, ‘সাগর-রুনির হত্যার বিচার আওয়ামী সরকার করেনি। এর কারণ হলো—আওয়ামী সরকার নিজেই এ হত্যার সঙ্গে জড়িত। হাইকোর্ট থেকে শুরু করে সবকিছুই আওয়ামী লীগের অধীনে ছিল। সাগর-রুনির হত্যার পাশাপাশি যে গণমাধ্যমগুলো বন্ধ হয়ে আছে, সেগুলোকে খুলে দিতে হবে।’
সেনাবাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ভেতরে যারা আওয়ামীপন্থী আছে, তাদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রকাশ করুন।’

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমীন গাজী।
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ উদ্যোগে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনিসহ সব সাংবাদিক হত্যার বিচার ও সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সমাবেশে রুহুল আমীন গাজী বলেন, এই স্বৈরাচার সরকার অনেক সাংবাদিক হত্যা করেছে। এই আন্দোলনেও অনেক সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। সারা বাংলাদেশে যত সাংবাদিক হত্যা করা হয়েছে, এসবের বিচার করতে হবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘সাগর-রুনির হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত, আমরা সেটা জানতে চাই। জনসমক্ষে তাঁদের নাম প্রকাশ করতে হবে। সাগর-রুনিকে যারা বেঁচে থাকতে দেয়নি, তাদেরও বেঁচে থাকার অধিকার নেই।’ এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জন্য একটি সুরক্ষা আইন করার দাবি জানান।
ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ভারত কেন শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে? এই হাসিনা হাজার হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে ভারতে গিয়ে লুকিয়েছে। ভারতকে বলব, আপনারা তাড়াতাড়ি হাসিনাকে দেশে পাঠান। তাঁর বিচার হবে।’
সাংবাদিক ও কবি আব্দুল হাই সিকদার বলেন, ‘সাগর-রুনির হত্যার বিচার আওয়ামী সরকার করেনি। এর কারণ হলো—আওয়ামী সরকার নিজেই এ হত্যার সঙ্গে জড়িত। হাইকোর্ট থেকে শুরু করে সবকিছুই আওয়ামী লীগের অধীনে ছিল। সাগর-রুনির হত্যার পাশাপাশি যে গণমাধ্যমগুলো বন্ধ হয়ে আছে, সেগুলোকে খুলে দিতে হবে।’
সেনাবাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ভেতরে যারা আওয়ামীপন্থী আছে, তাদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রকাশ করুন।’

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন পর্যন্ত ‘বাংলা চ্যানেল’ নামে পরিচিত সাগরপথ সাঁতরে পাড়ি দিচ্ছেন ৩৫ জন সাঁতারু। ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যানেল পাড়ি দিতে ৩৭ জন সাঁতারু নাম নিবন্ধন করলেও চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ৩৫ জন।
১৭ মিনিট আগে
গাইবান্ধার সাঘাটায় ট্রেনে কাটা পড়ে মহাসিন আলী (৩৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪২ মিনিট আগে
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের সমর্থক নজরুল ইসলামকে (৪৫) ছুরিকাঘাতে খুনের ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। আজ শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
১ ঘণ্টা আগে
আনন্দের মিলনমেলা মুহূর্তেই পরিণত হলো শোকের পরিবেশে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এসে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাবেক শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। গতকাল শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে