কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি

বুড়িগঙ্গা নদী থেকে একে অন্যের হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার তরুণ-তরুণীসহ চারটি লাশ হাসপাতালের মর্গে পড়ে রয়েছে। ছয় দিনেও লাশগুলোর পরিচয় শনাক্ত হয়নি। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্মী এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী থেকে গত শনিবার অজ্ঞাতনামা তরুণ (৩৫) ও তরুণীর (২৬) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন বরিশুরঘাট এলাকা বরাবর মাঝনদী থেকে একে অপরের হাত বাঁধা ওই দুজনের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। একই দিনে পৃথক আরেকটি ঘটনায় এক নারী ও এক ছেলেশিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশগুলো পাঠানো হয়।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সহকারী শ্যামল লাল বলেন, ‘ছয় দিনেও লাশগুলোর খোঁজে কেউ আসেনি। পিবিআই ও সিআইডির ফরেনসিক দল আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করলেও শুনেছি, এখনো কোনো পরিচয় মেলেনি। লাশ পানিতে পচে গলে যাওয়ায় সম্ভবত আঙুলের ছাপ নষ্ট হয়ে গেছে।’
শ্যামল লাল আরও বলেন, ‘মর্গের রেফ্রিজারেটর নষ্ট থাকায় লাশগুলো পচতে শুরু করছে। সাধারণত ৩-৪ দিনেই আমরা লাশ আঞ্জুমান মুফিদুলে দাফনের জন্য দিয়ে দেই, তবে পুলিশের অনুরোধে লাশগুলো এখন পর্যন্ত মর্গেই রয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কেরানীগঞ্জ সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দেশের সব থানায় লাশ চারটির পরিচয় শনাক্তের জন্য বেতারবার্তা পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো থানা থেকে কোনো ধরনের রেসপন্স আসেনি। এমনকি মর্গেও কোনো স্বজন লাশ শনাক্তের জন্য আসেনি। এ ছাড়া পিবিআই ও সিআইডির ফরেনসিক দল যে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেছে, তার থেকেও কোনো তথ্য মেলেনি। এরপরও আমরা বিভিন্ন মামলা ও হারানো জিডি অ্যানালাইসিস করে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছি।’

বুড়িগঙ্গা নদী থেকে একে অন্যের হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার তরুণ-তরুণীসহ চারটি লাশ হাসপাতালের মর্গে পড়ে রয়েছে। ছয় দিনেও লাশগুলোর পরিচয় শনাক্ত হয়নি। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্মী এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী থেকে গত শনিবার অজ্ঞাতনামা তরুণ (৩৫) ও তরুণীর (২৬) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন বরিশুরঘাট এলাকা বরাবর মাঝনদী থেকে একে অপরের হাত বাঁধা ওই দুজনের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। একই দিনে পৃথক আরেকটি ঘটনায় এক নারী ও এক ছেলেশিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশগুলো পাঠানো হয়।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সহকারী শ্যামল লাল বলেন, ‘ছয় দিনেও লাশগুলোর খোঁজে কেউ আসেনি। পিবিআই ও সিআইডির ফরেনসিক দল আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করলেও শুনেছি, এখনো কোনো পরিচয় মেলেনি। লাশ পানিতে পচে গলে যাওয়ায় সম্ভবত আঙুলের ছাপ নষ্ট হয়ে গেছে।’
শ্যামল লাল আরও বলেন, ‘মর্গের রেফ্রিজারেটর নষ্ট থাকায় লাশগুলো পচতে শুরু করছে। সাধারণত ৩-৪ দিনেই আমরা লাশ আঞ্জুমান মুফিদুলে দাফনের জন্য দিয়ে দেই, তবে পুলিশের অনুরোধে লাশগুলো এখন পর্যন্ত মর্গেই রয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কেরানীগঞ্জ সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দেশের সব থানায় লাশ চারটির পরিচয় শনাক্তের জন্য বেতারবার্তা পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো থানা থেকে কোনো ধরনের রেসপন্স আসেনি। এমনকি মর্গেও কোনো স্বজন লাশ শনাক্তের জন্য আসেনি। এ ছাড়া পিবিআই ও সিআইডির ফরেনসিক দল যে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেছে, তার থেকেও কোনো তথ্য মেলেনি। এরপরও আমরা বিভিন্ন মামলা ও হারানো জিডি অ্যানালাইসিস করে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছি।’

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৯ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩৪ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৪০ মিনিট আগে