নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ব্যক্তিগত কাজে এসে গত ২৪ জুলাই রাজধানীর লালবাগ কেল্লার সামনে মোটরসাইকেল পার্কিং করে রাখেন গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের এক কর্মকর্তা। কাজ শেষে বের হয়ে দেখেন তাঁর মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তার দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং এলাকা থেকে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ থানা। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাকি সদস্যদের ধরা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চক্রের মূল হোতা সোহেল, তাঁর সহযোগী সুনীল, হুমায়ূন, হৃদয়, আওয়াল ও স্বাধীন। এ ঘটনায় রনি নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে আগেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি করা ১০টি মোটরসাইকেল ও মোটরসাইকেল চুরিতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ চাবি উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. জাফর হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, লালবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) কে এন রায় নিয়তির নেতৃত্বে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রের অন্যতম হোতা সোহেল গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে মোটরসাইকেল চুরি করে আসছিল। একটি বাইক চুরির আগে চক্রের প্রধান সোহেল ও সুনীল, আওয়াল নজর রাখতেন। এরপর সুযোগ বুঝে তাঁদের কাছে থাকা নকল চাবি দিয়ে বাইকের নিরাপত্তা লক ভেঙে দ্রুত সটকে পরতেন। পরে চক্রের সদস্যরা প্রথমে বাইকটি মাওয়া, মুন্সিগঞ্জ, জাজিরা এলাকায় নিয়ে চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে বিক্রি করে দিতেন। পরে চক্রের ওই সদস্যরা বাইকের নম্বরপ্লেট ও চেসিস নম্বর টেম্পারিং করে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করে দিতেন।
প্রথম ধাপে চুরি করা বাইকগুলো ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হতো। পরে সেই বাইকগুলো সাধারণ মানুষের কাছে ৪০ থেকে ৫০ হাজারে বিক্রি করো হয়। গোয়েন্দা কর্মকর্তার বাইকটি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী থানার দুর্গম এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ব্যক্তিগত কাজে এসে গত ২৪ জুলাই রাজধানীর লালবাগ কেল্লার সামনে মোটরসাইকেল পার্কিং করে রাখেন গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের এক কর্মকর্তা। কাজ শেষে বের হয়ে দেখেন তাঁর মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তার দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং এলাকা থেকে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ থানা। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাকি সদস্যদের ধরা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চক্রের মূল হোতা সোহেল, তাঁর সহযোগী সুনীল, হুমায়ূন, হৃদয়, আওয়াল ও স্বাধীন। এ ঘটনায় রনি নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে আগেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি করা ১০টি মোটরসাইকেল ও মোটরসাইকেল চুরিতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ চাবি উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. জাফর হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, লালবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) কে এন রায় নিয়তির নেতৃত্বে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রের অন্যতম হোতা সোহেল গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে মোটরসাইকেল চুরি করে আসছিল। একটি বাইক চুরির আগে চক্রের প্রধান সোহেল ও সুনীল, আওয়াল নজর রাখতেন। এরপর সুযোগ বুঝে তাঁদের কাছে থাকা নকল চাবি দিয়ে বাইকের নিরাপত্তা লক ভেঙে দ্রুত সটকে পরতেন। পরে চক্রের সদস্যরা প্রথমে বাইকটি মাওয়া, মুন্সিগঞ্জ, জাজিরা এলাকায় নিয়ে চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে বিক্রি করে দিতেন। পরে চক্রের ওই সদস্যরা বাইকের নম্বরপ্লেট ও চেসিস নম্বর টেম্পারিং করে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করে দিতেন।
প্রথম ধাপে চুরি করা বাইকগুলো ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হতো। পরে সেই বাইকগুলো সাধারণ মানুষের কাছে ৪০ থেকে ৫০ হাজারে বিক্রি করো হয়। গোয়েন্দা কর্মকর্তার বাইকটি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী থানার দুর্গম এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ মিনিট আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে