নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাংবাদিকতার মাধ্যমে অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন ও অবিচল সংগ্রামী ছিলেন সাংবাদিক তোয়াব খানের মতো সাংবাদিকেরা। জাতীয় প্রেসক্লাবের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির আজীবন সদস্য প্রয়াত তোয়াব খান ও সাবেক সভাপতি রিয়াজউদ্দিন আহমেদসহ ১৬ জনের স্মরণসভায় এ কথা বলেন তাঁর সহকর্মী ও সিনিয়র সাংবাদিকেরা।
তোয়াব খান সম্পর্কে স্মরণসভায় অগ্রজ সাংবাদিকেরা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চাকরিচ্যুত ও কারা নির্যাতনও ভোগ করেছেন তোয়াব খান। পেশাজীবনের শুরু থেকেই এ দেশের সাংবাদিকতায় নতুনত্ব, আধুনিকতা ও সৃষ্টিশীলতার অনন্য দৃষ্টান্ত রেখেছেন তিনি। বাংলাদেশের সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় তিনি অনন্য প্রতিষ্ঠান ছিলেন।
প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রয়াত রিয়াজউদ্দিন আহমেদ সম্পর্কে সিনিয়র সাংবাদিকেরা বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে তাঁর যে অবদান, তা সাংবাদিক সমাজ মনে রাখবে। দলমত-নির্বিশেষে যেকোনো প্রয়োজনে সাংবাদিকদের পাশে এসে দাঁড়াতেন তিনি। দেশের সাংবাদিকতার এই ক্রান্তিলগ্নে তাঁর মতো শক্তিশালী ও স্বাধীন কণ্ঠস্বর খুব বেশি প্রয়োজন ছিল।
প্রয়াত এই দুই বরেণ্য সাংবাদিক ছাড়াও প্রয়াত গীতিকার কবি কে জি মোস্তফা, এস এম শওকত হোসেন, রাজা সিরাজ, মো. শামীম মাশরেকী, সৈয়দ আকরাম, খন্দকার আনিসুর রহমান, পীর হাবিবুর রহমান, শামসুল আলম বেলাল, সাগর বিশ্বাস, এ এম মুফাজ্জল, এইচ এম জালাল হোসেন, এইচ এম জালাল আহমেদ, আবুল বাসার নূরু, শফিকুল ইসলাম ইউনূস ও গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে নিয়েও স্মৃতিচারণ করেন দেশের সিনিয়র সাংবাদিকেরা।
প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, যুগ্ম-সম্পাদক মাইনুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মাইনুল আলম, কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজ, দৈনিক বাংলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শরীফুজ্জামান পিন্টুসহ অন্যরা।

সাংবাদিকতার মাধ্যমে অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন ও অবিচল সংগ্রামী ছিলেন সাংবাদিক তোয়াব খানের মতো সাংবাদিকেরা। জাতীয় প্রেসক্লাবের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির আজীবন সদস্য প্রয়াত তোয়াব খান ও সাবেক সভাপতি রিয়াজউদ্দিন আহমেদসহ ১৬ জনের স্মরণসভায় এ কথা বলেন তাঁর সহকর্মী ও সিনিয়র সাংবাদিকেরা।
তোয়াব খান সম্পর্কে স্মরণসভায় অগ্রজ সাংবাদিকেরা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চাকরিচ্যুত ও কারা নির্যাতনও ভোগ করেছেন তোয়াব খান। পেশাজীবনের শুরু থেকেই এ দেশের সাংবাদিকতায় নতুনত্ব, আধুনিকতা ও সৃষ্টিশীলতার অনন্য দৃষ্টান্ত রেখেছেন তিনি। বাংলাদেশের সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় তিনি অনন্য প্রতিষ্ঠান ছিলেন।
প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রয়াত রিয়াজউদ্দিন আহমেদ সম্পর্কে সিনিয়র সাংবাদিকেরা বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে তাঁর যে অবদান, তা সাংবাদিক সমাজ মনে রাখবে। দলমত-নির্বিশেষে যেকোনো প্রয়োজনে সাংবাদিকদের পাশে এসে দাঁড়াতেন তিনি। দেশের সাংবাদিকতার এই ক্রান্তিলগ্নে তাঁর মতো শক্তিশালী ও স্বাধীন কণ্ঠস্বর খুব বেশি প্রয়োজন ছিল।
প্রয়াত এই দুই বরেণ্য সাংবাদিক ছাড়াও প্রয়াত গীতিকার কবি কে জি মোস্তফা, এস এম শওকত হোসেন, রাজা সিরাজ, মো. শামীম মাশরেকী, সৈয়দ আকরাম, খন্দকার আনিসুর রহমান, পীর হাবিবুর রহমান, শামসুল আলম বেলাল, সাগর বিশ্বাস, এ এম মুফাজ্জল, এইচ এম জালাল হোসেন, এইচ এম জালাল আহমেদ, আবুল বাসার নূরু, শফিকুল ইসলাম ইউনূস ও গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে নিয়েও স্মৃতিচারণ করেন দেশের সিনিয়র সাংবাদিকেরা।
প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, যুগ্ম-সম্পাদক মাইনুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মাইনুল আলম, কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজ, দৈনিক বাংলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শরীফুজ্জামান পিন্টুসহ অন্যরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে