মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পাওনা ৪০০ টাকার জন্য ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের হাতুড়ির পিটুনিতে আহত কর্মী সাজিদুল ইসলাম মিম (২২) মারা গেছেন। তিনি উপজেলার হোসেন্দী এলাকার ইসমানিরচর গ্রামের আব্দুস সাত্তার মিয়ার ছেলে ও হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কর্মী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর বনভোজনে যাওয়ার জন্য ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সংগ্রাম মোল্লার কাছ থেকে মিম ৪০০ টাকা ধার করেন। পাওনা টাকার জের ধরে গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে মিম স্থানীয় নাজিরচর থেকে বাড়ির উদ্দেশে যাওয়ার সময় ধরে নিয়ে যায় সংগ্রাম মোল্লা (২৪) ও তাঁর লোকজন। পরে মিমকে স্থানীয় অ্যাডভান্স প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সামনে নিয়ে হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করে সংগ্রাম, তুষার, সাব্বির, নিজুম, অপু, আরজু, মো. আতাউর, সম্রাট, শুভসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় মিমকে প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
এ ঘটনার তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠু। তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে সংগ্রাম ও তার লোকজন এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করে চলেছে। বিভিন্ন সময় ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি কাজেও তারা বাধা দিয়ে থাকে।
এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন গজারিয়া থানার ওসি রইছ উদ্দিন। তিনি বলেন, হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর ঘটনায় আগেই একটি মামলা করা হয়েছিল। এখন সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পাওনা ৪০০ টাকার জন্য ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের হাতুড়ির পিটুনিতে আহত কর্মী সাজিদুল ইসলাম মিম (২২) মারা গেছেন। তিনি উপজেলার হোসেন্দী এলাকার ইসমানিরচর গ্রামের আব্দুস সাত্তার মিয়ার ছেলে ও হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কর্মী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর বনভোজনে যাওয়ার জন্য ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সংগ্রাম মোল্লার কাছ থেকে মিম ৪০০ টাকা ধার করেন। পাওনা টাকার জের ধরে গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে মিম স্থানীয় নাজিরচর থেকে বাড়ির উদ্দেশে যাওয়ার সময় ধরে নিয়ে যায় সংগ্রাম মোল্লা (২৪) ও তাঁর লোকজন। পরে মিমকে স্থানীয় অ্যাডভান্স প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সামনে নিয়ে হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করে সংগ্রাম, তুষার, সাব্বির, নিজুম, অপু, আরজু, মো. আতাউর, সম্রাট, শুভসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় মিমকে প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
এ ঘটনার তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠু। তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে সংগ্রাম ও তার লোকজন এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করে চলেছে। বিভিন্ন সময় ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি কাজেও তারা বাধা দিয়ে থাকে।
এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন গজারিয়া থানার ওসি রইছ উদ্দিন। তিনি বলেন, হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর ঘটনায় আগেই একটি মামলা করা হয়েছিল। এখন সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে