নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার রোধে চলাচলে আগামীকাল থেকে আট দিনের বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার। এসময় সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে জল, স্থল ও আকাশপথের গণপরিবহন। এর মধ্যেও ঝুঁকি নিয়ে নানা কৌশলে গ্রামের বাড়ি ফিরছেন সাধারণ মানুষ। ভেঙে ভেঙে বিভিন্ন যানবাহনে করে ঢাকা ছাড়ছেন তারা। অবশ্য সব কিছু বন্ধের খবরে দুদিন আগে থেকেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা।
আজ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকেই গাবতলীর আমিনবাজার এলাকায় ঘরমুখী মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকলেও ঘরে ফেরা মানুষের কমতি নেই। রাস্তার মোড়ে মোড়ে ঈদ যাত্রার মতো ভিড় ছিল লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, পরিবহন না চললেও মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ভাড়া করে মানুষ ছুটছে গ্রামের দিকে। এছাড়া পিকআপ ভ্যান ও ট্রাকেও ঠাসাঠাসি করে যাচ্ছে অনেকে। কোনো বাহন না হেঁটেই যাত্রা করেছেন কাছাকাছি এলাকার মানুষ। যে কোনো মুল্যে যেন বাড়ি যেতেই হবে! অবশ্য যানবাহনে যেতে গুণতে হচ্ছে কয়েকগুণ ভাড়া।
রাজধানী থেকে ঘরমুখো মানুষদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকজন গাড়ি রিজার্ভ করে রাজধানী ছাড়ছেন। আর ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা, পিকআপ ভ্যানে করে রাজধানী ছাড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।
রাজধানীতে রিকশা চালান রহিম আলী, বুধবার থেকে সব বন্ধ থাকবে তাই যাচ্ছেন গ্রামের বাড়ি মাগুরায়। তিনি বলেন, যদি সব বন্ধ থাকে মানুষ বাইরে না আসে তাইলে তো ভাড়া মারতে পারমু না। আর ভাড়া না মারতে পারলে পেট চলবো না। তাই বাড়ি যাইতেছি। এখন আমার কাছে ৮০০ ট্যাকা আছে। কীভাবে যামু সেটা নিয়ে ভাবতেছি। গাবতলী থেকে আমিনবাজার ব্রিজ পর্যন্ত হাঁইটা আসছি। কোনো গাড়ি নাই। শেষ পর্যন্ত মাগুরা যাইতে পারমু কিনা কইতে পারতেছি না।
মো. আরিফ, মিরপুরে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করেন, বিধিনিষেধের খবরে কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি যাবেন গ্রামের বাড়ি নাটোরে। আরিফ জানান, উপয়ান্তর না পেয়ে আমিনবাজার ব্রিজ থেকে ৮০০ টাকায় বাইক ভাড়া করে যাচ্ছেন পাটুরিয়া ঘাট। সেখান থেকে আবার ভেঙে ভেঙে যাবেন গ্রামে।
সকাল ৯টা দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে কোনো যানবাহন পাননি আসমা খাতুন। তিনি বলেন, পাবনা থেকে ঢাকার মিরপুর এসেছিলেন ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে। বিধিনিষেধের খবরে আবার গ্রামের বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিন্তু আমিনবাজারে দুই ঘণ্টা ধরে বসে থেকেও কোনো পরিবহন পাচ্ছি না।
এখন কীভাবে যাবেন? এমন প্রশ্নে আসমা খাতুন বলেন, কীভাবে যাবো সেটাই তো বুঝতে পারছি না। মহিলা মানুষ চাইলেই তো যে কোনোভাবে যেতে পারি না। এখন গ্রামের বাড়ি যাবো কীভাবে! যদি না যেতে পারি তাহলে আবার ভাইয়ের বাসায়ই থেকে যেতে হবে।
ঘরমুখী বেশিরভাগ মানুষই গন্তব্যে পৌঁছনো নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন। এভাবে ভেঙে ভেঙে কতদূর পৌঁছাতে পারবেন তাঁরা নিজেরাও বুঝতে পারছেন না। কিন্তু গতবছরের লকডাউনের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। তাই এবার আর তাঁরা রাজধানীতে থাকার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। অনেক যাত্রী বলছেন, সরকার আটদিনের বিধিনিষেধ দিয়েছে এটা আরও বাড়বে। এ সময় কাজ বন্ধ থাকলে তাঁরা খাবেন কী। তাই বাড়ি চলে যাচ্ছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার রোধে চলাচলে আগামীকাল থেকে আট দিনের বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার। এসময় সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে জল, স্থল ও আকাশপথের গণপরিবহন। এর মধ্যেও ঝুঁকি নিয়ে নানা কৌশলে গ্রামের বাড়ি ফিরছেন সাধারণ মানুষ। ভেঙে ভেঙে বিভিন্ন যানবাহনে করে ঢাকা ছাড়ছেন তারা। অবশ্য সব কিছু বন্ধের খবরে দুদিন আগে থেকেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা।
আজ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকেই গাবতলীর আমিনবাজার এলাকায় ঘরমুখী মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকলেও ঘরে ফেরা মানুষের কমতি নেই। রাস্তার মোড়ে মোড়ে ঈদ যাত্রার মতো ভিড় ছিল লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, পরিবহন না চললেও মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ভাড়া করে মানুষ ছুটছে গ্রামের দিকে। এছাড়া পিকআপ ভ্যান ও ট্রাকেও ঠাসাঠাসি করে যাচ্ছে অনেকে। কোনো বাহন না হেঁটেই যাত্রা করেছেন কাছাকাছি এলাকার মানুষ। যে কোনো মুল্যে যেন বাড়ি যেতেই হবে! অবশ্য যানবাহনে যেতে গুণতে হচ্ছে কয়েকগুণ ভাড়া।
রাজধানী থেকে ঘরমুখো মানুষদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকজন গাড়ি রিজার্ভ করে রাজধানী ছাড়ছেন। আর ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা, পিকআপ ভ্যানে করে রাজধানী ছাড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।
রাজধানীতে রিকশা চালান রহিম আলী, বুধবার থেকে সব বন্ধ থাকবে তাই যাচ্ছেন গ্রামের বাড়ি মাগুরায়। তিনি বলেন, যদি সব বন্ধ থাকে মানুষ বাইরে না আসে তাইলে তো ভাড়া মারতে পারমু না। আর ভাড়া না মারতে পারলে পেট চলবো না। তাই বাড়ি যাইতেছি। এখন আমার কাছে ৮০০ ট্যাকা আছে। কীভাবে যামু সেটা নিয়ে ভাবতেছি। গাবতলী থেকে আমিনবাজার ব্রিজ পর্যন্ত হাঁইটা আসছি। কোনো গাড়ি নাই। শেষ পর্যন্ত মাগুরা যাইতে পারমু কিনা কইতে পারতেছি না।
মো. আরিফ, মিরপুরে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করেন, বিধিনিষেধের খবরে কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি যাবেন গ্রামের বাড়ি নাটোরে। আরিফ জানান, উপয়ান্তর না পেয়ে আমিনবাজার ব্রিজ থেকে ৮০০ টাকায় বাইক ভাড়া করে যাচ্ছেন পাটুরিয়া ঘাট। সেখান থেকে আবার ভেঙে ভেঙে যাবেন গ্রামে।
সকাল ৯টা দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে কোনো যানবাহন পাননি আসমা খাতুন। তিনি বলেন, পাবনা থেকে ঢাকার মিরপুর এসেছিলেন ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে। বিধিনিষেধের খবরে আবার গ্রামের বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিন্তু আমিনবাজারে দুই ঘণ্টা ধরে বসে থেকেও কোনো পরিবহন পাচ্ছি না।
এখন কীভাবে যাবেন? এমন প্রশ্নে আসমা খাতুন বলেন, কীভাবে যাবো সেটাই তো বুঝতে পারছি না। মহিলা মানুষ চাইলেই তো যে কোনোভাবে যেতে পারি না। এখন গ্রামের বাড়ি যাবো কীভাবে! যদি না যেতে পারি তাহলে আবার ভাইয়ের বাসায়ই থেকে যেতে হবে।
ঘরমুখী বেশিরভাগ মানুষই গন্তব্যে পৌঁছনো নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন। এভাবে ভেঙে ভেঙে কতদূর পৌঁছাতে পারবেন তাঁরা নিজেরাও বুঝতে পারছেন না। কিন্তু গতবছরের লকডাউনের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। তাই এবার আর তাঁরা রাজধানীতে থাকার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। অনেক যাত্রী বলছেন, সরকার আটদিনের বিধিনিষেধ দিয়েছে এটা আরও বাড়বে। এ সময় কাজ বন্ধ থাকলে তাঁরা খাবেন কী। তাই বাড়ি চলে যাচ্ছেন।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৭ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৭ ঘণ্টা আগে