ঢাবি প্রতিনিধি

ছাত্ররাজনীতি প্রতিরোধের দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ক্লাস বর্জন অব্যাহত রেখেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। এদিকে স্নাতক পর্যায়ে (জুলাই ২০২৩ টার্মের) অবশিষ্ট ফাইনাল পরীক্ষাগুলো স্থগিত এবং ৩০ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিলের পরীক্ষাগুলোর তারিখ পুনর্নির্ধারণ করে আবার নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে একাডেমিক কাউন্সিল।
গত ২০ এপ্রিল উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্যপ্রসাদ মজুমদারের সভাপতিত্বে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরীক্ষাগুলোয় কোনো শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে থাকলে তিনি আবার পরীক্ষা দিতে চান কি না, সে বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকবে। আবার না দিতে চাইলে কিংবা নির্ধারিত সময়ে এ বিষয়ে মতামত না দিলে ওই শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করা পরীক্ষায় প্রাপ্ত গ্রেড দেওয়া হবে। তবে তাঁরা আবার পরীক্ষা দিতে চাইলে পুনর্নির্ধারিত তারিখে নেওয়া পরীক্ষায় প্রাপ্ত গ্রেড দেওয়া হবে—বলে সিদ্ধান্ত নেয় একাডেমিক কাউন্সিল।
ছাত্ররাজনীতি প্রতিরোধের আন্দোলনের এক সংগঠক নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হাইকোর্ট ছাত্ররাজনীতির পক্ষে রায় দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় আপিল করার সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের (শিক্ষার্থী) আইনজীবী সাজেস্ট করার সুযোগ রয়েছে। এ নিয়ে আমরা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করছি। আপিলে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিও রাখার বিষয়েও মত দেওয়া হয়। আমরা দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখলে সকল ব্যাচের সঙ্গে আলোচনা করে ক্লাসে ফিরব, তার আগে নয়। আমরা ব্যাচের প্রতিনিধির সঙ্গেও আলোচনা করছি।’
বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমিন সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে আমাদের কী করণীয় তা ঠিক করব। পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা আবার পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করব।’
এদিকে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি ও শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর রাখতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে এগোবে বলে জানিয়েছে ছাত্রলীগ। শিক্ষার্থীরা স্বাগত জানালে সাংগঠনিক কাজ করবে ছাত্রদল। দখলদারি ও সন্ত্রাসী রাজনীতির বিরুদ্ধে সচেতন করতে বুয়েট শিক্ষার্থীদের কাছে যাবে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট।
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান আজকের পত্রিকাকে বলেন, বুয়েটের শিক্ষার্থীরাই বুয়েটে রাজনীতি করবে, সেটা তাদের (বুয়েট শিক্ষার্থী) মতামত নিয়ে করা হবে। এ ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ তার ঐতিহ্য অনুসারে নিয়মতান্ত্রিকভাবে এগোচ্ছে, কাজ করে যাবে।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির আজকের পত্রিকাকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বুয়েট শিক্ষার্থীদের চরমভাবে আহত করেছে। ২০১৯ সালে বুয়েটে আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মেরে ফেলেছে, এরই প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। তাঁদের আন্দোলন ছাত্ররাজনীতির বিপক্ষে নয়, ছাত্রলীগের দখলদারি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিপক্ষে। শিক্ষার্থীরা যদি ছাত্রদলকে স্বাগত জানায় তাহলে বুয়েটে সাংগঠনিক কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (বাসদ-মার্কসবাদী) সভাপতি সালমান সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আদর্শবাদী রাজনীতির পক্ষে আমাদের অবস্থান। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও দখলদারির বিপরীতে আমাদের অবস্থান। এ নিয়ে আমরা বুয়েট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করব। জাতীয় শিক্ষাক্রম নিয়ে আমরা কাজ করছি, আন্দোলন করছি, এসব বিষয় নিয়েও বুয়েট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করব।’
তবে আপাতত বুয়েটে কোনো সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতির পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ছাত্র ফেডারেশন (গণসংহতি)। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছাত্রলীগ যতই চাপ তৈরি করুক না কেন শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন সফল হবে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনের প্রতি আমাদের সংহতি রয়েছে। আপাতত সাংগঠনিক কার্যক্রমের কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।’
উল্লেখ, গত ২৮ মার্চ মধ্যরাতে বুয়েটে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের প্রবেশকে কেন্দ্র করে ছাত্ররাজনীতি প্রতিরোধের আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সাদ্দাম হোসেনকে প্রবেশে সহযোগিতা করা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য ও বুয়েট শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ হোসেন রাহিম রাব্বির হলের সিট বাতিল ও ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করে প্রশাসন। পরে বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে গেলে সিট ফেরত দিতে ও ছাত্ররাজনীতিতে নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের আদেশ দেন হাইকোর্ট। কিন্তু শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানকে অপসারণ করে পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমিন সিদ্দিককে সেই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ছাত্ররাজনীতি প্রতিরোধের দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ক্লাস বর্জন অব্যাহত রেখেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। এদিকে স্নাতক পর্যায়ে (জুলাই ২০২৩ টার্মের) অবশিষ্ট ফাইনাল পরীক্ষাগুলো স্থগিত এবং ৩০ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিলের পরীক্ষাগুলোর তারিখ পুনর্নির্ধারণ করে আবার নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে একাডেমিক কাউন্সিল।
গত ২০ এপ্রিল উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্যপ্রসাদ মজুমদারের সভাপতিত্বে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরীক্ষাগুলোয় কোনো শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে থাকলে তিনি আবার পরীক্ষা দিতে চান কি না, সে বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকবে। আবার না দিতে চাইলে কিংবা নির্ধারিত সময়ে এ বিষয়ে মতামত না দিলে ওই শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করা পরীক্ষায় প্রাপ্ত গ্রেড দেওয়া হবে। তবে তাঁরা আবার পরীক্ষা দিতে চাইলে পুনর্নির্ধারিত তারিখে নেওয়া পরীক্ষায় প্রাপ্ত গ্রেড দেওয়া হবে—বলে সিদ্ধান্ত নেয় একাডেমিক কাউন্সিল।
ছাত্ররাজনীতি প্রতিরোধের আন্দোলনের এক সংগঠক নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হাইকোর্ট ছাত্ররাজনীতির পক্ষে রায় দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় আপিল করার সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের (শিক্ষার্থী) আইনজীবী সাজেস্ট করার সুযোগ রয়েছে। এ নিয়ে আমরা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করছি। আপিলে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিও রাখার বিষয়েও মত দেওয়া হয়। আমরা দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখলে সকল ব্যাচের সঙ্গে আলোচনা করে ক্লাসে ফিরব, তার আগে নয়। আমরা ব্যাচের প্রতিনিধির সঙ্গেও আলোচনা করছি।’
বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমিন সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে আমাদের কী করণীয় তা ঠিক করব। পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা আবার পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করব।’
এদিকে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি ও শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর রাখতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে এগোবে বলে জানিয়েছে ছাত্রলীগ। শিক্ষার্থীরা স্বাগত জানালে সাংগঠনিক কাজ করবে ছাত্রদল। দখলদারি ও সন্ত্রাসী রাজনীতির বিরুদ্ধে সচেতন করতে বুয়েট শিক্ষার্থীদের কাছে যাবে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট।
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান আজকের পত্রিকাকে বলেন, বুয়েটের শিক্ষার্থীরাই বুয়েটে রাজনীতি করবে, সেটা তাদের (বুয়েট শিক্ষার্থী) মতামত নিয়ে করা হবে। এ ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ তার ঐতিহ্য অনুসারে নিয়মতান্ত্রিকভাবে এগোচ্ছে, কাজ করে যাবে।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির আজকের পত্রিকাকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বুয়েট শিক্ষার্থীদের চরমভাবে আহত করেছে। ২০১৯ সালে বুয়েটে আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মেরে ফেলেছে, এরই প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। তাঁদের আন্দোলন ছাত্ররাজনীতির বিপক্ষে নয়, ছাত্রলীগের দখলদারি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিপক্ষে। শিক্ষার্থীরা যদি ছাত্রদলকে স্বাগত জানায় তাহলে বুয়েটে সাংগঠনিক কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (বাসদ-মার্কসবাদী) সভাপতি সালমান সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আদর্শবাদী রাজনীতির পক্ষে আমাদের অবস্থান। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও দখলদারির বিপরীতে আমাদের অবস্থান। এ নিয়ে আমরা বুয়েট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করব। জাতীয় শিক্ষাক্রম নিয়ে আমরা কাজ করছি, আন্দোলন করছি, এসব বিষয় নিয়েও বুয়েট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করব।’
তবে আপাতত বুয়েটে কোনো সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতির পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ছাত্র ফেডারেশন (গণসংহতি)। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছাত্রলীগ যতই চাপ তৈরি করুক না কেন শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন সফল হবে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনের প্রতি আমাদের সংহতি রয়েছে। আপাতত সাংগঠনিক কার্যক্রমের কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।’
উল্লেখ, গত ২৮ মার্চ মধ্যরাতে বুয়েটে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের প্রবেশকে কেন্দ্র করে ছাত্ররাজনীতি প্রতিরোধের আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সাদ্দাম হোসেনকে প্রবেশে সহযোগিতা করা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য ও বুয়েট শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ হোসেন রাহিম রাব্বির হলের সিট বাতিল ও ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করে প্রশাসন। পরে বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে গেলে সিট ফেরত দিতে ও ছাত্ররাজনীতিতে নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের আদেশ দেন হাইকোর্ট। কিন্তু শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানকে অপসারণ করে পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমিন সিদ্দিককে সেই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
৩২ মিনিট আগে
ফরিদপুরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও চারটি গুলিসহ মো. জহির মোল্লা (৪২) নামের এক ভুয়া সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের বসুনরসিংহদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
৩৫ মিনিট আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
১ ঘণ্টা আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে