আমানুর রহমান রনি, ঢাকা

রাজধানীর কূটনীতিকপাড়ায় কনস্টেবল মনিরুল হক হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মো. কাওছার আলী একাধিকবার পুলিশের শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধ করেছেন। তিনি অন্তত চারবার কর্মস্থল থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিলেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ টানা ১৫ দিনও অনুপস্থিত ছিলেন। এসব ঘটনায় কাওছার লঘু ও গুরু দণ্ড ভোগ করেছেন।
কর্মস্থল থেকে উধাও হয়ে যাওয়া পুলিশ বিধানে শৃঙ্খলা ভঙ্গের বড় অপরাধ হলেও কাওছারকে বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দিয়ে চাকরিতে বহাল রাখা হয়েছে। কেবল একবার বেতন বৃদ্ধি অস্থায়ীভাবে বন্ধ ছিল। প্রতিবার কর্মস্থলে ফিরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধ করে চাকরিতে বহাল থেকেছেন।
তবে এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মানবিক কারণে তাঁকে চাকরিতে বহাল রাখা হয়েছিল।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০০৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর পুলিশে যোগ দেন কাওছার আলী। যোগদানের দুই বছর পর চাকরি স্থায়ী হয়। এ সময় তিনি রাজশাহী রেঞ্জের বগুড়া জেলায় কর্মরত ছিলেন। এই জেলায় আড়াই বছর চাকরি করেন। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে না বলে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এরপর ২০১৬ সালের নভেম্বরে একবার ৮ দিন, ২০১৭ সালের অক্টোবরে ৫ দিন এবং ২০১৯ সালের মে মাসে অন্তত ১৫ দিন বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।
সর্বশেষ উধাও হওয়ার সময় পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) কর্মরত ছিলেন কাওছার। এ ঘটনায় তাঁকে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁর বেতন বৃদ্ধি অস্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা হয়।
দায়িত্বে ও কর্তব্যে অবহেলা, শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে আগের তিনবার কাওছারকে পুলিশের প্যারেড ডিল (পিডি) শাস্তি দেওয়া হয়। প্রতিবারই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে চাকরি বাঁচিয়েছেন কাওছার। ভবিষ্যতে আর শৃঙ্খলা ভঙ্গের কাজ করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন।
তবে তাঁর সার্ভিস বুকে এসব শাস্তির বিষয় উল্লেখ থাকায় চাকরির ১৮ বছর ৫ মাস ২৭ দিনেও পদোন্নতি পাননি। শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তিনি পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হননি। উল্টো তাঁর বেতন বৃদ্ধি বন্ধ ছিল দুই বছরের বেশি সময়।
এসব ঘটনা কাওছারের পরিবারও জানত। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর। গত সোমবার রাতে কাওছারের মা মাবিয়া খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চাকরিতে কয়েকবার ঝামেলা হয়েছিল। আমরা স্যারদের অনুরোধ করেছি। তারপর তাকে চাকরিতে বহাল করা হয়েছে।’
ডিএমপির সূত্রটি জানিয়েছে, কনস্টেবল কাওছার পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি ইউনিটে চাকরি করেছেন। ২০২২ সালের ২ আগস্ট কাওছার আলীকে ডিএমপির প্রোটেকশন বিভাগ থেকে ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বিভাগে বদলি করা হয়। এই বিভাগের সদস্য হিসেবে গত শনিবার (৮ জুন) রাতে বারিধারায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন কাওছার আলী ও মনিরুল হক। রাত পৌনে ১২টার দিকে সহকর্মী মনিরুলকে নিজের আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করেন কাওছার। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মনিরুল।
ডিএমপির কর্মকর্তারা কাওছারের উধাও হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনার পরও চাকরিতে বহাল রাখার বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামীম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কনস্টেবল কাওছারের অতীত রেকর্ড আমাদের কাছে রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনই আমরা মন্তব্য করতে চাই না। এখন মন্তব্য করলে কংক্রিট কোনো কিছু হবে না। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে সবকিছু জানানো হবে।’
এদিকে কাওছার আলী ২০১০ সালের ৯ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পাবনার একটি মানসিক চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি ছিলেন। সুরমা মেন্টাল ক্লিনিক প্রাইভেট লিমিটেড নামে ওই চিকিৎসা কেন্দ্রে তিনি পাঁচ দিন ভর্তি থাকার পর ছাড়পত্র পান। ক্লিনিকের পরিচালক মাহমুদুল হিরক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কাওছার আলী সিজোফ্রেনিয়া (ভগ্নমনস্কতা) রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাঁকে চিকিৎসা দেওয়ার পর একটু সুস্থ হলে পরিবার নিয়ে যায়।’
এ ছাড়া তাঁর পরিবার জানিয়েছে, ২০২২ সালে ঢাকার জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ২২ দিন ভর্তি ছিলেন। তখন তিনি ডিএমপির রিজার্ভ ফোর্স ব্যারাকে ছিলেন। সেখান থেকেই সহকর্মীরা তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করান।
কাওছারের ছোট ভাই আশিকুর রহমান, তিনিও ঢাকায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। তিনি বলেন, ‘জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ভর্তির বিষয়টি ডিএমপির রিজার্ভ ব্যারাকের কর্মকর্তারা জানেন।’
তবে গত সোমবারের ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে গেলে ওই ব্যারাকের কেউ মুখ খোলেননি।

রাজধানীর কূটনীতিকপাড়ায় কনস্টেবল মনিরুল হক হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মো. কাওছার আলী একাধিকবার পুলিশের শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধ করেছেন। তিনি অন্তত চারবার কর্মস্থল থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিলেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ টানা ১৫ দিনও অনুপস্থিত ছিলেন। এসব ঘটনায় কাওছার লঘু ও গুরু দণ্ড ভোগ করেছেন।
কর্মস্থল থেকে উধাও হয়ে যাওয়া পুলিশ বিধানে শৃঙ্খলা ভঙ্গের বড় অপরাধ হলেও কাওছারকে বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দিয়ে চাকরিতে বহাল রাখা হয়েছে। কেবল একবার বেতন বৃদ্ধি অস্থায়ীভাবে বন্ধ ছিল। প্রতিবার কর্মস্থলে ফিরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধ করে চাকরিতে বহাল থেকেছেন।
তবে এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মানবিক কারণে তাঁকে চাকরিতে বহাল রাখা হয়েছিল।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০০৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর পুলিশে যোগ দেন কাওছার আলী। যোগদানের দুই বছর পর চাকরি স্থায়ী হয়। এ সময় তিনি রাজশাহী রেঞ্জের বগুড়া জেলায় কর্মরত ছিলেন। এই জেলায় আড়াই বছর চাকরি করেন। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে না বলে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এরপর ২০১৬ সালের নভেম্বরে একবার ৮ দিন, ২০১৭ সালের অক্টোবরে ৫ দিন এবং ২০১৯ সালের মে মাসে অন্তত ১৫ দিন বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।
সর্বশেষ উধাও হওয়ার সময় পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) কর্মরত ছিলেন কাওছার। এ ঘটনায় তাঁকে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁর বেতন বৃদ্ধি অস্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা হয়।
দায়িত্বে ও কর্তব্যে অবহেলা, শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে আগের তিনবার কাওছারকে পুলিশের প্যারেড ডিল (পিডি) শাস্তি দেওয়া হয়। প্রতিবারই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে চাকরি বাঁচিয়েছেন কাওছার। ভবিষ্যতে আর শৃঙ্খলা ভঙ্গের কাজ করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন।
তবে তাঁর সার্ভিস বুকে এসব শাস্তির বিষয় উল্লেখ থাকায় চাকরির ১৮ বছর ৫ মাস ২৭ দিনেও পদোন্নতি পাননি। শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তিনি পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হননি। উল্টো তাঁর বেতন বৃদ্ধি বন্ধ ছিল দুই বছরের বেশি সময়।
এসব ঘটনা কাওছারের পরিবারও জানত। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর। গত সোমবার রাতে কাওছারের মা মাবিয়া খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চাকরিতে কয়েকবার ঝামেলা হয়েছিল। আমরা স্যারদের অনুরোধ করেছি। তারপর তাকে চাকরিতে বহাল করা হয়েছে।’
ডিএমপির সূত্রটি জানিয়েছে, কনস্টেবল কাওছার পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি ইউনিটে চাকরি করেছেন। ২০২২ সালের ২ আগস্ট কাওছার আলীকে ডিএমপির প্রোটেকশন বিভাগ থেকে ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বিভাগে বদলি করা হয়। এই বিভাগের সদস্য হিসেবে গত শনিবার (৮ জুন) রাতে বারিধারায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন কাওছার আলী ও মনিরুল হক। রাত পৌনে ১২টার দিকে সহকর্মী মনিরুলকে নিজের আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করেন কাওছার। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মনিরুল।
ডিএমপির কর্মকর্তারা কাওছারের উধাও হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনার পরও চাকরিতে বহাল রাখার বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামীম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কনস্টেবল কাওছারের অতীত রেকর্ড আমাদের কাছে রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনই আমরা মন্তব্য করতে চাই না। এখন মন্তব্য করলে কংক্রিট কোনো কিছু হবে না। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে সবকিছু জানানো হবে।’
এদিকে কাওছার আলী ২০১০ সালের ৯ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পাবনার একটি মানসিক চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি ছিলেন। সুরমা মেন্টাল ক্লিনিক প্রাইভেট লিমিটেড নামে ওই চিকিৎসা কেন্দ্রে তিনি পাঁচ দিন ভর্তি থাকার পর ছাড়পত্র পান। ক্লিনিকের পরিচালক মাহমুদুল হিরক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কাওছার আলী সিজোফ্রেনিয়া (ভগ্নমনস্কতা) রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাঁকে চিকিৎসা দেওয়ার পর একটু সুস্থ হলে পরিবার নিয়ে যায়।’
এ ছাড়া তাঁর পরিবার জানিয়েছে, ২০২২ সালে ঢাকার জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ২২ দিন ভর্তি ছিলেন। তখন তিনি ডিএমপির রিজার্ভ ফোর্স ব্যারাকে ছিলেন। সেখান থেকেই সহকর্মীরা তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করান।
কাওছারের ছোট ভাই আশিকুর রহমান, তিনিও ঢাকায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। তিনি বলেন, ‘জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ভর্তির বিষয়টি ডিএমপির রিজার্ভ ব্যারাকের কর্মকর্তারা জানেন।’
তবে গত সোমবারের ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে গেলে ওই ব্যারাকের কেউ মুখ খোলেননি।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে