গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী শুক্রবার বৃষ্টি উপেক্ষা করে মহানগরীর দীর্ঘতম ও প্রাচীন মোগর খাল পুনরুদ্ধার এবং খনন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি খালটির কোল ঘেঁষে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ কাদা মাটির পথ হেঁটে ঘুরে ঘুরে কাজের মান যাচাই করেন।
আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস থেকে মোগর খাল পুনরুদ্ধার এবং খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শুরু করেন। তিনি চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত দীর্ঘ পথ হেঁটে কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বৃষ্টির কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পানি জমে জলাবদ্ধতার কারণ এবং প্রতিকার জানার চেষ্টা করেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিটি করপোরেশনের সচিব আমিন আল পারভেজ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, রাসেল, সহকারী প্রকৌশলী আশরাফ হোসেন, মাইদুল ইসলাম, মাহমুদা আক্তার এবং কাজ বাস্তবায়নে সহায়তাদানকারী সেনাবাহিনীর সদস্য ও অন্যান্য বিভাগীয় কর্মকর্তারা।
শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, সেনাবাহিনীর সহায়তায় প্রাথমিকভাবে খাল থেকে ময়লা অপসারণ এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে খালের বিভিন্ন অংশে ভেকু (খননযন্ত্র) পৌঁছানো কঠিন হওয়ায় কিছু জায়গায় খননকাজ ব্যাহত হচ্ছে। এরপর পর্যায়ক্রমে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খালের প্রস্থ বৃদ্ধি করে স্থায়ী সম্প্রসারণ কাজ শুরু হবে।
চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করে প্রশাসক অভিযোগ করেন, বিআরটি প্রকল্পে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ নকশা ও ভুল বাস্তবায়ন এই সমস্যার অন্যতম কারণ। তিনি জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন নিজস্ব উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
প্রশাসক আরও বলেন, ‘এই খাল শুধু একটি পানি চলাচলের পথ নয়, এটি নগরবাসীর ভবিষ্যতের নিরাপত্তা, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য রক্ষার অন্যতম মাধ্যম। আমরা পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখেছি, খালের মধ্যে পলিথিন, লেপ, তোশক, বালিশ, এমনকি গৃহস্থালি সামগ্রীর স্তূপ পাওয়া যাচ্ছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের সকলকে আরও সচেতন হতে হবে।’
এ সময় তিনি নগরবাসীর উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা যদি সচেতন থাকেন, খালের পাশে ময়লা না ফেলেন এবং আমাদের পাশে থাকেন, তবে গাজীপুর একদিন পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে পরিণত হবেই।’
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও পরিবেশবাদীরা জানান, গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে মোগর খালটি পূর্ব চান্দনা, খাইলকুর, হায়দারাবাদ প্রভৃতি এলাকা অতিক্রম করে হায়দারাবাদ খালে মিলিত হয়। পরে এটি নিমতলী খাল হয়ে টঙ্গী নদীতে পতিত হয়। মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে এই খাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি সবচেয়ে বেশি অবৈধ দখল ও দূষণের শিকার। বিভিন্ন কলকারখানার রাসায়নিক বর্জ্য, অবৈধ দখল এবং অযত্ন-অবহেলার কারণে খালটি তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছিল। এ কারণে স্থানীয় এবং ঢাকার বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন ও খালপাড়ের মানুষ এই খালের সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খননের দাবি জানিয়ে আসছিল। এমনি দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গাজীপুর সিটি করপোরেশন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও ময়লা অপসারণের কাজ শুরু করেছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী শুক্রবার বৃষ্টি উপেক্ষা করে মহানগরীর দীর্ঘতম ও প্রাচীন মোগর খাল পুনরুদ্ধার এবং খনন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি খালটির কোল ঘেঁষে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ কাদা মাটির পথ হেঁটে ঘুরে ঘুরে কাজের মান যাচাই করেন।
আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস থেকে মোগর খাল পুনরুদ্ধার এবং খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শুরু করেন। তিনি চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত দীর্ঘ পথ হেঁটে কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বৃষ্টির কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পানি জমে জলাবদ্ধতার কারণ এবং প্রতিকার জানার চেষ্টা করেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিটি করপোরেশনের সচিব আমিন আল পারভেজ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, রাসেল, সহকারী প্রকৌশলী আশরাফ হোসেন, মাইদুল ইসলাম, মাহমুদা আক্তার এবং কাজ বাস্তবায়নে সহায়তাদানকারী সেনাবাহিনীর সদস্য ও অন্যান্য বিভাগীয় কর্মকর্তারা।
শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, সেনাবাহিনীর সহায়তায় প্রাথমিকভাবে খাল থেকে ময়লা অপসারণ এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে খালের বিভিন্ন অংশে ভেকু (খননযন্ত্র) পৌঁছানো কঠিন হওয়ায় কিছু জায়গায় খননকাজ ব্যাহত হচ্ছে। এরপর পর্যায়ক্রমে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খালের প্রস্থ বৃদ্ধি করে স্থায়ী সম্প্রসারণ কাজ শুরু হবে।
চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করে প্রশাসক অভিযোগ করেন, বিআরটি প্রকল্পে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ নকশা ও ভুল বাস্তবায়ন এই সমস্যার অন্যতম কারণ। তিনি জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন নিজস্ব উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
প্রশাসক আরও বলেন, ‘এই খাল শুধু একটি পানি চলাচলের পথ নয়, এটি নগরবাসীর ভবিষ্যতের নিরাপত্তা, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য রক্ষার অন্যতম মাধ্যম। আমরা পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখেছি, খালের মধ্যে পলিথিন, লেপ, তোশক, বালিশ, এমনকি গৃহস্থালি সামগ্রীর স্তূপ পাওয়া যাচ্ছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের সকলকে আরও সচেতন হতে হবে।’
এ সময় তিনি নগরবাসীর উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা যদি সচেতন থাকেন, খালের পাশে ময়লা না ফেলেন এবং আমাদের পাশে থাকেন, তবে গাজীপুর একদিন পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে পরিণত হবেই।’
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও পরিবেশবাদীরা জানান, গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে মোগর খালটি পূর্ব চান্দনা, খাইলকুর, হায়দারাবাদ প্রভৃতি এলাকা অতিক্রম করে হায়দারাবাদ খালে মিলিত হয়। পরে এটি নিমতলী খাল হয়ে টঙ্গী নদীতে পতিত হয়। মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে এই খাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি সবচেয়ে বেশি অবৈধ দখল ও দূষণের শিকার। বিভিন্ন কলকারখানার রাসায়নিক বর্জ্য, অবৈধ দখল এবং অযত্ন-অবহেলার কারণে খালটি তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছিল। এ কারণে স্থানীয় এবং ঢাকার বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন ও খালপাড়ের মানুষ এই খালের সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খননের দাবি জানিয়ে আসছিল। এমনি দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গাজীপুর সিটি করপোরেশন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খালটির সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খনন ও ময়লা অপসারণের কাজ শুরু করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে