চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা থেকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে এসেছিলেন নিক সরকার (২৩)। বাজারের ওয়াপদা রোডের একটি বাসাতে প্রেমিকার সঙ্গে কথাবার্তা চলছিল। এ সময় হাজির হন প্রেমিকার আরেক প্রেমিক গাজী রানা (২৪)। এখানেই ঘটে-বিপত্তি। নিক সরকার ও গাজী রানার মাঝে হাতাহাতি হয়।
একপর্যায়ে প্রেমিক নিক সরকার গাজী রানাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় জনতা গাজী রানাকে উদ্ধার ও নিক সরকারকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
আহত গাজী রানা চৌদ্দগ্রাম পৌর সদরের ফালগুনকরা গ্রামের গাজী বাবুল মিয়ার ছেলে। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় গাজী রানার মা রোমানা বেগম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন।
অপরদিকে নিক সরকার ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত ইউনাইটেড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ও নতুন বাজার ভাটরা এলাকার সবুজ সরকারের ছেলে। গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে চৌদ্দগ্রাম বাজারে ওয়াপদা রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আজকের পত্রিকাকে তথ্যটি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আক্তার-উজ-জামান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত চার বছর আগে ঢাকার নতুন বাজার এলাকায় থাকতেন ফাইজা আক্তার (২০) নামের এক মেয়ে। এ সময় তাঁর সঙ্গে নিক সরকারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঢাকা থেকে মেয়েটি গ্রামের বাড়ি চৌদ্দগ্রামে গেলে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক হয় গাজী রানার সঙ্গে। সৃষ্টি হয় ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনি। এরই মধ্যে মেয়েটি নিক সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেয়। বিষয়টি প্রেমিক নিক সরকার জানতে পেরে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে চৌদ্দগ্রামে আসে। সেখানে ওয়াপদা রোডের একটি বাসায় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
এ সময় গাজী রানা ওই বাসায় আসলে দুই প্রেমিকের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এরই মধ্যে দুজনে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে নিক সরকার নিজের কাছে থাকা চাপাতি দিয়ে গাজী রানাকে কুপিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। গাজী রানার আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেও তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিক সরকারের পিতা সবুজ সরকার বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে মুসলমান ধর্মের ফাইজা নামের একটি মেয়ের সম্পর্ক ছিল। গত দুই বছর আগে মেয়েটির পরিবার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চলে যায়। বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারলাম, ফাইজার সঙ্গে অন্য এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক হয়েছে। নিক বিষয়টি মানতে না পেরে বুধবার ঢাকা থেকে চৌদ্দগ্রামে গিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ওই ছেলেকে কুপিয়ে আহত করেছে বলে শুনেছি।’
সবুজ সরকার আক্ষেপ করে বলেন, ‘ছেলেকে আমি নিষেধ করেছি। আমরা খ্রিষ্টান ধর্মের, মুসলমান ধর্ম তোমাকে মেনে নিবে না। ছেলে কথা শুনল না।’
গুরুতর আহত গাজী রানার মামা অরণ্য বলেন, ‘আমি শুনেছি, গাজী রানাকে ঢাকার একটি ছেলে চাপাতি দিয়ে কুপিয়েছে। তাঁকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছি। ছেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘গুরুতর আহত গাজী রানাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
চৌদ্দগ্রাম থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আক্তার উজ জামান বলেন, ‘নিক সরকার নামে এক যুবককে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে গাজী রানার মা রোমানা বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করে।’

প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা থেকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে এসেছিলেন নিক সরকার (২৩)। বাজারের ওয়াপদা রোডের একটি বাসাতে প্রেমিকার সঙ্গে কথাবার্তা চলছিল। এ সময় হাজির হন প্রেমিকার আরেক প্রেমিক গাজী রানা (২৪)। এখানেই ঘটে-বিপত্তি। নিক সরকার ও গাজী রানার মাঝে হাতাহাতি হয়।
একপর্যায়ে প্রেমিক নিক সরকার গাজী রানাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় জনতা গাজী রানাকে উদ্ধার ও নিক সরকারকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
আহত গাজী রানা চৌদ্দগ্রাম পৌর সদরের ফালগুনকরা গ্রামের গাজী বাবুল মিয়ার ছেলে। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় গাজী রানার মা রোমানা বেগম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন।
অপরদিকে নিক সরকার ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত ইউনাইটেড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ও নতুন বাজার ভাটরা এলাকার সবুজ সরকারের ছেলে। গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে চৌদ্দগ্রাম বাজারে ওয়াপদা রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আজকের পত্রিকাকে তথ্যটি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আক্তার-উজ-জামান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত চার বছর আগে ঢাকার নতুন বাজার এলাকায় থাকতেন ফাইজা আক্তার (২০) নামের এক মেয়ে। এ সময় তাঁর সঙ্গে নিক সরকারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঢাকা থেকে মেয়েটি গ্রামের বাড়ি চৌদ্দগ্রামে গেলে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক হয় গাজী রানার সঙ্গে। সৃষ্টি হয় ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনি। এরই মধ্যে মেয়েটি নিক সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেয়। বিষয়টি প্রেমিক নিক সরকার জানতে পেরে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে চৌদ্দগ্রামে আসে। সেখানে ওয়াপদা রোডের একটি বাসায় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
এ সময় গাজী রানা ওই বাসায় আসলে দুই প্রেমিকের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এরই মধ্যে দুজনে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে নিক সরকার নিজের কাছে থাকা চাপাতি দিয়ে গাজী রানাকে কুপিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। গাজী রানার আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেও তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিক সরকারের পিতা সবুজ সরকার বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে মুসলমান ধর্মের ফাইজা নামের একটি মেয়ের সম্পর্ক ছিল। গত দুই বছর আগে মেয়েটির পরিবার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চলে যায়। বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারলাম, ফাইজার সঙ্গে অন্য এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক হয়েছে। নিক বিষয়টি মানতে না পেরে বুধবার ঢাকা থেকে চৌদ্দগ্রামে গিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ওই ছেলেকে কুপিয়ে আহত করেছে বলে শুনেছি।’
সবুজ সরকার আক্ষেপ করে বলেন, ‘ছেলেকে আমি নিষেধ করেছি। আমরা খ্রিষ্টান ধর্মের, মুসলমান ধর্ম তোমাকে মেনে নিবে না। ছেলে কথা শুনল না।’
গুরুতর আহত গাজী রানার মামা অরণ্য বলেন, ‘আমি শুনেছি, গাজী রানাকে ঢাকার একটি ছেলে চাপাতি দিয়ে কুপিয়েছে। তাঁকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছি। ছেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘গুরুতর আহত গাজী রানাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
চৌদ্দগ্রাম থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আক্তার উজ জামান বলেন, ‘নিক সরকার নামে এক যুবককে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে গাজী রানার মা রোমানা বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করে।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে