প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা)

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় করোনা মহামরিতেও থেমে নেই উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পিত পরিবার গঠনের মাধ্যমে সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এসডিজি অর্জন ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও তাঁদের কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনা মহামারিকালে বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন করে সেবা প্রদান, স্যাটেলাইট ক্লিনিকে সেবাসহ উপজেলার সকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক সেবাদান কার্যক্রম চলমান রেখেছে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। এরই মধ্যে এ বিভাগের সকল কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশনের আওতায় এএমআইএস এ সুপারভিশন ও মনিটরিং করা হচ্ছে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে বিনামূল্যে সপ্তাহে ২৪ ঘণ্টা নরমাল ডেলিভারি সেবা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়াও কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যগত উন্নয়নে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে চালু করা হয়েছে কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্য সেবা কর্নার। ৪৫ দিনের মধ্যে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে সহযোগিতা করে কাজ করে যাচ্ছে এ বিভাগের কর্মীরা।
এছাড়াও কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারিকালে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ২৯৬ জনকে বিনামূল্যে নরমার ডেলিভারি সেবা প্রদান করা হয়েছে। ছয় হাজার ২২৬ জনকে প্রসবোত্তর ও দুই হাজার ৫২৭ জনকে প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদান করা হয়েছে। তা ছাড়া কোভিড উপসর্গ নিয়ে আসা তিন হাজার ৮২৯ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন ও এপিআই কার্যক্রমে এ বিভাগের কর্মীরা অংশ গ্রহণ করে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমরা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ মানুষের দোরগোড়ায় সর্বক্ষণিক সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছি। এ উপজেলায়, এসডিজি অর্জন এবং মাতৃ মৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হ্রাস করতে জিরো হোম ডেলিভারি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।’
মো. ফারুক আহমেদ আরও বলেন, ‘নারী প্রতি গড় সন্তান সংখ্যা ২.০ এ নামিয়ে আনা, পরিবার পরিকল্পনা পরিকল্পনা গ্রহণকারীর হার ৮৫% উন্নীত করা ও ব্যবহারকারীর হার ৬৫% উন্নীত করা হয়েছে। এ ছাড়াও অপূর্ণ চাহিদার হার ৭% এ কমিয়ে আনা, স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি গ্রহীতার হার ২০% এ উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভাগীয় কার্যক্রম চলমান আছে।’

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় করোনা মহামরিতেও থেমে নেই উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পিত পরিবার গঠনের মাধ্যমে সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এসডিজি অর্জন ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও তাঁদের কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনা মহামারিকালে বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন করে সেবা প্রদান, স্যাটেলাইট ক্লিনিকে সেবাসহ উপজেলার সকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক সেবাদান কার্যক্রম চলমান রেখেছে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। এরই মধ্যে এ বিভাগের সকল কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশনের আওতায় এএমআইএস এ সুপারভিশন ও মনিটরিং করা হচ্ছে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে বিনামূল্যে সপ্তাহে ২৪ ঘণ্টা নরমাল ডেলিভারি সেবা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়াও কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যগত উন্নয়নে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে চালু করা হয়েছে কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্য সেবা কর্নার। ৪৫ দিনের মধ্যে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে সহযোগিতা করে কাজ করে যাচ্ছে এ বিভাগের কর্মীরা।
এছাড়াও কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারিকালে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ২৯৬ জনকে বিনামূল্যে নরমার ডেলিভারি সেবা প্রদান করা হয়েছে। ছয় হাজার ২২৬ জনকে প্রসবোত্তর ও দুই হাজার ৫২৭ জনকে প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদান করা হয়েছে। তা ছাড়া কোভিড উপসর্গ নিয়ে আসা তিন হাজার ৮২৯ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন ও এপিআই কার্যক্রমে এ বিভাগের কর্মীরা অংশ গ্রহণ করে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমরা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ মানুষের দোরগোড়ায় সর্বক্ষণিক সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছি। এ উপজেলায়, এসডিজি অর্জন এবং মাতৃ মৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হ্রাস করতে জিরো হোম ডেলিভারি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।’
মো. ফারুক আহমেদ আরও বলেন, ‘নারী প্রতি গড় সন্তান সংখ্যা ২.০ এ নামিয়ে আনা, পরিবার পরিকল্পনা পরিকল্পনা গ্রহণকারীর হার ৮৫% উন্নীত করা ও ব্যবহারকারীর হার ৬৫% উন্নীত করা হয়েছে। এ ছাড়াও অপূর্ণ চাহিদার হার ৭% এ কমিয়ে আনা, স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি গ্রহীতার হার ২০% এ উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভাগীয় কার্যক্রম চলমান আছে।’

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩২ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪৪ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে