কুবি প্রতিনিধি

জুমার নামাজের যাওয়ার পথে ‘সাইড’ চাওয়াকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রায়হান আহমেদ (ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগ-১৩ ব্যাচ) নামাজে যাওয়ার পথে বঙ্গবন্ধু হল গেটের সামনে বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সেলিম আহমেদকে (লোক প্রশাসন বিভাগ-১৪ ব্যাচ) সাইড দিতে বলেন। এ সময় সেলিম আহমেদের কাঁধে ধাক্কা লাগে।
নামাজ শেষে এ নিয়ে সেলিম ও রায়হানের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সেলিম, সেলিমের বন্ধু মাহবুব ও রায়হান উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। দুই হলের শিক্ষার্থীরা জড়ো হলে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় মুসল্লিদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদসহ দুই হলের ছাত্রলীগ নেতারা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সেলিম আহমেদ বলেন, ‘আমি আমার সিনিয়র ভাইয়ের সঙ্গে নামাজে যাচ্ছিলাম। তারপর উনি (রায়হান) এসে আমাকে ধাক্কা মারে এবং তুই বলে সম্বোধন করে। আমি ওনাকে (রায়হান) আগে থেকে চিনতাম না। তারপর নজরুল হলের বড় ভাইদের বলি উনি (রায়হান) কেন আমাকে ধাক্কা মেরেছে? তারপর নামাজ শেষে এসে আমাকে বলে তুই কে? আমাকে চিনোস?’
তবে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রায়হান আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমি নামাজ পড়তে যাচ্ছিলাম। তারা তিন-চার জন রাস্তায় দাঁড়িয়ে গল্প করছিল। আমি শুধু বলেছি যে, একটু সাইড দেন নামাজে যাব। এখানে ধাক্কা দেওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
এই ঘটনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ বলেন, ‘আমি নামাজ পড়ে বের হয়ে দেখি দুই হলের ছেলেদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। আমি তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি সামাল দেই। পরবর্তীতে আমরা মীমাংসায় বসে মূল ঘটনা জেনে এর সুষ্ঠু সমাধান করব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, ‘বিষয়টা জানতে পেরে আমরা প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। যেহেতু বিষয়টা সমাধান হয়ে গেছে, তারপরও আমরা এটা নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলব। আসলে নামাজের পর এমন ঘটনা মোটেও কাম্য নয়।’

জুমার নামাজের যাওয়ার পথে ‘সাইড’ চাওয়াকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রায়হান আহমেদ (ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগ-১৩ ব্যাচ) নামাজে যাওয়ার পথে বঙ্গবন্ধু হল গেটের সামনে বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সেলিম আহমেদকে (লোক প্রশাসন বিভাগ-১৪ ব্যাচ) সাইড দিতে বলেন। এ সময় সেলিম আহমেদের কাঁধে ধাক্কা লাগে।
নামাজ শেষে এ নিয়ে সেলিম ও রায়হানের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সেলিম, সেলিমের বন্ধু মাহবুব ও রায়হান উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। দুই হলের শিক্ষার্থীরা জড়ো হলে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় মুসল্লিদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদসহ দুই হলের ছাত্রলীগ নেতারা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সেলিম আহমেদ বলেন, ‘আমি আমার সিনিয়র ভাইয়ের সঙ্গে নামাজে যাচ্ছিলাম। তারপর উনি (রায়হান) এসে আমাকে ধাক্কা মারে এবং তুই বলে সম্বোধন করে। আমি ওনাকে (রায়হান) আগে থেকে চিনতাম না। তারপর নজরুল হলের বড় ভাইদের বলি উনি (রায়হান) কেন আমাকে ধাক্কা মেরেছে? তারপর নামাজ শেষে এসে আমাকে বলে তুই কে? আমাকে চিনোস?’
তবে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রায়হান আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমি নামাজ পড়তে যাচ্ছিলাম। তারা তিন-চার জন রাস্তায় দাঁড়িয়ে গল্প করছিল। আমি শুধু বলেছি যে, একটু সাইড দেন নামাজে যাব। এখানে ধাক্কা দেওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
এই ঘটনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ বলেন, ‘আমি নামাজ পড়ে বের হয়ে দেখি দুই হলের ছেলেদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। আমি তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি সামাল দেই। পরবর্তীতে আমরা মীমাংসায় বসে মূল ঘটনা জেনে এর সুষ্ঠু সমাধান করব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, ‘বিষয়টা জানতে পেরে আমরা প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। যেহেতু বিষয়টা সমাধান হয়ে গেছে, তারপরও আমরা এটা নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলব। আসলে নামাজের পর এমন ঘটনা মোটেও কাম্য নয়।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৯ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে