কুমিল্লা প্রতিনিধি

এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে পরীক্ষার কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করায় কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বাতাইছড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের চার শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আজ শনিবার এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই চার শিক্ষক বাতাইছড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষেধ থাকা সত্ত্বেও মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করেন। তাঁদের কক্ষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেন কেন্দ্রসচিব মোহাম্মদ উল্লাহ।
প্রত্যাহার করা শিক্ষকেরা হলেন মুগগাঁও আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল হোসেন চৌধুরী, হরিপুর আগানগর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রবিউল আউয়াল, মো. হাসান সাইদ ও শিলমুড়ি রাজ রাজেশ্বরী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জয় চন্দ্র দে। এ ছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় একই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী মো. আরমান হোসাইন উজ্জ্বলকে বহিষ্কার করা হয়।
মুগগাঁও আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘তাড়াহুড়া করে পরীক্ষার হলে যেতে গিয়ে ভুলবশত মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করি। মোবাইল ফোনের বিষয়টি খেয়াল ছিল না।’
বাতাইছড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের কেন্দ্রসচিব মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, ‘পরীক্ষার কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা নিষেধ আছে। তাঁরা চারজনই মোবাইল নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন ও দায়িত্বে অবহেলা করেছেন। তাই তাঁদের এবারের এসএসসির সকল পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এ মর্মে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে কারণ দর্শানো হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা আফরিন মুস্তাফা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালীন আমরা বিভিন্ন কেন্দ্রে পরিদর্শনে যাই। পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করায় ওই চার শিক্ষককে প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্রসচিবকে বলা হয়েছে।’

এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে পরীক্ষার কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করায় কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বাতাইছড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের চার শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আজ শনিবার এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই চার শিক্ষক বাতাইছড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষেধ থাকা সত্ত্বেও মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করেন। তাঁদের কক্ষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেন কেন্দ্রসচিব মোহাম্মদ উল্লাহ।
প্রত্যাহার করা শিক্ষকেরা হলেন মুগগাঁও আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল হোসেন চৌধুরী, হরিপুর আগানগর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রবিউল আউয়াল, মো. হাসান সাইদ ও শিলমুড়ি রাজ রাজেশ্বরী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জয় চন্দ্র দে। এ ছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় একই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী মো. আরমান হোসাইন উজ্জ্বলকে বহিষ্কার করা হয়।
মুগগাঁও আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘তাড়াহুড়া করে পরীক্ষার হলে যেতে গিয়ে ভুলবশত মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করি। মোবাইল ফোনের বিষয়টি খেয়াল ছিল না।’
বাতাইছড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের কেন্দ্রসচিব মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, ‘পরীক্ষার কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা নিষেধ আছে। তাঁরা চারজনই মোবাইল নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন ও দায়িত্বে অবহেলা করেছেন। তাই তাঁদের এবারের এসএসসির সকল পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এ মর্মে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে কারণ দর্শানো হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা আফরিন মুস্তাফা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালীন আমরা বিভিন্ন কেন্দ্রে পরিদর্শনে যাই। পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করায় ওই চার শিক্ষককে প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্রসচিবকে বলা হয়েছে।’

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে