কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় সাবেক অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম মুস্তফা কামাল ও নাঙ্গলকোট থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুলসহ ৮৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন এক আইনজীবী। আজ বৃহস্পতিবার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৫ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটি করেন আইনজীবী মো. একরামুল হক মজুমদার। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার আশারকোট এলাকার খিদর আলীর ছেলে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার আরেক আইনজীবী কাইয়ুমুল হক রিংকু। মামলাটি আমলে নিয়ে থানা-পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৫ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দিক।
মামলায় ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ৪০–৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, নাঙ্গলকোট থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ, তাঁর ছেলে যুবলীগ সমর্থক মো. মঈন উদ্দিন, নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম রুবেল, আওয়ামী লীগের উপজেলার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, আওয়ামী লীগ সমর্থক মো. শাহজাহান, মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার সাবেক ওসি নজরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ সমর্থক আবু ইসহাক, হান্নান, ফরাদ, ইমরান, মো. নোমান, মো. সাইফুল, তুহিন।
মামলার বাদী আইনজীবী একরামুল হক মজুমদার বলেন, ২০১৮ সালের ৩৩ ডিসেম্বর নাঙ্গলকোটের আশারকোটা এলাকায় এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। ওই সময় অভিযুক্তরা রামদা, ছেনি, পিস্তল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ককটেল ফাটিয়ে হামলা করে এই আইনজীবী ও আশপাশের নেতাকর্মীদের ওপর। এ সময় তাঁর গাড়ি ভাঙচুর ও তাঁকে পিটিয়ে আহত করে। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মারধর করে তাদের মোবাইল ও টাকা পয়সা রেখে দেন তারা। এ ঘটনা থানায় গিয়ে অভিযোগ করলেও ওসি নজরুল ইসলাম মামলা নেয়নি। উল্টো তিনি তাঁকে মিথ্যা মামলা দেওয়ার হুমকি দেন। পরে থানার ওসির নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ অফিস ও দোকানপাট ভাঙচুর করে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করে।
তিনি আরও বলেন, ‘আদালতে আসলেও সেখানে আমি একজন আইনজীবী হওয়া স্বত্বেও আমাকে হেনস্তা করা হয় এবং মামলা নেওয়া হয়নি। স্বৈরাচারের পদত্যাগের পর আমরা মামলা করার সিদ্ধান্ত নেই। আজ মামলা করেছি। আশাবাদী, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত হয়ে দ্রুতই আসামিদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’

কুমিল্লায় সাবেক অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম মুস্তফা কামাল ও নাঙ্গলকোট থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুলসহ ৮৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন এক আইনজীবী। আজ বৃহস্পতিবার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৫ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটি করেন আইনজীবী মো. একরামুল হক মজুমদার। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার আশারকোট এলাকার খিদর আলীর ছেলে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার আরেক আইনজীবী কাইয়ুমুল হক রিংকু। মামলাটি আমলে নিয়ে থানা-পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৫ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দিক।
মামলায় ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ৪০–৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, নাঙ্গলকোট থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ, তাঁর ছেলে যুবলীগ সমর্থক মো. মঈন উদ্দিন, নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম রুবেল, আওয়ামী লীগের উপজেলার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, আওয়ামী লীগ সমর্থক মো. শাহজাহান, মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার সাবেক ওসি নজরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ সমর্থক আবু ইসহাক, হান্নান, ফরাদ, ইমরান, মো. নোমান, মো. সাইফুল, তুহিন।
মামলার বাদী আইনজীবী একরামুল হক মজুমদার বলেন, ২০১৮ সালের ৩৩ ডিসেম্বর নাঙ্গলকোটের আশারকোটা এলাকায় এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। ওই সময় অভিযুক্তরা রামদা, ছেনি, পিস্তল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ককটেল ফাটিয়ে হামলা করে এই আইনজীবী ও আশপাশের নেতাকর্মীদের ওপর। এ সময় তাঁর গাড়ি ভাঙচুর ও তাঁকে পিটিয়ে আহত করে। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মারধর করে তাদের মোবাইল ও টাকা পয়সা রেখে দেন তারা। এ ঘটনা থানায় গিয়ে অভিযোগ করলেও ওসি নজরুল ইসলাম মামলা নেয়নি। উল্টো তিনি তাঁকে মিথ্যা মামলা দেওয়ার হুমকি দেন। পরে থানার ওসির নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ অফিস ও দোকানপাট ভাঙচুর করে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করে।
তিনি আরও বলেন, ‘আদালতে আসলেও সেখানে আমি একজন আইনজীবী হওয়া স্বত্বেও আমাকে হেনস্তা করা হয় এবং মামলা নেওয়া হয়নি। স্বৈরাচারের পদত্যাগের পর আমরা মামলা করার সিদ্ধান্ত নেই। আজ মামলা করেছি। আশাবাদী, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত হয়ে দ্রুতই আসামিদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে