কুমিল্লা প্রতিনিধি

ডাকাত সন্দেহে কুমিল্লার মুরাদনগরে গণধোলাইয়ে দুই যুবক নিহত হওয়ার চার দিন পর কুমিল্লার আদালতে মামলা হয়েছে। নিহত নুরে আলমের বাবা আব্দুস সালাম বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেছেন।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জামাল হোসেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জামাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লার ৮ নম্বর (মুরাদনগর) আমলি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মামলাটি আমলে নিয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নথিভুক্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে এ হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কাজিয়াতল এলাকার কাজিয়াতল-কৃষ্ণপুর সড়কে মানববন্ধন করে নুরে আলমের হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিহত ইসমাইল হোসেনের পরিবারের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে ডাকাত সন্দেহের ঘটনা সাজিয়ে এই হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
উল্লেখ্য, গত ১২ জানুয়ারি রাতে কুমিল্লার মুরাদনগরে ডাকাত সন্দেহে তিন যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয় পালাসুতা গ্রামবাসী। এতে দুজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন একজন।
নিহতেরা হলেন—নুরু মিয়া (২৮)। তিনি উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে। অন্যজন নুরু মিয়ার বন্ধু ইসমাইল হোসেন (২৭)। তিনি উপজেলার পালাসুতা গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। তাঁদের আরেক বন্ধু শাহজাহান (২৮) গুরুতর আহত হয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি সদর দক্ষিণ থানার বাগমারা গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে।

ডাকাত সন্দেহে কুমিল্লার মুরাদনগরে গণধোলাইয়ে দুই যুবক নিহত হওয়ার চার দিন পর কুমিল্লার আদালতে মামলা হয়েছে। নিহত নুরে আলমের বাবা আব্দুস সালাম বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেছেন।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জামাল হোসেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জামাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লার ৮ নম্বর (মুরাদনগর) আমলি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মামলাটি আমলে নিয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নথিভুক্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে এ হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কাজিয়াতল এলাকার কাজিয়াতল-কৃষ্ণপুর সড়কে মানববন্ধন করে নুরে আলমের হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিহত ইসমাইল হোসেনের পরিবারের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে ডাকাত সন্দেহের ঘটনা সাজিয়ে এই হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
উল্লেখ্য, গত ১২ জানুয়ারি রাতে কুমিল্লার মুরাদনগরে ডাকাত সন্দেহে তিন যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয় পালাসুতা গ্রামবাসী। এতে দুজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন একজন।
নিহতেরা হলেন—নুরু মিয়া (২৮)। তিনি উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে। অন্যজন নুরু মিয়ার বন্ধু ইসমাইল হোসেন (২৭)। তিনি উপজেলার পালাসুতা গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। তাঁদের আরেক বন্ধু শাহজাহান (২৮) গুরুতর আহত হয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি সদর দক্ষিণ থানার বাগমারা গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে