কুমিল্লা প্রতিনিধি

নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেছেন, ‘কে নির্বাচনে আসবে, কে আসবে না—এটা দেখা আমাদের দায়িত্ব না। আমাদের নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে। সেভাবেই তফসিল দিয়েছি। নির্বাচনে আসা না আসা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। নির্বাচন থেকে পিছিয়ে যাওয়ার আমাদের সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না হলে একটি সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। যা কারোরই কাম্য না। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্য আমাদের নির্বাচন দরকার।’
আজ বুধবার দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি এ মতবিনিময় সভা করেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে আমরা পিছপা হব না। এ জন্য যা যা করণীয় সবই করা হবে।’
ইসি আনিছুর রহমান আরও বলেন, ‘বিএনপিসহ অন্য কোনো রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনে আসতে চায় তাহলে সুযোগ আছে। ইতিমধ্যে ৪৪টি নিবন্ধিত দল নিয়ে আমরা নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সে রকম নির্দেশনা দেওয়া আছে। নির্বাচনে যদি আর কোনো দল নাও আসে সংবিধান মেনে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
বিএনপিসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান কর্মসূচিতে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না—এমন প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মঞ্জুরুল হাফিজ, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, কুমিল্লার জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসেন, চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেছেন, ‘কে নির্বাচনে আসবে, কে আসবে না—এটা দেখা আমাদের দায়িত্ব না। আমাদের নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে। সেভাবেই তফসিল দিয়েছি। নির্বাচনে আসা না আসা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। নির্বাচন থেকে পিছিয়ে যাওয়ার আমাদের সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না হলে একটি সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। যা কারোরই কাম্য না। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্য আমাদের নির্বাচন দরকার।’
আজ বুধবার দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি এ মতবিনিময় সভা করেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে আমরা পিছপা হব না। এ জন্য যা যা করণীয় সবই করা হবে।’
ইসি আনিছুর রহমান আরও বলেন, ‘বিএনপিসহ অন্য কোনো রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনে আসতে চায় তাহলে সুযোগ আছে। ইতিমধ্যে ৪৪টি নিবন্ধিত দল নিয়ে আমরা নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সে রকম নির্দেশনা দেওয়া আছে। নির্বাচনে যদি আর কোনো দল নাও আসে সংবিধান মেনে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
বিএনপিসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান কর্মসূচিতে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না—এমন প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মঞ্জুরুল হাফিজ, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, কুমিল্লার জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসেন, চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে