কক্সবাজার প্রতিনিধি

তিন দিনের জলকেলি বা সাংগ্রাই পোয়ে উৎসবে মেতেছে কক্সবাজারে রাখাইন সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীরা। গতকাল বুধবার জেলার আট উপজেলায় শুরু হওয়া এ উৎসব আগামীকাল শুক্রবার মঙ্গল প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
রাখাইন সম্প্রদায় প্রতি বছর বৈশাখের সঙ্গে রাখাইন অব্দ (মগীসন) উদ্যাপন করে। পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে তারা পয়লা বৈশাখ থেকে সাত দিনব্যাপী এ উৎসব পালন করে থাকে।
এ জনগোষ্ঠীর নাগরিকেরা জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টায় রাখাইন অব্দের ১৩৮৫ বিদায় নিয়েছে এবং ১৩৮৬ অব্দ শুরু হয়েছে। পুরোনো বছরে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নতুন বছরে যাতে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারেন-তার জন্য এ উৎসব ভূমিকা রাখে।
এ সময় রাখাইনদের ঘরে ঘরে উৎসব ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়। নারী-পুরুষেরা দল বেঁধে মন্দিরে গিয়ে বুদ্ধস্নানের মাধ্যমে সামনের বছর দুর্দশা থেকে মুক্তিলাভের প্রার্থনা করেন। এ উৎসব চলাকালে রাখাইন তরুণ-তরুণীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে সেজেগুজে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে উৎসব পালন করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, জলকেলি উৎসবকে ঘিরে কক্সবাজার শহরের টেকপাড়া, চাউলবাজার, বৌদ্ধমন্দির সড়ক, বড় বাজারের রাখাইনপল্লিতে অন্তত ২০টি মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি সদরের চৌফলদণ্ডী ও খুরুশকুল, মহেশখালী, টেকনাফ, রামু, চকরিয়া পেকুয়ায় শতাধিক মণ্ডপে চলছে জলকেলি উৎসব।
শহরের টেকপাড়ায় দেখা যায়, শামিয়ানা টাঙানো বিশাল প্যান্ডেল। প্যান্ডেলের একপাশে নৌকাভর্তি পানি নিয়ে সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে আছেন রাখাইন তরুণীরা। পাশেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল। নানা বয়সের মানুষের আনাগোনা উৎসবস্থলে। দল বেঁধে রাখাইন তরুণেরা নৌকার পাশ দিয়ে যেতেই তরুণীরা পানি ছিটিয়ে মারছে। জবাবে তরুণেরাও পানি ছুটে মারছে।
এ সময় নেচে গেয়ে এক মণ্ডপ থেকে আরেক মণ্ডপে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তরুণ-তরুণীরা।
উৎসবে আসা নীলা রাখাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি আমাদের প্রাণের উৎসব। মঙ্গল জলে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর অনুভূতি অন্যরকম।’
বৌদ্ধমন্দির সড়কের মং হ্লা রাখাইন জানান, সাংগ্রাই পোয়েই তাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। জেলার আট উপজেলার রাখাইন পল্লির ঘরে ঘরে এ উৎসব চলছে।
জলকেলির এ উৎসবে প্রতিবছর সহযোগিতা দিয়ে আসছে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এ কেন্দ্রের পরিচালক ও রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মং চেং হ্লা বলেন, ‘খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে জেলার ৪০ হাজার রাখাইন তিন দিনের এই জলকেলিতে বা সাংগ্রাই উৎসবে মেতেছেন। শুক্রবার মঙ্গল প্রার্থনায় এ উৎসব শেষ হবে।’
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম জানান, রাখাইন সম্প্রদায়ের অন্যতম এই উৎসব যেন শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন হয় এ জন্য পুলিশ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

তিন দিনের জলকেলি বা সাংগ্রাই পোয়ে উৎসবে মেতেছে কক্সবাজারে রাখাইন সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীরা। গতকাল বুধবার জেলার আট উপজেলায় শুরু হওয়া এ উৎসব আগামীকাল শুক্রবার মঙ্গল প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
রাখাইন সম্প্রদায় প্রতি বছর বৈশাখের সঙ্গে রাখাইন অব্দ (মগীসন) উদ্যাপন করে। পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে তারা পয়লা বৈশাখ থেকে সাত দিনব্যাপী এ উৎসব পালন করে থাকে।
এ জনগোষ্ঠীর নাগরিকেরা জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টায় রাখাইন অব্দের ১৩৮৫ বিদায় নিয়েছে এবং ১৩৮৬ অব্দ শুরু হয়েছে। পুরোনো বছরে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নতুন বছরে যাতে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারেন-তার জন্য এ উৎসব ভূমিকা রাখে।
এ সময় রাখাইনদের ঘরে ঘরে উৎসব ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়। নারী-পুরুষেরা দল বেঁধে মন্দিরে গিয়ে বুদ্ধস্নানের মাধ্যমে সামনের বছর দুর্দশা থেকে মুক্তিলাভের প্রার্থনা করেন। এ উৎসব চলাকালে রাখাইন তরুণ-তরুণীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে সেজেগুজে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে উৎসব পালন করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, জলকেলি উৎসবকে ঘিরে কক্সবাজার শহরের টেকপাড়া, চাউলবাজার, বৌদ্ধমন্দির সড়ক, বড় বাজারের রাখাইনপল্লিতে অন্তত ২০টি মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি সদরের চৌফলদণ্ডী ও খুরুশকুল, মহেশখালী, টেকনাফ, রামু, চকরিয়া পেকুয়ায় শতাধিক মণ্ডপে চলছে জলকেলি উৎসব।
শহরের টেকপাড়ায় দেখা যায়, শামিয়ানা টাঙানো বিশাল প্যান্ডেল। প্যান্ডেলের একপাশে নৌকাভর্তি পানি নিয়ে সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে আছেন রাখাইন তরুণীরা। পাশেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল। নানা বয়সের মানুষের আনাগোনা উৎসবস্থলে। দল বেঁধে রাখাইন তরুণেরা নৌকার পাশ দিয়ে যেতেই তরুণীরা পানি ছিটিয়ে মারছে। জবাবে তরুণেরাও পানি ছুটে মারছে।
এ সময় নেচে গেয়ে এক মণ্ডপ থেকে আরেক মণ্ডপে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তরুণ-তরুণীরা।
উৎসবে আসা নীলা রাখাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি আমাদের প্রাণের উৎসব। মঙ্গল জলে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর অনুভূতি অন্যরকম।’
বৌদ্ধমন্দির সড়কের মং হ্লা রাখাইন জানান, সাংগ্রাই পোয়েই তাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। জেলার আট উপজেলার রাখাইন পল্লির ঘরে ঘরে এ উৎসব চলছে।
জলকেলির এ উৎসবে প্রতিবছর সহযোগিতা দিয়ে আসছে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এ কেন্দ্রের পরিচালক ও রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মং চেং হ্লা বলেন, ‘খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে জেলার ৪০ হাজার রাখাইন তিন দিনের এই জলকেলিতে বা সাংগ্রাই উৎসবে মেতেছেন। শুক্রবার মঙ্গল প্রার্থনায় এ উৎসব শেষ হবে।’
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম জানান, রাখাইন সম্প্রদায়ের অন্যতম এই উৎসব যেন শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন হয় এ জন্য পুলিশ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে