নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিভিন্ন কোম্পানির বিলবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে। এসব বিলবোর্ডগুলোর মাধ্যমে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এমন শঙ্কা প্রকাশ করে বিলবোর্ড অপসারণের জন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে রেলওয়ে প্রশাসন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরানকে এই চিঠি দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা–চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন একটি আধুনিক সুবিধা সংবলিত স্টেশন। যার সামনে পার্কিং ও ঝিনুক আকৃতির পানির ফোয়ারা স্টেশনের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কক্সবাজার স্টেশনের সীমানার বাইরে স্টেশন সংলগ্ন আবাসিক ভবনে ঝুঁকিপূর্ণ বিল বোর্ড স্থাপন করার ফলে স্টেশনের সৌন্দর্য বিঘ্নিত হচ্ছে।
চিঠিতে উল্লেখ আরও উল্লেখ করা হয়, এ ছাড়া ঝোড়ো আবহাওয়ায় তথা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ডগুলো ভেঙে যেতে পারে বা ঝোড়ো বাতাসে বিল বোর্ডগুলো উড়ে গিয়ে কক্সবাজার স্টেশন ভবনে আঘাতের পাশাপাশি যত্রতত্র পড়ে জান-মালের ক্ষতিসহ বড় দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি রয়েছে।
তাই কক্সবাজার স্টেশনের সৌন্দর্য রক্ষা, ভবনের ক্ষয়ক্ষতি ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার লক্ষ্যে স্টেশনের সীমানার বাইরে আবাসিক ভবন এবং রাস্তার পাশে স্থাপিত ঝুঁকিপূর্ণ বিল বোর্ডগুলো জরুরি ভিত্তিতে অপসারণ করা প্রয়োজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) তারেক মো. ইমরান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ছয়তলা বিশিষ্ট আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের পাশে বিলবোর্ড সৌন্দর্যহানি করবে। কারণ স্টেশনটি বাংলাদেশের প্রথম আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন। এই স্টেশনের পাশের সড়ক দিয়ে হাজার হাজার যাত্রী চলাচল করছে। তাই ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিলবোর্ড অপসারণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরানকে একাধিকবার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিভিন্ন কোম্পানির বিলবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে। এসব বিলবোর্ডগুলোর মাধ্যমে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এমন শঙ্কা প্রকাশ করে বিলবোর্ড অপসারণের জন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে রেলওয়ে প্রশাসন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরানকে এই চিঠি দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা–চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন একটি আধুনিক সুবিধা সংবলিত স্টেশন। যার সামনে পার্কিং ও ঝিনুক আকৃতির পানির ফোয়ারা স্টেশনের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কক্সবাজার স্টেশনের সীমানার বাইরে স্টেশন সংলগ্ন আবাসিক ভবনে ঝুঁকিপূর্ণ বিল বোর্ড স্থাপন করার ফলে স্টেশনের সৌন্দর্য বিঘ্নিত হচ্ছে।
চিঠিতে উল্লেখ আরও উল্লেখ করা হয়, এ ছাড়া ঝোড়ো আবহাওয়ায় তথা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ডগুলো ভেঙে যেতে পারে বা ঝোড়ো বাতাসে বিল বোর্ডগুলো উড়ে গিয়ে কক্সবাজার স্টেশন ভবনে আঘাতের পাশাপাশি যত্রতত্র পড়ে জান-মালের ক্ষতিসহ বড় দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি রয়েছে।
তাই কক্সবাজার স্টেশনের সৌন্দর্য রক্ষা, ভবনের ক্ষয়ক্ষতি ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার লক্ষ্যে স্টেশনের সীমানার বাইরে আবাসিক ভবন এবং রাস্তার পাশে স্থাপিত ঝুঁকিপূর্ণ বিল বোর্ডগুলো জরুরি ভিত্তিতে অপসারণ করা প্রয়োজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) তারেক মো. ইমরান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ছয়তলা বিশিষ্ট আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের পাশে বিলবোর্ড সৌন্দর্যহানি করবে। কারণ স্টেশনটি বাংলাদেশের প্রথম আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন। এই স্টেশনের পাশের সড়ক দিয়ে হাজার হাজার যাত্রী চলাচল করছে। তাই ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিলবোর্ড অপসারণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরানকে একাধিকবার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে