কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে সরকারপন্থী প্যানেলের ভরাডুবি হয়েছে। নির্বাচনে ১৭টি পদে সরকারপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ থেকে বিজয়ী হয়েছেন সাধারণ সম্পাদকসহ মাত্র চারজন প্রার্থী।
অপরদিকে সভাপতিসহ ১৩ পদে বিজয়ী হয়েছে সরকারবিরোধী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেল।
গতকাল শনিবার সমিতির জেলা সদর ও চকরিয়া আইনজীবী সমিতি ভবনের ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ করা হয়। সমিতির ১৭টি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই প্যানেলের ৩৪ প্রার্থী।
নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেলের মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ প্যানেলের ইকবালুর রশিদ আমিন সোহেল (বর্তমান সভাপতি) পান ৩৮২ ভোট।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ৪৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ প্যানেলের জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মো. তারেক। এ পদে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেলের তাহের আহমদ সিকদার পান ৩২৭ ভোট।
আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেলের অন্য পদে বিজয়ীরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মোহাম্মদ কাসেম আলী, সহ-সভাপতি পদে নাজিম উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (হিসাব) পদে মাহবুবুল আলম টিপু, পাঠাগার ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক পদে মোহাম্মদ শাহীন এবং সদস্য পদে মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, মোহাম্মদ আমির হোসাইন, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-১, মোহাম্মদ তাওহীদুল আনোয়ার, এমএম ইমরুল শরীফ, শওকত ওসমান, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ প্যানেলে অন্য পদে বিজয়ীরা হলেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ) নুরুল ইসলাম সায়েম, ক্রীড়া, আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফরহাদ আহমদ এবং নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ইসহাক।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ বাকের ফলাফল ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে সরকারপন্থী প্যানেলের ভরাডুবি হয়েছে। নির্বাচনে ১৭টি পদে সরকারপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ থেকে বিজয়ী হয়েছেন সাধারণ সম্পাদকসহ মাত্র চারজন প্রার্থী।
অপরদিকে সভাপতিসহ ১৩ পদে বিজয়ী হয়েছে সরকারবিরোধী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেল।
গতকাল শনিবার সমিতির জেলা সদর ও চকরিয়া আইনজীবী সমিতি ভবনের ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ করা হয়। সমিতির ১৭টি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই প্যানেলের ৩৪ প্রার্থী।
নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেলের মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ প্যানেলের ইকবালুর রশিদ আমিন সোহেল (বর্তমান সভাপতি) পান ৩৮২ ভোট।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ৪৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ প্যানেলের জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মো. তারেক। এ পদে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেলের তাহের আহমদ সিকদার পান ৩২৭ ভোট।
আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেলের অন্য পদে বিজয়ীরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মোহাম্মদ কাসেম আলী, সহ-সভাপতি পদে নাজিম উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (হিসাব) পদে মাহবুবুল আলম টিপু, পাঠাগার ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক পদে মোহাম্মদ শাহীন এবং সদস্য পদে মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, মোহাম্মদ আমির হোসাইন, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-১, মোহাম্মদ তাওহীদুল আনোয়ার, এমএম ইমরুল শরীফ, শওকত ওসমান, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ প্যানেলে অন্য পদে বিজয়ীরা হলেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ) নুরুল ইসলাম সায়েম, ক্রীড়া, আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফরহাদ আহমদ এবং নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ইসহাক।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ বাকের ফলাফল ঘোষণা করেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে