কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতাসহ তাঁর ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার ভোরে নজর আলী মাতবরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে মারধরের শিকার হন সাংবাদিক মিজানুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার কুতুবদিয়ার প্রতিনিধি ছিলেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবর ও তাঁর ভাই মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম। তাঁরা উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের নজর আলী মাতবরপাড়ার মৃত আবুল কাশেম মাতবরের ছেলে।
মারধরের শিকার সাংবাদিক ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের মলমচর এলাকায় একটি অসহায় পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানোসহ ওই পরিবারকে হুমকি দেন আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব। দৃশ্যটি ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য ভিডিও করেন। পরে এটি প্রচার করেন ওই সাংবাদিক। এর জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে মারধর ও হুমকির ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মফিজুর রহমান গত শুক্রবার বাদী হয়ে মামলা করেন।
মারধরের শিকার সাংবাদিক মিজানুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবর, তাঁর দুই ভাই আজমগীর মাতবর ও মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং তাঁদের ছেলে আরিফ বিন রিনাস, সানজো রাকিব, মো. মোজাহিদ, মো. নিহাল উদ্দিন, মুহিদুল হাসান হান্নানসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জন পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় মারধর করেন। এ সময় জ্ঞান হারিয়ে যাওয়ায় আর কিছু বলতে পারি না। আওরঙ্গজেব মাতবরের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। গতকাল শনিবার ৯ জনকে আসামি করে কুতুবদিয়া থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেছি।’
কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির বলেন, সাংবাদিকক হত্যাচেষ্টার মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব ও তাঁর ভাই মোজাহিদুল ইসলাম সেলিমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতাসহ তাঁর ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার ভোরে নজর আলী মাতবরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে মারধরের শিকার হন সাংবাদিক মিজানুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার কুতুবদিয়ার প্রতিনিধি ছিলেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবর ও তাঁর ভাই মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম। তাঁরা উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের নজর আলী মাতবরপাড়ার মৃত আবুল কাশেম মাতবরের ছেলে।
মারধরের শিকার সাংবাদিক ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের মলমচর এলাকায় একটি অসহায় পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানোসহ ওই পরিবারকে হুমকি দেন আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব। দৃশ্যটি ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য ভিডিও করেন। পরে এটি প্রচার করেন ওই সাংবাদিক। এর জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে মারধর ও হুমকির ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মফিজুর রহমান গত শুক্রবার বাদী হয়ে মামলা করেন।
মারধরের শিকার সাংবাদিক মিজানুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবর, তাঁর দুই ভাই আজমগীর মাতবর ও মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং তাঁদের ছেলে আরিফ বিন রিনাস, সানজো রাকিব, মো. মোজাহিদ, মো. নিহাল উদ্দিন, মুহিদুল হাসান হান্নানসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জন পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় মারধর করেন। এ সময় জ্ঞান হারিয়ে যাওয়ায় আর কিছু বলতে পারি না। আওরঙ্গজেব মাতবরের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। গতকাল শনিবার ৯ জনকে আসামি করে কুতুবদিয়া থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেছি।’
কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির বলেন, সাংবাদিকক হত্যাচেষ্টার মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব ও তাঁর ভাই মোজাহিদুল ইসলাম সেলিমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি এ রায় ঘোষণা করেন।
৪ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকের টানানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের...
১০ মিনিট আগে
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর হয়েছে।
২২ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন। তাতে দেশের বিদ্যমান আইনে কোনো বাধা নেই। কারণ, আপনারা ভোটার, আপনাদের নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পছন্দ থাকবেই, থাকারই কথা। আপনারা নাগরিকদের উৎসাহিত করেন। সাদা ব্যালটে যেন তাঁরা
২৮ মিনিট আগে