
কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার উত্তর জালিয়াপাড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে ইমদাদ হোসেন (৪৭) নামের এক পানের দোকানদারকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ইমদাদ ওই এলাকার মৃত আলী হোসেনের ছেলে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা কামাল হোসেন নামে এক অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোররাত ৩টার দিকে নিহতের বাড়ির সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হিমেল রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার রাতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মদপানকে কেন্দ্র করে ইমদাদের সঙ্গে একই এলাকার আব্দুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর ইমদাদ তাঁর দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে সন্ত্রাসীরা তাঁর গতি রোধ করে প্রথমে এলোপাতাড়ি কোপায়। এরপর উমর ছিদ্দিক মেম্বারের বাড়ির কাছে সড়কে ফেলে তাঁকে গলা কেটে হত্যা করে। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
ইমদাদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসিফ আলভী তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল।
নিহতের ছোট ভাই শামসু আলম অভিযোগ করেন, কামাল হোসেন ও নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে আব্দুর রহমান, মো. ইসমাইল, মো. শফিক, মো. হামিদ ও সৈয়দ আলমসহ আরও চার-পাঁচজন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
ওসি (তদন্ত) আরও জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে এবং এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মহাসড়কের ওপর একটি খালি ট্রাক ইউ-টার্ন নেওয়ার সময় ঢাকাগামী আলুবোঝাই আরেকটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা দেয়। এ সময় একটি যাত্রীবাহী বাস এসে ট্রাকটিকে ধাক্কা দিলে মুহূর্তেই ত্রিমুখী সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
৩৪ মিনিট আগে
ফাল্গুন-চৈত্র এলেই যেন আগুনের ঋতু নেমে আসে গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জের অধীনে ভাওয়ালের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। বিস্তীর্ণ সবুজে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে রহস্যময় আগুনে। প্রতিবছর গ্রাস করে শত শত একর বনভূমি। পুড়ে ছাই হয় শুধু গাছপালা নয়, হারিয়ে যায় বন্য প্রাণী...
৫ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের অঞ্চলগুলোতে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। তবে ফেরার পথে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। অভিযোগ উঠেছে, গণপরিবহন ও জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে একশ্রেণির পরিবহনশ্রমিক ও সিন্ডিকেট যাত্রীদের...
৬ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে হত্যা, হামলা ও সহিংসতার অভিযোগে আদালতে করা মামলাগুলোতে আসামি করা ব্যক্তিদের বড় অংশই তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত তদন্ত শেষ হওয়া ৮২টি মামলার প্রায় ৬৩ শতাংশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
৬ ঘণ্টা আগে