প্রতিনিধি, (উখিয়া) কক্সবাজার

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিনে কঠোর অবস্থানে ছিল উখিয়ার উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দিনভর বৃষ্টিতেও বিধিনিষেধ কার্যকর করতে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ছিল সমন্বিত তৎপরতা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে চলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। এ সময় বিধিনিষেধ অমান্যের অপরাধে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অর্থদণ্ড করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, দ্বিতীয় দিনে তিনটি পৃথক অভিযানে ২৯ মামলায় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মানুষকে ২৪ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগে প্রথম দিন ১০ মামলায় ১৪ জনকে ৪ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ কঠোরভাবে কার্যকর করতে মাঠে থাকবে প্রশাসন। এ লক্ষ্যে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।
লকডাউনের কারণে বিপাকে পড়া কর্মহীন মানুষদের সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে জানিয়ে ইউএনও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় লকডাউনে কর্মহীন মানুষদের পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে খাদ্যসহায়তা। লকডাউনের প্রথম দিন জরুরি সেবা ৩৩৩-এ কল করা উপজেলার তিনজনকে এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকাল থেকেই উপজেলার সড়কগুলো প্রথম দিনের তুলনায় অনেকটা ফাঁকা ছিল। বেশির ভাগ সড়কই ছিল সুনসান।
মোড়ে মোড়ে বসানো ছিল তল্লাশিচৌকি। যারা সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারছে নাম তাদের পড়তে হয়েছে বাধার মুখে।
উখিয়া থানার ওসি সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, কক্সবাজার–টেকনাফ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলার প্রবেশদ্বার মরিচ্যা, কোটবাজার, সোনারপাড়ায় বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।
জরুরি পরিষেবা ছাড়া উপজেলায় বন্ধ সব ধরনের যানবাহন। খোলেনি দোকানপাট, শপিং মল।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিনে কঠোর অবস্থানে ছিল উখিয়ার উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দিনভর বৃষ্টিতেও বিধিনিষেধ কার্যকর করতে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ছিল সমন্বিত তৎপরতা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে চলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। এ সময় বিধিনিষেধ অমান্যের অপরাধে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অর্থদণ্ড করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, দ্বিতীয় দিনে তিনটি পৃথক অভিযানে ২৯ মামলায় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মানুষকে ২৪ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগে প্রথম দিন ১০ মামলায় ১৪ জনকে ৪ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ কঠোরভাবে কার্যকর করতে মাঠে থাকবে প্রশাসন। এ লক্ষ্যে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।
লকডাউনের কারণে বিপাকে পড়া কর্মহীন মানুষদের সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে জানিয়ে ইউএনও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় লকডাউনে কর্মহীন মানুষদের পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে খাদ্যসহায়তা। লকডাউনের প্রথম দিন জরুরি সেবা ৩৩৩-এ কল করা উপজেলার তিনজনকে এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকাল থেকেই উপজেলার সড়কগুলো প্রথম দিনের তুলনায় অনেকটা ফাঁকা ছিল। বেশির ভাগ সড়কই ছিল সুনসান।
মোড়ে মোড়ে বসানো ছিল তল্লাশিচৌকি। যারা সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারছে নাম তাদের পড়তে হয়েছে বাধার মুখে।
উখিয়া থানার ওসি সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, কক্সবাজার–টেকনাফ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলার প্রবেশদ্বার মরিচ্যা, কোটবাজার, সোনারপাড়ায় বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।
জরুরি পরিষেবা ছাড়া উপজেলায় বন্ধ সব ধরনের যানবাহন। খোলেনি দোকানপাট, শপিং মল।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে