প্রতিনিধি, টেকনাফ (কক্সবাজার)

আগামী মঙ্গলবার থেকে অ্যাস্ট্রেজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাবে টেকনাফসহ কক্সবাজারবাসী। এ টিকার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন টেকনাফের ১ হাজার ৬৮৩ জন। এর মধ্যে গত শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় ডোজের বরাদ্দ হওয়া টিকা এসে পৌঁছেছে কক্সবাজারে। তবে ৩২ হাজার ২৯১ জন লোক অ্যাস্ট্রেজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের প্রতীক্ষায় থাকলেও ডোজ এসেছে ২৪ হাজার।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআই অ্যান্ড সার্ভিল্যান্স থেকে কক্সবাজারে অ্যাস্ট্রেজেনেকার ২৪ হাজার ডোজ টিকা এসেছে। এসব টিকা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সেন্ট্রাল কোল্ড স্টোরে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এর আগে জেলায় অ্যাস্ট্রেজেনেকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৮৯ হাজার ৯৭১ জন। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৮০ জন। দ্বিতীয় ডোজের টিকার জন্য অপেক্ষায় আছেন আরও ৩২ হাজার ২৯১ জন।
দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষারতদের মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলায় আছেন-৩ হাজার ২১৫ জন, চকরিয়ায় ৪ হাজার ৩৫৫ জন, উখিয়ায় ২ হাজার ৫৫৪ জন, টেকনাফে ১ হাজার ৬৮৩ জন, কুতুবদিয়ায় ১ হাজার ৫৭৫ জন, পেকুয়ায় ২ হাজার ৭০ জন, রামুতে ৪ হাজার ২৩১ জন ও মহেশখালীতে ২ হাজার ৬০৮ জন।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের পরিসংখ্যানবিদ পঙ্কজ পাল বলেন, চাহিদা অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগামী মঙ্গলবারের আগে টিকা পৌঁছে দেওয়া হবে।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. টিটু চন্দ্রশীল বলেন, এখনো টেকনাফে টিকা পৌঁছেনি। পাওয়া মাত্রই অপেক্ষাকৃতদের টিকা দেওয়া হবে।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন মাহাবুবুর রহমান বলেন, আগামী মঙ্গলবার থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা কার্যক্রম শুরু করতে পারব বলে আশা করছি।

আগামী মঙ্গলবার থেকে অ্যাস্ট্রেজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাবে টেকনাফসহ কক্সবাজারবাসী। এ টিকার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন টেকনাফের ১ হাজার ৬৮৩ জন। এর মধ্যে গত শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় ডোজের বরাদ্দ হওয়া টিকা এসে পৌঁছেছে কক্সবাজারে। তবে ৩২ হাজার ২৯১ জন লোক অ্যাস্ট্রেজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের প্রতীক্ষায় থাকলেও ডোজ এসেছে ২৪ হাজার।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআই অ্যান্ড সার্ভিল্যান্স থেকে কক্সবাজারে অ্যাস্ট্রেজেনেকার ২৪ হাজার ডোজ টিকা এসেছে। এসব টিকা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সেন্ট্রাল কোল্ড স্টোরে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এর আগে জেলায় অ্যাস্ট্রেজেনেকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৮৯ হাজার ৯৭১ জন। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৮০ জন। দ্বিতীয় ডোজের টিকার জন্য অপেক্ষায় আছেন আরও ৩২ হাজার ২৯১ জন।
দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষারতদের মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলায় আছেন-৩ হাজার ২১৫ জন, চকরিয়ায় ৪ হাজার ৩৫৫ জন, উখিয়ায় ২ হাজার ৫৫৪ জন, টেকনাফে ১ হাজার ৬৮৩ জন, কুতুবদিয়ায় ১ হাজার ৫৭৫ জন, পেকুয়ায় ২ হাজার ৭০ জন, রামুতে ৪ হাজার ২৩১ জন ও মহেশখালীতে ২ হাজার ৬০৮ জন।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের পরিসংখ্যানবিদ পঙ্কজ পাল বলেন, চাহিদা অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগামী মঙ্গলবারের আগে টিকা পৌঁছে দেওয়া হবে।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. টিটু চন্দ্রশীল বলেন, এখনো টেকনাফে টিকা পৌঁছেনি। পাওয়া মাত্রই অপেক্ষাকৃতদের টিকা দেওয়া হবে।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন মাহাবুবুর রহমান বলেন, আগামী মঙ্গলবার থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা কার্যক্রম শুরু করতে পারব বলে আশা করছি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে