
কক্সবাজারের রামুতে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের খুনিয়াপালং এলাকায় কাভার্ড ভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই বোনসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের মধ্যম খুনিয়াপালং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও দুজন আহত হয়েছেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হরিণমারা এলাকার জাফর আলমের দুই মেয়ে শাহনাজ বেগম (৪০) ও রুবিনা বেগম (৪২)। নিহত অপর যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। আহত দুজনও অটোরিকশার যাত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রামু হাইওয়ে ক্রসিং থানার পরিদর্শক সুকান্ত চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে তিনি বলেন, বিকেলে মধ্যম খুনিয়াপালং এলাকায় কক্সবাজারমুখী একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন এবং চালকসহ তিনজন আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিদর্শক সুকান্ত চক্রবর্তী জানান, দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানের চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন। তবে দুর্ঘটনাকবলিত কাভার্ড ভ্যান ও অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় নার্গিস বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার কুমেদপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী লাশটি উদ্ধার করা হয়।
১২ মিনিট আগে
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে খাবার খেয়ে বাড়ির উঠানে খেলছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় তার বাবা-মা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে কোথাও দেখতে না পেয়ে তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পেছনে প্রতিবেশীর একটি পুকুরে তাকে ভাসতে দেখতে পান তার বাবা।
৩১ মিনিট আগে
অভিযানকালে ঢাকাগামী একটি বাসে যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহীর মতিহার উপজেলার বাসিন্দা মো. সাগর আহমদের (৩৮) কাছ থেকে ১২৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নেত্রকোনা সদর উপজেলার গরুহাট্টা এলাকা থেকে মো. মাসুদ মিয়াকে (৪২) আটক করা হয়।
৩৬ মিনিট আগে
৪০ বছর আগে স্বাভাবিক জীবন ছিল উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের লতাবর গ্রামের শফিকুল ইসলামের। হালচাষ করে চার ছেলে-মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে চলত তাঁর সংসার। হঠাৎ মানসিক ভারসাম্য হারালে চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালেও পাঠানো হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকেরা তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।
৪২ মিনিট আগে