প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা

গত ২৪ ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আরও নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ১৪৩ জনের শরীরে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ চুয়াডাঙ্গায় ৪৬৬টি নমুনার পরীক্ষায় ১৪৩টি নমুনার ফলাফল পজিটিভ এসেছে।
জেলায় নতুন আক্রান্ত ১৪৩ জনের মধ্যে সদর উপজেলার ৪৬ জন, আলমডাঙ্গা উপজেলার ৩০ জন, দামুড়হুদা উপজেলার ২৯ জন ও জীবননগরের ৩৮ জন রয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩০.৬৮ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৫৪৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলার ১ হাজার ৯২৭ জন, আলমডাঙ্গার ৭৬০ জন, দামুড়হুদায় ৯৭০ জন ও জীবননগরে ৮৮৫ জন।
এদিন জেলায় নতুন ১৩২ জন সুস্থ হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ৫৮২ জন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম ফাতেহ্ আকরাম জানান, গতকাল জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ছয়জন ও সদর হাসপাতালের ইয়েলো জোনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া অন্য পাঁচজনের শরীর থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। করোনায় মৃত্যু হওয়া নতুন ছয়জনসহ জেলায় আক্রান্ত হয়ে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে মৃত্যু হয়েছে মোট ১২১ জনের ও জেলার বাইরে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৬ জনের।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী জেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট নমুনা সংগ্রহ ১৬ হাজার ৭৫৮ টি, প্রাপ্ত ফলাফল ১৬ হাজার ৩০২ টি, পজিটিভ ৪ হাজার ৫৪৯ জন। জেলায় বর্তমানে ১ হাজার ৮৩০ জন হোম আইসোলেশন ও হাসপাতাল আইসোলেশনে রয়েছে। এর মধ্যে হোম আইসোলেশনে আছে ১ হাজার ৭০৭ জন ও হাসপাতাল আইসোলেশনে ১২৩ জন। জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩৭ জনের। এর মধ্যে জেলায় আক্রান্ত হয়ে জেলার হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে মৃত্যু হয়েছে ১২১ জনের। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গায় আক্রান্ত অন্য ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে জেলার বাইরে।

গত ২৪ ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আরও নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ১৪৩ জনের শরীরে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ চুয়াডাঙ্গায় ৪৬৬টি নমুনার পরীক্ষায় ১৪৩টি নমুনার ফলাফল পজিটিভ এসেছে।
জেলায় নতুন আক্রান্ত ১৪৩ জনের মধ্যে সদর উপজেলার ৪৬ জন, আলমডাঙ্গা উপজেলার ৩০ জন, দামুড়হুদা উপজেলার ২৯ জন ও জীবননগরের ৩৮ জন রয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩০.৬৮ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৫৪৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলার ১ হাজার ৯২৭ জন, আলমডাঙ্গার ৭৬০ জন, দামুড়হুদায় ৯৭০ জন ও জীবননগরে ৮৮৫ জন।
এদিন জেলায় নতুন ১৩২ জন সুস্থ হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ৫৮২ জন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম ফাতেহ্ আকরাম জানান, গতকাল জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ছয়জন ও সদর হাসপাতালের ইয়েলো জোনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া অন্য পাঁচজনের শরীর থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। করোনায় মৃত্যু হওয়া নতুন ছয়জনসহ জেলায় আক্রান্ত হয়ে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে মৃত্যু হয়েছে মোট ১২১ জনের ও জেলার বাইরে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৬ জনের।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী জেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট নমুনা সংগ্রহ ১৬ হাজার ৭৫৮ টি, প্রাপ্ত ফলাফল ১৬ হাজার ৩০২ টি, পজিটিভ ৪ হাজার ৫৪৯ জন। জেলায় বর্তমানে ১ হাজার ৮৩০ জন হোম আইসোলেশন ও হাসপাতাল আইসোলেশনে রয়েছে। এর মধ্যে হোম আইসোলেশনে আছে ১ হাজার ৭০৭ জন ও হাসপাতাল আইসোলেশনে ১২৩ জন। জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩৭ জনের। এর মধ্যে জেলায় আক্রান্ত হয়ে জেলার হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে মৃত্যু হয়েছে ১২১ জনের। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গায় আক্রান্ত অন্য ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে জেলার বাইরে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে