
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর কবলে পড়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে বিভিন্ন সড়কে গাছ উপড়ে পড়ে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া ফসলের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। গতকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে হঠাৎ আঘাত হানা এ ঝড়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
নিহত ব্যক্তির নাম মকলেছুর রহমান (৬৫)। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের সরদারপাড়ার বাসিন্দা এবং মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
নিহতের ভাতিজা সোহানুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঝড়ের তীব্রতা বাড়লে মকলেছুর রহমান বাড়ির টিনের চাল সামাল দিতে সেখানে উঠেছিলেন। এ সময় প্রচণ্ড বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঝড়ের দাপটে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ডিঙ্গেদহ ও বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় কয়েকটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এতে কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় গাছগুলো সরিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করেন।
ঝড়ের প্রভাবে জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা উপড়ে পড়ার পাশাপাশি ফসলেরও ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, কালবৈশাখীতে জেলার বিভিন্ন স্থানে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এখনই নির্দিষ্টভাবে ক্ষতির পরিমাণ বলা সম্ভব নয়।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, রাত ৭টা ৫৫ মিনিট থেকে ৯টা ৫ মিনিট পর্যন্ত জেলায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২০ কিলোমিটার।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঝড়ে সড়কে ভেঙে পড়া গাছ অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।

রাজধানীর জুরাইনের বউবাজার এলাকায় বিদ্যুতায়িত হয়ে হৃদয় হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
৩১ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শী তোফাজ্জল মিয়াজী জানান, ছয় মাস ধরে এলাকায় রহস্যজনক কর্মকাণ্ড চলছিল। সন্দেহজনক আচরণের কারণে গ্রামবাসী ওত পেতে ছিল। বুধবার ভোরে তারা চক্রটিকে হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করে, তবে তিতাস ও রাজিব নামে দুই সদস্যসহ চক্রের অন্যরা পালিয়ে যান।
৩৬ মিনিট আগে
সাদেক ভূঁইয়া ও তাঁর ভাই ফিরোজ মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ফিরোজ মিয়া, তাঁর ছেলে জোনাইদ ও তাঁদের লোকজন সাদেক ভূঁইয়ার ওপর চড়াও হয়। এ সময় ভাতিজা জোনাইদের ছোড়া ঢিলে গুরুতর আহত হন সাদেক ভূঁইয়া।
৪১ মিনিট আগে
মঙ্গলবার দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে খালে গোসল করতে নেমে রাকিব নিখোঁজ হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে খবর পেয়ে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে