চবি প্রতিনিধি

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) অন্তত ৬টি পাহাড় ধসে পড়েছে। এতে কেউ হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বেশ কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছ উপড়ে পড়েছে। এ ছাড়া গ্যাসের লাইনও ফেটে গেছে।
গতকাল রোববার রাতে ক্যাম্পাসের কাটাপাহাড়, শিক্ষক লাউঞ্জের পেছনের পাহাড়, গোলপুকুর, গোডাউন কলোনিসহ বিভিন্ন জায়গায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কাটাপাহাড় সড়কের পাশে তিনটি পাহাড় ধসে পড়েছে। এর মধ্যে একটি পাহাড় বড় ধরনের ও দুইটি পাহাড় সামান্য করে ধসে পড়েছে। এতে ধসে পড়া মাটিতে ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লাউঞ্জের পেছনের পাহাড় ধসে গ্যাসলাইন ফেটে গ্যাসের গন্ধ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগে গ্যাস-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
৩ নম্বর গোডাউন কলোনি এলাকায় একটি পাহাড় ধসে দুটি বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে। সমাজবিজ্ঞান অনুষদের পাশের একটি পাহাড় ধসে দুটি গাছ উপড়ে যায়। এ ছাড়া গোলপুকুর এলাকায়ও একটি পাহাড় পুরো ধসে পড়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে রাতে কয়েকটি পাহাড় ধসে পড়েছে। এ কারণে কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছ উপড়ে গেছে। এ ছাড়া এক জায়গায় গ্যাসলাইনও ফেটে গেছে। ধসে পড়া মাটিতে কয়েকটি জায়গা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা মাটি সরিয়ে ও গাছ কেটে রাস্তা চলাচল উপযোগী করেছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) সৈয়দ জাহাঙ্গীর ফজল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি পাহাড় ধসে পড়েছে। এতে বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছ উপড়ে গেছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু অংশে বিদ্যুৎ-সংযোগ নেই। আমরা সব স্বাভাবিক করতে কাজ করছি।’

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) অন্তত ৬টি পাহাড় ধসে পড়েছে। এতে কেউ হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বেশ কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছ উপড়ে পড়েছে। এ ছাড়া গ্যাসের লাইনও ফেটে গেছে।
গতকাল রোববার রাতে ক্যাম্পাসের কাটাপাহাড়, শিক্ষক লাউঞ্জের পেছনের পাহাড়, গোলপুকুর, গোডাউন কলোনিসহ বিভিন্ন জায়গায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কাটাপাহাড় সড়কের পাশে তিনটি পাহাড় ধসে পড়েছে। এর মধ্যে একটি পাহাড় বড় ধরনের ও দুইটি পাহাড় সামান্য করে ধসে পড়েছে। এতে ধসে পড়া মাটিতে ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লাউঞ্জের পেছনের পাহাড় ধসে গ্যাসলাইন ফেটে গ্যাসের গন্ধ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগে গ্যাস-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
৩ নম্বর গোডাউন কলোনি এলাকায় একটি পাহাড় ধসে দুটি বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে। সমাজবিজ্ঞান অনুষদের পাশের একটি পাহাড় ধসে দুটি গাছ উপড়ে যায়। এ ছাড়া গোলপুকুর এলাকায়ও একটি পাহাড় পুরো ধসে পড়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে রাতে কয়েকটি পাহাড় ধসে পড়েছে। এ কারণে কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছ উপড়ে গেছে। এ ছাড়া এক জায়গায় গ্যাসলাইনও ফেটে গেছে। ধসে পড়া মাটিতে কয়েকটি জায়গা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা মাটি সরিয়ে ও গাছ কেটে রাস্তা চলাচল উপযোগী করেছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) সৈয়দ জাহাঙ্গীর ফজল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি পাহাড় ধসে পড়েছে। এতে বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছ উপড়ে গেছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু অংশে বিদ্যুৎ-সংযোগ নেই। আমরা সব স্বাভাবিক করতে কাজ করছি।’

ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
১১ মিনিট আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
১৫ মিনিট আগে
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের রায়ের পরদিনই শাকসু নির্বাচন, অর্থাৎ কালকে রায় হলে পরশু ইলেকশন। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাকসুর নির্বাচনের পক্ষে ইতিবাচক রায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে।
১৮ মিনিট আগে
এক শীত চলে গেছে, আরেক শীতের মৌসুম শেষ হওয়ার পথে, তবু শীতার্তদের জন্য বিদেশে থেকে অনুদান হিসেবে পাওয়া ৮ কনটেইনার শীতবস্ত্র পৌঁছায়নি দুস্থদের কাছে। ১০ মাস আগে এসব শীতবস্ত্র কনটেইনারে করে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় মালপত্র এখনো খালাস করা যায়নি।
২১ মিনিট আগে