নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

সংবাদ প্রকাশের পর কোতোয়ালি থানার স্টেশন রোডের ইঞ্জিনিয়ারিং কলোনিতে চট্টগ্রাম রেলের টিকিট কালেক্টর গাজী মো. ফারহান সাদিকের অবৈধভাবে গড়ে তোলা দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রেলের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি আজকের পত্রিকায় ‘প্রাচীর ভেঙে দোকান করে কর্মীর পকেটে ৯ কোটি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার ১৩ দিনের মাথায় এই অভিযান চালানো হয়।
আজ সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মাহবুবুল করিম। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সাতটি সেমিপাকা, তিনজন অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করে দশমিক শূন্য ৪ একর জায়গা উদ্ধার করা হয়। পরে রেলের ওই কর্মচারীকে শোকজ করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।’
ভূ-সম্পত্তি বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, স্টেশন রোডের ফলমন্ডি কলোনির এ/ ১২ (এ) নম্বর বাসাটি বরাদ্দ পেয়েছিলেন চট্টগ্রাম রেলের টিকিট কালেক্টর গাজী মো. ফারহান সাদিক। কিন্তু সেই বাসার ভেতরের কিছু অংশ ও বাইরে কলোনির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ৩০টি দোকান নির্মাণ করেন তিনি। শুধু তাই নয়, অবৈধভাবে তৈরি করা এসব দোকান ভাড়াও দেন। এ জন্য প্রত্যেক দোকানির কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছেন মোটা অঙ্কের অর্থ, যাকে চট্টগ্রামের ভাষায় বলে সেলামি।
মূলত বড় বড় সেমিপাকা এসব ঘরে কয়েকটি দোকান ভাগ করে ভাড়া দেওয়া হয়। এমনকি বিভিন্ন গোডাউনও ভাড়া দেন তিনি। রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগের এক প্রতিবেদনেও কলোনির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে অবৈধভাবে দোকান ও গুদামঘর নির্মাণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। ভূ-সম্পত্তি বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জায়গাটি পরিদর্শন করে ওই প্রতিবেদন জমা দেন।
প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ইঞ্জিনিয়ারিং কলোনির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে সেমিপাকা দোকান ও গুদাম নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়া হয়েছে অবৈধভাবে। যে বাসাটিকে ঘিরে এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছে, সেই বাসার প্রবেশপথে তালা লাগানো ছিল। তাই ভেতরে আরও কোনো অবৈধ স্থাপনা আছে কি না, তা জানা সম্ভব হয়নি। বাসাটিতে টিকিট কালেক্টর ফারহান সাদিক থাকেন না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ প্রকাশের পর কোতোয়ালি থানার স্টেশন রোডের ইঞ্জিনিয়ারিং কলোনিতে চট্টগ্রাম রেলের টিকিট কালেক্টর গাজী মো. ফারহান সাদিকের অবৈধভাবে গড়ে তোলা দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রেলের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি আজকের পত্রিকায় ‘প্রাচীর ভেঙে দোকান করে কর্মীর পকেটে ৯ কোটি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার ১৩ দিনের মাথায় এই অভিযান চালানো হয়।
আজ সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মাহবুবুল করিম। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সাতটি সেমিপাকা, তিনজন অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করে দশমিক শূন্য ৪ একর জায়গা উদ্ধার করা হয়। পরে রেলের ওই কর্মচারীকে শোকজ করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।’
ভূ-সম্পত্তি বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, স্টেশন রোডের ফলমন্ডি কলোনির এ/ ১২ (এ) নম্বর বাসাটি বরাদ্দ পেয়েছিলেন চট্টগ্রাম রেলের টিকিট কালেক্টর গাজী মো. ফারহান সাদিক। কিন্তু সেই বাসার ভেতরের কিছু অংশ ও বাইরে কলোনির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ৩০টি দোকান নির্মাণ করেন তিনি। শুধু তাই নয়, অবৈধভাবে তৈরি করা এসব দোকান ভাড়াও দেন। এ জন্য প্রত্যেক দোকানির কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছেন মোটা অঙ্কের অর্থ, যাকে চট্টগ্রামের ভাষায় বলে সেলামি।
মূলত বড় বড় সেমিপাকা এসব ঘরে কয়েকটি দোকান ভাগ করে ভাড়া দেওয়া হয়। এমনকি বিভিন্ন গোডাউনও ভাড়া দেন তিনি। রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগের এক প্রতিবেদনেও কলোনির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে অবৈধভাবে দোকান ও গুদামঘর নির্মাণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। ভূ-সম্পত্তি বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জায়গাটি পরিদর্শন করে ওই প্রতিবেদন জমা দেন।
প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ইঞ্জিনিয়ারিং কলোনির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে সেমিপাকা দোকান ও গুদাম নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়া হয়েছে অবৈধভাবে। যে বাসাটিকে ঘিরে এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছে, সেই বাসার প্রবেশপথে তালা লাগানো ছিল। তাই ভেতরে আরও কোনো অবৈধ স্থাপনা আছে কি না, তা জানা সম্ভব হয়নি। বাসাটিতে টিকিট কালেক্টর ফারহান সাদিক থাকেন না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে